শিরোনাম:

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও এক দফা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম হ্রাসের পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নতুন করে প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে।

আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

আজ সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক জরুরি বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত ছয় দিনে তিন দফায় সোনার দাম মোট ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা হ্রাস পেল। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম কমেছিল ২ হাজার ২১৬ টাকা এবং তার আগে গত ২৩ এপ্রিল দাম কমানো হয়েছিল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা।

এর আগে, সবশেষ গত ২৮ এপ্রিল সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৬ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

নতুন নির্ধারিত মূল্য তালিকায় দেখা যায়, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অথচ আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এলেও রুপার দাম আগের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বাজারে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

ইরান যুদ্ধ ঘিরে নতুন সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল এক পর্যায়ে প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলার অতিক্রম করে। এই দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন সামরিক পরিকল্পনা উপস্থাপনের খবর প্রকাশের পরই বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল এক পর্যায়ে প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলার অতিক্রম করে। পরে তা কমে প্রায় ১১৪ ডলারে নেমে আসে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এটাই সর্বোচ্চ মূল্য।

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বে প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন হয়। ফলে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় দাম দ্রুত বাড়ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড ইরানের বিরুদ্ধে “স্বল্প সময়ের কিন্তু শক্তিশালী” হামলার পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে। একই সঙ্গে জলপথ আংশিক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিকল্প পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে।

এদিকে তেলের দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়েছে, পরিবহন খরচ বাড়ছে, খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সার (ফার্টিলাইজার) উৎপাদনের কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষিখাতেও চাপ বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

বৈশ্বিক বাজারেও ইরান যুদ্ধের প্রভাব ইতোমধ্যে পড়তে শুরু করেছে। এশিয়ার শেয়ারবাজারে পতন, ইউরোপের বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, বিমান ভাড়া বৃদ্ধি ও ফ্লাইট কমানোর প্রবণতা।

জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম ১২৫ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছালে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়। দীর্ঘমেয়াদে এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে এবং বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়বে। সূত্র: বিবিসি

পেট্রোলের দাম ৮ শতাংশ বাড়িয়েছে আরব আমিরাত

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে পেট্রোলের দাম ৮ শতাংশ বাড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দেশটির সরকারের অধীন ইউএই ফুয়েল প্রাইস কমিটি এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আমিরাতে ৩ ব্র্যান্ডের পেট্রোল বিক্রি হয় আমিরাতে— সুপার ৯৮, স্পেশাল ৯৫ এবং ই-প্লাস ৯১। ৩টিরই দাম বেড়েছে। ফুয়েল প্রাইস কমিটির বিবৃতি অনুসারে, এখন থেকে সুপার ৯৮ প্রতি লিটার বিক্রি হবে ৩ দশমিক ৬৬ দিরহামে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২২ টাকা ২৯ পয়সায়), স্পেশাল ৯৫ প্রতি লিটারে বিক্রি হবে ৩ দশমিক ৫৫ দিরহামে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১৮ টাকা ৬১ পয়সায়) এবং ই-প্লাস ৯১- লিটারপ্রতি বিক্রি হবে ৩ দশমিক ৪৮ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১৬ টাকা ২৭ পয়সায়)।

৩০ এপ্রিল পর্যন্ত খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি লিটার সুপার ৯৮-এর দাম ছিল ৩ দশমিক ৩৯ দিরহাম, স্পেশাল ৯৫-এর দাম ছিল ৩ দশমিক ২৮ দিরহাম এবং ই-প্লাস ৯১-এর দাম ছিল ৩ দশমিক ২০ দিরহাম।

শতকরা হিসেবে এই তিন ব্র্যান্ডের পেট্রোলের দাম বাড়ানো হয়েছে ৮ শতাংশ। তবে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

আজ ১ মে থেকে নতুন এই দাম কার্যকর করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইউএই ফুয়েল প্রাইস কমিটির বিবৃতিতে।

যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিচ্ছে ইরান; ধ্বংসস্তূপ থেকে তোলা হচ্ছে লুকানো অস্ত্র: এনবিসি

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতিকে কাজে লাগিয়ে ইরান তাদের লুকিয়ে রাখা বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া অস্ত্রভান্ডার উদ্ধারে জোর তৎপরতা শুরু করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা ও এই বিষয়ে অবগত আরও দুজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বিমান হামলার পর যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ মাটির নিচে বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিল, সেগুলো খুঁড়ে বের করতে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে তেহরান। গত কয়েক দিনে এই তৎপরতা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি আবারও সামরিক অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে পাল্টা জবাব দিতে ইরান তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দ্রুত পুনর্গঠন করতে চাইছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যেকোনো মুহূর্তে হামলা চালানোর সক্ষমতা ধরে রাখতেই যুদ্ধবিরতির এই সময়টিকে ইরান কৌশলগতভাবে ব্যবহার করছে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।

×