শিরোনাম:

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধসহ উপমহাদেশের নানা ঘটনা প্রবাহ কাভার করা বিবিসি’র খ্যাতনামা সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই।

‘ভারতের কণ্ঠস্বর’ খ্যাত এই সাংবাদিক রোববার (২৫ জানুয়ারি) নয়াদিল্লিতে ৯০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। নয়াদিল্লি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

১৯৩৫ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতের কলকাতায় জন্ম নেন মার্ক টালি। তিনি এই দেশকেই তার ঠিকানা ও কর্মস্থল হিসেবে বেছে নেন। এক পর্যায়ে উপমহাদেশের খ্যাতনামা বিদেশি সংবাদদাতা হয়ে ওঠেন।

বিবিসি নিউজের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান জনাথন মনরো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘স্যার মার্ক তার প্রতিবেদনের মাধ্যমে ভারতকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছিলেন। যুক্তরাজ্য ও বিশ্বের দর্শকদের কাছে দেশের প্রাণবন্ততা ও বৈচিত্র্য তুলে ধরেছিলেন তিনি।’

মার্ক টালি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৯২ সালে উত্তরপ্রদেশে মুঘল আমলের বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনা কাভার করেছিলেন।

ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এক বিবৃতিতে বলেন, আমাদের উপমহাদেশের প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে তার শান্ত ও অনন্য সাধারণ কণ্ঠস্বর ছিল সংবাদের প্রতিশব্দ। কলকাতায় জন্ম নেওয়া টালি এ অঞ্চলের ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের খবরের কারিগর।

টাইমস অব ইন্ডিয়া তাকে ‘ভারতের ইতিহাসলিপিকার এবং একজন স্বনামধন্য লেখক’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

টালি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মতত্ত্ব অধ্যয়ন করেন। তিনি ১৯৬৫ সালে ভারতে ফিরে আসেন এবং নয়াদিল্লিতে বিবিসিতে অফিস অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে যোগ দেন।

লন্ডনে বিবিসির হিন্দি ও ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে সংক্ষিপ্ত সময় কাজ করার পর ১৯৭১ সালে তাকে নয়াদিল্লিতে পাবলিক ব্রডকাস্টারের সংবাদদাতা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

কয়েক বছর পর টালি ব্যুরো প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান। যেখানে তিনি ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ার সংবাদ কাভারেজ তত্ত্বাবধান করেন। তিনি দুই দশক এই পদে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৪ সালে তিনি তৎকালীন মহাপরিচালক জন বার্টকে সমালোচনা করে বিবিসি থেকে পদত্যাগ করেন।

ভারত সরকার মার্ক টালিকে পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ সম্মাননায় ভূষিত করে। ব্রিটেনও তাকে ২০০২ সালে সম্প্রচার ও সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য নাইট উপাধি প্রদান করে।

খামেনিকে হত্যা ‘নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক আইনের’ ‘নির্লজ্জ লঙ্ঘন’: পুতিন

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রবিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইকে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় হত্যার ঘটনাকে নৈতিকতা ও আইনের ‘সিনিক্যাল লঙ্ঘন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। খবর এএফপি

ক্রেমলিন দ্বারা প্রকাশিত তার ইরানি সমকক্ষ মাসউদ পেজেশকিয়ানকে লেখা একটি চিঠিতে, পুতিন খামেনেইর হত্যার জন্য ‘গভীর শোক’ প্রকাশ করেছেন, বলছেন যে এই হত্যাকাণ্ড মানব নৈতিকতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের সমস্ত নিয়মের ‘সিনিক্যাল লঙ্ঘন’ করে করা হয়েছে।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বর্তমানে তিনি ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

অর্থমন্ত্রীর অসুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শহিদুজ্জামান। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, নিউমোনিয়ার সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় মন্ত্রীকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে এবং তিনি চিকিৎসায় ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন।

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। পরবর্তীতে নতুন সরকার গঠিত হলে তাকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়।

খামেনির হত্যা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা: ইরানের প্রেসিডেন্ট

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান রবিবার বলেছেন যে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যাকাণ্ড মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা।

রাষ্ট্রীয় টিভিতে প্রচারিত এক বিবৃতিতে পেজেশকিয়ান বলেছেন “ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্বব্যাপী শিয়াদের একজন বিশিষ্ট নেতার হত্যাকাণ্ডকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে এবং বিশেষ করে বিশ্বব্যাপী শিয়াদের বিরুদ্ধে খোলাখুলি যুদ্ধের ঘোষণা হিসেবে দেখা হচ্ছে,”।

পেজেশকিয়ান বলেছেন যে সর্বোচ্চ নেতার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের অধিকার এবং দায়িত্ব।

“ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান এই ঐতিহাসিক অপরাধের অপরাধী এবং পরিকল্পনাকারীদের প্রতিশোধ নেওয়াকে তার বৈধ দায়িত্ব এবং অধিকার বলে মনে করে,” পেজেশকিয়ান বলেছেন।

×