শিরোনাম:

প্রাইজমানি বিতর্কে গ্র্যান্ড স্লাম বয়কটের হুঁশিয়ারি

প্রাইজমানি বিতর্কে গ্র্যান্ড স্লাম বয়কটের হুঁশিয়ারি

বিশ্ব টেনিসে আবারও প্রাইজমানির ইস্যুতে অস্থিরতা বাড়ছে। খেলোয়াড়দের দাবি না মানা হলে ভবিষ্যতে গ্র্যান্ড স্লাম বয়কটের মতো কঠোর সিদ্ধান্তও আসতে পারে, এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন নারী টেনিসে বিশ্বের এক নম্বর তারকা আরিয়ানা সাবালেঙ্কা।

রোমে ইতালিয়ান ওপেন শুরুর আগে সংবাদমাধ্যমে সাবালেঙ্কা বলেন, খেলোয়াড়দের অধিকার আদায়ে বয়কটই হয়তো শেষ পথ হয়ে দাঁড়াবে।

“একসময় আমরা হয়তো বয়কটে যেতে পারি। নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াইয়ের এটিই হয়তো একমাত্র উপায়। আমাদের ছাড়া এই আয়োজন, এই বিনোদন। কিছুই সম্ভব নয়।”

টেনিসে প্রাইজমানি নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন নয়। অনেক দিন ধরেই চারটি গ্র্যান্ড স্লাম- অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফ্রেঞ্জ ওপেন, উইম্বলডন ও ইউএস ওপেন থেকে আয় হওয়া অর্থের বড় অংশ পাওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন পুরুষ ও নারী টেনিসের শীর্ষ খেলোয়াড়েরা।

শীর্ষ টেনিস তারকাদের দাবি, মোট আয়ের অন্তত ২২ শতাংশ খেলোয়াড়দের প্রাপ্য। যা বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। এর সঙ্গে অন্যান্য সুবিধা ও সূচি নির্ধারণেও খেলোয়াড়দের মতামতের দাবি তুলেছেন তারা।

এই বিষয়ে সাবালেঙ্কার সঙ্গে অনেকেই একমত। চার নম্বর র‍্যাঙ্কিংধারী যুক্তরাষ্ট্রের কোকো গফ বলেছেন, “সবাই একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নিলে আমি শতভাগ বয়কটে যেতে পারি।”

তবে সবাই এতটা কঠোর অবস্থানে নেই। বিশ্ব তিন নম্বর ইগা সোয়াতে প্রাইজমানি বাড়ানোর দাবিকে সমর্থন করলেও, বয়কটকে ‘অতি চরম পদক্ষেপ’ মনে করেন। একইভাবে ব্রিটিশ খেলোয়াড় এমা রাদুকানু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কোনো বয়কটের অংশ হবেন না।

সম্প্রতি ফ্রেঞ্চ ওপেনে প্রাইজমানি পুল ৯.৫ শতাংশ বাড়ানো হলেও এতে ঠিক সন্তুষ্ট নন খেলোয়াড়রা। তাদের মতে, এই বৃদ্ধি মোট আয়ের তুলনায় অনেক কম। যদিও গত বছর ইউএস ওপেনে প্রাইজমানি ২০ শতাংশ এবং চলতি বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রায় ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

আগামী মাসে উইম্বলডন তাদের নতুন প্রাইজমানি ঘোষণা করবে। তবে তার আগেই টেনিস বিশ্বে স্পষ্ট হয়ে উঠছে, খেলোয়াড় ও আয়োজকদের এই টানাপোড়েন দ্রুত না মিটলে সামনে আরও বড় সংঘাত অপেক্ষা করছে।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন পিডিবির

প্রাইজমানি বিতর্কে গ্র্যান্ড স্লাম বয়কটের হুঁশিয়ারি

জ্বালানি তেলের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় সরকার। দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এর পরিপ্রেক্ষিতে পাইকারি পর্যায়ে ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। প্রস্তাব আমলে নিয়ে কারিগরি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বুধবার (৬ মে) বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ পিডিবির আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমরা পিডিবির প্রস্তাব পেয়েছি। সেখানে পাইকারি বিদ্যুতের দাম ১৭ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। কারিগরি কমিটি পিডিবির প্রস্তাব পর্যালোচনা করবে।

কমিশনের নিয়ম অনুসারে, সব প্রস্তাব মূল্যায়ন করবে কারিগরি কমিটি। এরপর মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ ও সব সংস্থার প্রস্তাব নিয়ে অংশীজনদের অংশগ্রহণে গণশুনানি করা হবে। শুনানিতে যৌক্তিকতা প্রমাণ করার ভিত্তিতে দাম বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন। বিদ্যুৎ খাতে আয়-ব্যয়ের ঘাটতির সঙ্গে সরকারের প্রতিশ্রুত ভর্তুকি সমন্বয় করে দাম বাড়ানোর পরিমাণ ঠিক করা হবে।

বিইআরসি সূত্র বলছে, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে পিডিবি। বছরে ৯ হাজার কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পিডিবি। দেড় টাকা বাড়লে বছরে সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা বেশি আয় করতে পারবে তারা। আর ১ টাকা ২০ পয়সা বাড়লে বছরে বাড়তি আয় হবে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি। পাইকারির বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত বাড়তে পারে দাম।

সরকারি-বেসরকারি সব বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চুক্তি অনুসারে নির্ধারিত দামে বিদ্যুৎ কিনে নেয় পিডিবি। এরপর তারা উৎপাদন খরচের চেয়ে কিছুটা কমে সরকার নির্ধারিত পাইকারি দামে ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করে। ঘাটতি মেটাতে পিডিবি সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নেয়। তবে বিতরণ সংস্থাগুলো কোনো ভর্তুকি পায় না। তারা খুচরা দামে ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করে মুনাফা করছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সবশেষ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এই সময় খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল বিদ্যুতের দাম। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৬ দশমিক ৭০ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ০৪ টাকা হয়েছিল।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবেন ট্রাম্প

প্রাইজমানি বিতর্কে গ্র্যান্ড স্লাম বয়কটের হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে দুই পক্ষ একটি এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

এই শান্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত পাকিস্তানের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’ এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

পাকিস্তানি সূত্রটি রয়টার্সের কাছে সেই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, যুদ্ধ অবসানে দুই দেশ এখন সমঝোতার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

‘অ্যাক্সিওস’ তার প্রতিবেদনে জানায়, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে শুরু করা অভিযানটি স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই হোয়াইট হাউস মনে করছে, তারা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারছে।

শান্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত পাকিস্তানি সূত্রটি রয়টার্সকে বলেছে, ‘আমরা খুব দ্রুতই এই প্রক্রিয়ার সমাপ্তি টানব। আমরা (সমঝোতার) একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে জবাব আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বা হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

সম্ভাব্য এ চুক্তির শর্তাবলি সম্পর্কে অ্যাক্সিওস বলেছে, চুক্তির আওতায় ইরান তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দেবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে এবং জব্দ করা কয়েক বিলিয়ন ডলার ফেরত দেবে। এছাড়া উভয় পক্ষই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে সম্মত হবে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

প্রাইজমানি বিতর্কে গ্র্যান্ড স্লাম বয়কটের হুঁশিয়ারি

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং এর উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (৬ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে। বাকি পাঁচজন মারা গেছেন হামের যাবতীয় উপসর্গ নিয়ে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের ১৫ মার্চের পর থেকে দেশে হামজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে বা সন্দেহভাজন হামজনিত কারণে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ২৬৮ জন।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। হঠাৎ করে হামের এই প্রকোপ বাড়ায় অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

×