শিরোনাম:

কৃষি অর্থনীতির নতুন সূচনার আভাস?

কৃষি অর্থনীতির নতুন সূচনার আভাস?

পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই কার্ডের আওতায় প্রান্তিক চাষিদের সহজে কৃষি প্রণোদনা, ঋণ ও ভর্তুকি দেবে সরকার। কৃষককার্ড ছাড়াও বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় ঠাঁই পেয়েছে কৃষকবান্ধব নানা উদ্যোগ। কৃষি অর্থনীতিবিদদের অভিমত, উদ্যোগ সফল হলে সরকার ও কৃষকের মাঝে কমবে দূরত্ব, সূচনা হবে কৃষি অর্থনীতির নতুন দিনের।

নিজেদের ফসলের খেতে কাজ করছিলেন নুরুল সর্দার ও তার স্ত্রী। বৈশাখের প্রথমদিনেই কৃষক কার্ডের উদ্বোধন হবে— এমন খবর শুনে চোখেমুখে আনন্দ ফুটে উঠেছে কৃষকদের পরিবারে।

প্রস্তাবিত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষক পাবেন প্রণোদনা, মিলবে সহজ শর্তে সার, বীজ ও সেচ-সহায়তা। ব্যাংকিং সুবিধা সহজ করা এবং সরাসরি ভর্তুকি পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। এরইমধ্যে, ১০ হাজার টাকার সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফের ঘোষণাও দিয়েছে সরকার। বিএনপি সরকারের দায়িত্বের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় এগুলোই গুরুত্ব পাচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে কৃষক পরিবার ১ কোটি ৬৮ লাখ। আর কৃষিশ্রমে যুক্ত ৩ কোটির কাছাকাছি মানুষ। পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে শুরুতে ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ড আলোর মুখ দেখবে। আগামী ৪ বছরের মধ্যে সব কৃষকই পাবেন সুবিধা। ৪ মার্চ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মন্ত্রীপরিষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের মধ্যে আমরা শুরু করার চিন্তা করছি এবং আশা করছি পারবো।’

সব কৃষককে কার্ডের আওতায় আনা বেশ জটিল হলেও বাস্তবায়ন সম্ভব বলে মনে করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বলেন, ‘দুটি উপকার হবে, একটা হলো কৃষি উপকরণ যেগুলো আছে, সেগুলো কার্ডের মাধ্যমে খুব সহজেই কৃষকের কাছে পৌঁছে দেয়া যাবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরা অনেক সময় সরকারের কাছ থেকে নগদ সহায়তা আশা করি কৃষকদের জন্য, এর জন্য কৃষি কার্ড খুবই উপকারী হবে।’

মাঠপর্যায়ে এসব সুবিধা বাস্তবায়নে দলীয়করণের অভিযোগ থেকে মুক্ত হওয়াটাও পূর্বশর্ত হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

আগামীকাল সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু

কৃষি অর্থনীতির নতুন সূচনার আভাস?

হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ১২ এপ্রিল ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেওয়া শুরু করে সরকার।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২২ হাজার। আর হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

হঠাৎ হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার পেছনে বিগত দুই সরকারকে দায়ী করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার রাজধানীতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলনে তিনি বলেন, সারা দেশে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ ক্ষমাহীন অপরাধ।

ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়—সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার সারা দেশে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা দিয়ে ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়ায় আল্লাহর রহমতে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও দেশে বেড়েছে সামান্য: জ্বালানি মন্ত্রী

কৃষি অর্থনীতির নতুন সূচনার আভাস?

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়ার পরেও সরকার জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে দেশে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে ইতোমধ্যে সরকারের দুই বিলিয়ন ডলার বাড়তি খরচ হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ইকবাল হাসান বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের যা দাম ছিল, বর্তমান বাজারে তা প্রায় দ্বিগুণ। এই বিপুল দাম বৃদ্ধির ফলে সরকারের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। তবুও আমরা জনগণের স্বস্তির কথা চিন্তা করে সেই অনুপাতে দাম বাড়াইনি।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে হলেও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সরকার এই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা নিজে বহন করছে এবং অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করেছে।

সৌদি আরবে পৌঁছালেন ৭ হাজার ৬৩৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী

কৃষি অর্থনীতির নতুন সূচনার আভাস?

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৯টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৭ হাজার ৬৩৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। রোববার আশকোনা হজ অফিস থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাওয়া মোট ১৯টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আটটি ফ্লাইটে ৩ হাজার ৩০৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্সের সাতটি ফ্লাইটে ২ হাজার ৭১৬ জন এবং ফ্লাইনাসের চারটি ফ্লাইটে ১ হাজার ৬০৯ জন হজযাত্রী নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছেন।

চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী রয়েছেন। এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে মোট ৬৬০টি এজেন্সি, যার মধ্যে ৩০টি লিড এজেন্সি এবং বাকি ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি হিসেবে কাজ করছে।

সৌদি আরবে হজযাত্রী পরিবহনের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০০টি, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৭৫টি এবং ফ্লাইনাসের ৩০টি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে। আগামী ২১ মে সৌদি আরব যাওয়ার সর্বশেষ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

×