শিরোনাম:

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা কমে আসায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আগের মতো চাপ আর নেই। টানা কয়েকটি সেশনে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ায় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুবাইসহ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমতে শুরু করে।

দুবাই জুয়েলারি গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম গ্রামপ্রতি নির্ধারিত হয়েছে ৫৫৩ দিরহাম, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ২ দিরহাম কম। একই সময়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নেমে এসেছে গ্রামপ্রতি ৫১২.২৫ দিরহামে।

অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের মধ্যে ২১ ক্যারেট বিক্রি হয়েছে ৪৯১ দিরহাম, ১৮ ক্যারেট ৪২১ দিরহাম এবং ১৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল গ্রামপ্রতি ৩২৮.২৫ দিরহাম। আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম দাঁড়ায় ৪,৫৯০ ডলারে, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সময় সকাল ৯টায় প্রায় ০.৮ শতাংশ কম। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িক দরপতন হলেও স্বর্ণের সামগ্রিক চাহিদা এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। এর আগের দিন বুধবার স্বর্ণের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল।

সেঞ্চুরি ফাইন্যান্সিয়ালের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা বিজয় ভালেচা বলেন, ‘প্রত্যাশার চেয়ে কম মার্কিন মূল্যস্ফীতি তথ্যের ফলে এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ দুই দফা সুদহার কমাতে পারে-এমন প্রত্যাশা জোরালো হয়েছে। পাশাপাশি ফেডের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ এবং চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপের খবরে ডলার চাপে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইরানে সহিংস বিক্ষোভ, ভেনেজুয়েলা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চাপ, তেহরান ঘিরে শুল্ক হুমকি এবং ইউক্রেন যুদ্ধ—সব মিলিয়ে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এখনো বেশি, যা স্বর্ণের দীর্ঘমেয়াদি চাহিদা বাড়িয়ে দিচ্ছে।’

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ১৩ জন প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারস্থ জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ।

চূড়ান্ত তালিকায় জামায়াতের ৮ জন ছাড়াও জুলাই শহিদ পরিবার থেকে একজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ২ জন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) থেকে একজন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে একজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

১১ দলীয় জোটের মনোনীত ১৩ জন প্রার্থী হলেন:
নুরননেসা সিদ্দিকা, মারজিয়া বেগম, অ্যাডভোকেট সাবিকুন নাহার, নাজমুন নাহার, অধ্যাপক মাহফুজা, সাজেদা সামাদ, শামসুন্নাহার বেগম, ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম (জুলাই শহিদ পরিবার), মনিরা শারমিন (এনসিপি), ডা. মাহমুদা আলম মিতু (এনসিপি), তাসমিয়া প্রধান (জাগপা), ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদা হাকিম (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ জানান, ঐক্যবদ্ধভাবে এই ১৩ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তারা নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন দাখিল করবেন।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জন চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

শ্রীলঙ্কাকে হারাল বাংলাদেশের মেয়েরা

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা

নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে দুইশ রানের মধ্যেই আটকে রেখেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। রান তাড়ায় শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও শারমিন আক্তারের দুর্দান্ত ফিফটি এবং স্বর্ণা আক্তার-সোবহানা মোস্তারির ক্যামিওতে বড় জয়ের পথেই ছিল। কিন্তু শেষদিকে মাত্র ২ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টাইগ্রেসরা। অবশ্য নাটকীয়তা শেষে ৩ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরাই।

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজশাহীর শহিদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটের বিনিমযে ২০৫ রান করে শ্রীলঙ্কার মেয়েরা। জবাবে ৯ বল ও ৩ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ। ১২৭ বলে ১৩ বাউন্ডারিতে ৮৬ রানের ইনিংস খেলে শারমিন ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটাই ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দুই ওভার শেষ হওয়ার আগেই সাজঘরের পথ ধরেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার। দলকে বিপদে ফেলে দ্রুতই আউট হন দলনেতা নিগার সুলতানা জ্যোতিও। শারমিন সুলতানা শূন্য, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ৫ ও নিগার সুলতানা জ্যোতি ১৩ রানে ফেরেন। মাত্র ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলের হাল ধরেন শারমিন আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি।

এই দুই ব্যাটার মিলে গড়েন অপ্রতিরোধ্য ৮৭ রানের জুটি। ৫৬ বলে ৪১ রান করার পর রিটায়ার্ট হার্ট হয়ে ক্রিজ ছেড়ে আসেন সোবহানা। এরপর স্বর্ণা আক্তারের সঙ্গে ৬৮ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তেই নিয়ে যান শারমিন। কিন্তু জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি। ফিফটি পূরণের পর তার ইনিংস থামে ৮৬ রানে। ১২৭ বলে খেলা এই অনবদ্য ইনিংসটি ১৩টি চারে সাজানো।

এরপর মাত্র ২ রান তুলতেই সাজঘরে ফেরেন স্বর্ণা, রাবেয়া ও রিতুমনি। আউট হওয়ার আগে স্বর্ণা ৩৫, রিতুমনি শূন্য ও রাবেয়া ১ রান করেন। পরে সুলতানা খাতুনকে (১) নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন নাহিদা আক্তার (৩)। বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কার হয়ে দেওমি ভিয়ঙ্গ ৩টি এবং মালকি মাদারা ২ উইকেট শিকার করেন।

এর আগে, শ্রীলঙ্কার ইনিংসে আসে দুটি ফিফটি। সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন হানসিমা করুনারত্নে। আর ইমেশা দুলানির ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান। এছাড়া কাভিশা দিলহারি ৩০, হাসিনি পেরেরা ২৭ ও কৌশানি ১৮ রান করেন। বাকি ব্যাটারদের কেউই দশের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিতুমনি। দুটি উইকেট নেন নাহিদা আক্তার।

‘সব বাংলাদেশি মুসলিমকে লাথি মেরে তাড়াব’

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রচারে এসে ‘বাংলাদেশি মুসলিমদের’ নিয়ে বড় বার্তা আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়ে হিমন্ত অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশি মুসলিমদের অনুপ্রবেশে সাহায্য করছে শাসকদল। এই আবহে হিমন্ত বিশ্বশর্মা দাবি করেছেন, বিজেপি যদি বাংলায় ক্ষমতায় আসে, তাহলে তারা সমস্ত বাংলাদেশি মুসলমানদের তাড়িয়ে দেবে ভারত থেকে।

তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের সঙ্গে বাংলার সীমান্ত খোলা রেখেছেন। প্রতিদিনই বাংলাদেশি মুসলিমরা বাংলা সীমান্ত পার করে এদিকে আসছে। আমি তাদের আসাম থেকে বের করে দিই, কিন্তু তারা এখানে ফিরে আসে। তাই বাংলাদেশি মুসলমানদের হাত থেকে ভারতকে মুক্ত করতে হলে পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি সরকার দরকার। সব বাংলাদেশি মুসলিমকে লাথি মেরে তাড়িয়ে দেব, আমি কাউকে ভয় পাই না।’

শর্মা অভিযোগ করেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা বাংলাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিতে হবে, অন্যথায় একদিন বাংলাদেশি মুসলিমরা আমাদের কাছ থেকে এই রাজ্য কেড়ে নেবে।’

এদিকে বিজেপি নেতা আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে উত্তরবঙ্গে কোনও উন্নয়ন হয়নি। বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করলেই আমরা এই অঞ্চল থেকে সব বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বিতাড়িত করব। বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুর সাংবিধানিক সমাধান খুঁজে পাবে এবং গোর্খাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।’

×