শিরোনাম:

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ১৩ জন প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারস্থ জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ।

চূড়ান্ত তালিকায় জামায়াতের ৮ জন ছাড়াও জুলাই শহিদ পরিবার থেকে একজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ২ জন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) থেকে একজন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে একজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

১১ দলীয় জোটের মনোনীত ১৩ জন প্রার্থী হলেন:
নুরননেসা সিদ্দিকা, মারজিয়া বেগম, অ্যাডভোকেট সাবিকুন নাহার, নাজমুন নাহার, অধ্যাপক মাহফুজা, সাজেদা সামাদ, শামসুন্নাহার বেগম, ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম (জুলাই শহিদ পরিবার), মনিরা শারমিন (এনসিপি), ডা. মাহমুদা আলম মিতু (এনসিপি), তাসমিয়া প্রধান (জাগপা), ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদা হাকিম (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ জানান, ঐক্যবদ্ধভাবে এই ১৩ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তারা নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন দাখিল করবেন।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জন চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

গুপ্তরা আবারও বিভ্রান্ত করছে, ক্ষমতা কুক্ষিগত করার ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রী

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

জামায়াত ইসলামীকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গুপ্তরা আবারও বিভ্রান্ত করছে। ব্যক্তিগত ঘটনা রাজনৈতিক রূপ দিয়ে তারা বিভ্রান্ত করছে। আজ (সোমবার, ২০ এপ্রিল) বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বগুড়ায় এটিই তারেক রহমানের প্রথম জনসভা। তারেক রহমানের পৈতৃক ভিটা বগুড়ায় আগমন উপলক্ষে এ জনসভার আয়োজন। জনসভায় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়, বিমানবন্দরের কাজ শুরুর করার প্রতিশ্রুতি দেন সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা ৭১, ৮৬, ৯৬, ১/১১ এর সময় জাতিকে বিভ্রান্ত করেছে। এদের বিষয় সর্তক থাকতে হবে। জনগণের স্বার্থে যেই কাজ তারা সেটা রেখে দেয়, কীভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে পারবে তা নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।’

ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ ও সর্তক থাকতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা এ দেশে স্বাধীনতা ও অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, তাদের বিশ্বাস করা যায় না। ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, যারা সংস্কার সংস্কার বলে জাতিকে বিভ্রান্তি করতে চাচ্ছে, তারা নারীদের নিয়ে কোনো কথা বলে না, কীভাবে আইনশৃঙ্খলা ঠিক করতে তা বলে না।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘তারা শুধু সংবিধান সংবিধান সংস্কার বলে বিভ্রান্ত করছে। বিএনপি সরকার কোনো বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পা দেবে না। বিএনপিকে মানুষ ভোট দিয়ে ম্যান্ডেট দিয়েছে। জুলাই সনদসহ মানুষকে যেই প্রতিশ্রুতি বিএনপি দিয়েছে, তাই বাস্তবায়ন করবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখন সংস্কারের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা করেছিল, তখন অন্য কোনো রাজনৈতিক দল স্বৈরাচারের ভয়ে সংস্কার উচ্চারণ করেনি। বিএনপি স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিল।’

তারেক রহমান বলেন, ‘ঐক্যমত কমিশনে আলোচনা করে বিএনপি জানিয়েছে, কোনটায় বিএনপি একমত, কোনটা করবে না। সেভাবেই বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে। সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপি যেই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে, তা অক্ষরে অক্ষরে সরকার বাস্তবায়ন করবে। তবুও কিছু রাজনৈতিক দল সংসদ ও সংসদের বাইরে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে নানা কথাবার্তা বলছে।’

যারা দেশে গোলযোগ করার পায়তারা করার চেষ্টা করছে, তাদের মাথায় স্বৈরাচারের ভূত চেপেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, ‘উন্নয়নের নাম করে মেগা দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছিল স্বৈরাচার সরকার। কিছু মেগাপ্রকল্পের নামে দুর্নীতি ছাড়া তারা কিছু করেনি।’

বিএনপির সব কাজ দেশের মানুষের জন্য বলেও জানান তিনি।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজনৈতিক সব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ উপকৃত হবে।’

শ্রীলঙ্কাকে হারাল বাংলাদেশের মেয়েরা

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে দুইশ রানের মধ্যেই আটকে রেখেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। রান তাড়ায় শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও শারমিন আক্তারের দুর্দান্ত ফিফটি এবং স্বর্ণা আক্তার-সোবহানা মোস্তারির ক্যামিওতে বড় জয়ের পথেই ছিল। কিন্তু শেষদিকে মাত্র ২ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টাইগ্রেসরা। অবশ্য নাটকীয়তা শেষে ৩ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরাই।

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজশাহীর শহিদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটের বিনিমযে ২০৫ রান করে শ্রীলঙ্কার মেয়েরা। জবাবে ৯ বল ও ৩ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ। ১২৭ বলে ১৩ বাউন্ডারিতে ৮৬ রানের ইনিংস খেলে শারমিন ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটাই ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দুই ওভার শেষ হওয়ার আগেই সাজঘরের পথ ধরেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার। দলকে বিপদে ফেলে দ্রুতই আউট হন দলনেতা নিগার সুলতানা জ্যোতিও। শারমিন সুলতানা শূন্য, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ৫ ও নিগার সুলতানা জ্যোতি ১৩ রানে ফেরেন। মাত্র ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলের হাল ধরেন শারমিন আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি।

এই দুই ব্যাটার মিলে গড়েন অপ্রতিরোধ্য ৮৭ রানের জুটি। ৫৬ বলে ৪১ রান করার পর রিটায়ার্ট হার্ট হয়ে ক্রিজ ছেড়ে আসেন সোবহানা। এরপর স্বর্ণা আক্তারের সঙ্গে ৬৮ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তেই নিয়ে যান শারমিন। কিন্তু জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি। ফিফটি পূরণের পর তার ইনিংস থামে ৮৬ রানে। ১২৭ বলে খেলা এই অনবদ্য ইনিংসটি ১৩টি চারে সাজানো।

এরপর মাত্র ২ রান তুলতেই সাজঘরে ফেরেন স্বর্ণা, রাবেয়া ও রিতুমনি। আউট হওয়ার আগে স্বর্ণা ৩৫, রিতুমনি শূন্য ও রাবেয়া ১ রান করেন। পরে সুলতানা খাতুনকে (১) নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন নাহিদা আক্তার (৩)। বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কার হয়ে দেওমি ভিয়ঙ্গ ৩টি এবং মালকি মাদারা ২ উইকেট শিকার করেন।

এর আগে, শ্রীলঙ্কার ইনিংসে আসে দুটি ফিফটি। সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন হানসিমা করুনারত্নে। আর ইমেশা দুলানির ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান। এছাড়া কাভিশা দিলহারি ৩০, হাসিনি পেরেরা ২৭ ও কৌশানি ১৮ রান করেন। বাকি ব্যাটারদের কেউই দশের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিতুমনি। দুটি উইকেট নেন নাহিদা আক্তার।

‘সব বাংলাদেশি মুসলিমকে লাথি মেরে তাড়াব’

সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রচারে এসে ‘বাংলাদেশি মুসলিমদের’ নিয়ে বড় বার্তা আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়ে হিমন্ত অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশি মুসলিমদের অনুপ্রবেশে সাহায্য করছে শাসকদল। এই আবহে হিমন্ত বিশ্বশর্মা দাবি করেছেন, বিজেপি যদি বাংলায় ক্ষমতায় আসে, তাহলে তারা সমস্ত বাংলাদেশি মুসলমানদের তাড়িয়ে দেবে ভারত থেকে।

তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের সঙ্গে বাংলার সীমান্ত খোলা রেখেছেন। প্রতিদিনই বাংলাদেশি মুসলিমরা বাংলা সীমান্ত পার করে এদিকে আসছে। আমি তাদের আসাম থেকে বের করে দিই, কিন্তু তারা এখানে ফিরে আসে। তাই বাংলাদেশি মুসলমানদের হাত থেকে ভারতকে মুক্ত করতে হলে পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি সরকার দরকার। সব বাংলাদেশি মুসলিমকে লাথি মেরে তাড়িয়ে দেব, আমি কাউকে ভয় পাই না।’

শর্মা অভিযোগ করেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা বাংলাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিতে হবে, অন্যথায় একদিন বাংলাদেশি মুসলিমরা আমাদের কাছ থেকে এই রাজ্য কেড়ে নেবে।’

এদিকে বিজেপি নেতা আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে উত্তরবঙ্গে কোনও উন্নয়ন হয়নি। বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করলেই আমরা এই অঞ্চল থেকে সব বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বিতাড়িত করব। বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুর সাংবিধানিক সমাধান খুঁজে পাবে এবং গোর্খাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।’

×