শিরোনাম:

কেন ইরানের মিনাবের স্কুলে হামলার পরও নীরব পেন্টাগন

কেন ইরানের মিনাবের স্কুলে হামলার পরও নীরব পেন্টাগন

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬। ইতিহাসের পাতায় ‘যুদ্ধ’ অধ্যায়ে নতুন করে নাম লেখায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টার্গেট ‘ইরান’। তবে, টার্গেট ‘প্রি-ডিসাইডেড’ হলেও ভুল করে বসে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হামলা আঘাত হানে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব শহরের একটি স্কুলে। ভয়াবহ এই হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-ইসরায়েল’ যুদ্ধ।

এই নির্মম হামলার পর সিএনএন, নিউ ইয়র্ক টাইমসসহ প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোতে মার্কিন বাহিনীর ‘ভুল’ হামলা এবং পর্যাপ্ত ‘হোম-ওয়ার্ক’ না করার অভিযোগ ওঠে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে। হামলার দায় স্বীকার না করে ‘তদন্ত চলছে’ এবং ‘প্রতিবেদন প্রকাশ’ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তবে, দুই মাস পার হবার পর এখনও প্রতিবেদন প্রকাশ করা নিয়ে নিশ্চুপ পেন্টাগন।

হামলায় ‘ওয়ার ক্রাইম’ হয়েছে কিংবা হয়নি এমনটা ঠিক তখনই জানা যাবে, যখন মার্কিন প্রশাসন ‘অফিসিয়ালি’ রিপোর্ট জমা দেবে। তবে, রিপোর্ট নিয়ে কোন ধরনের অগ্রগতি কিংবা সময় লাগার কারণ গণমাধ্যমে উপস্থাপন না করায় এরইমধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে স্বচ্ছতার অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পাঁচ কর্মকর্তা।

তাদের দাবি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মিনাব শহরে বালিকা বিদ্যালয়ে প্রাণঘাতী হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত থাকার বিষয়ে এখনও ‘স্পষ্ট তথ্য’ দেয়নি পেন্টাগন।

সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন শীর্ষ সামরিক আইনজীবীও রয়েছেন। তাদের ভাষ্য, এত সময় পেরিয়ে গেলেও হামলার বিষয়ে মৌলিক তথ্য প্রকাশ ‘না’ করা খুবই অস্বাভাবিক।

মূলত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইরানের দক্ষিণে মিনাব শহরের শাজারাহ তাইয়েবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনে হামলাটি ছিল মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি নিশানাগত (টার্গেটিং) ভুল বলে দাবি করেছিলো নিউ ইয়র্ক টাইমস।

হামলার দিন, বিদ্যালয় ভবনের পাশেই অবস্থিত একটি ইরানি ঘাঁটিতে অ্যাটাকের প্ল্যান ছিলো মার্কিন বাহিনীর। বিদ্যালয় ভবনটি আগে ওই ঘাঁটিরই অংশ ছিল। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের এক ভুলে স্কুলে অবস্থানরত ১৬৮ শিক্ষার্থী, স্কুলের শিক্ষক এবং স্টাফ নিহত হয়।

প্রাথমিকভাবে, হামলার দায় স্বীকার না করলেও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কর্মকর্তারা জানান, ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির দেওয়া ‘পুরোনো তথ্য’ ব্যবহার করে হামলার স্থান নির্ধারণ করেছিলেন।

শিশুদের দিয়ে পরিপূর্ণ একটি স্কুলে হামলার এই ঘটনা নিশ্চিতভাবে সাম্প্রতিক কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ ‘সামরিক ভুল’ হিসেবে নথিবদ্ধ হয়েছে এমনটা দাবি করেছিলো সিএনএনসহ বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী গণমাধ্যম। তবে, প্রশ্ন হচ্ছে, প্রতিবেদনের অগ্রগতি নিয়ে পেন্টাগন কি বলছে?

ওই হামলার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও পেন্টাগনের পক্ষ থেকে শুধু বলা হয়েছে, ঘটনাটি ‘তদন্তাধীন’। তদন্ত শেষ হলে আরও তথ্য জানানো হবে।

মার্চের শুরুতে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো দাবি করে, প্রাথমিক তদন্ত এবং তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণকরে ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন বাহিনী ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে’ স্কুলটিতে হামলা চালিয়ে থাকতে পারে। তবে এখনো ‘চূড়ান্ত’ সিদ্ধান্ত হয়নি।

মার্কিন বিমান বাহিনীর সাবেক আইন কর্মকর্তা র‍্যাচেল ই. ভ্যানল্যান্ডিংহাম বলেন, অতীতের তুলনায় বর্তমান প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া ‘অস্বাভাবিকভাবে ভিন্ন’। তার ভাষ্য, ‘আগের প্রশাসনগুলো অন্তত জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দেখাতো। এখন ট্রাম্প প্রশাসনে সেটিও নেই।’

এ ঘটনায় জবাব চেয়ে মার্কিন প্রধান বিরোধীদল ডেমোক্র্যাট শিবিরের আইনপ্রণেতারাও একাধিকবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে চিঠি দিয়েছেন। তবে, পাওয়া জবাবে হামলা নিয়ে কোনো ‘নির্দিষ্ট তথ্য’ দেওয়া হয়নি।

সমালোচকদের অভিযোগ, শিশুদের হতাহতের মতো গুরুতর ঘটনায় পেন্টাগনের এমন ‘নীরবতা’ নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে।

মিনাবে ওই হামলার পর লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে জানায়, বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা ও বহু শিশু নিহতের ঘটনা যুদ্ধ আইনের লঙ্ঘন।

সংস্থাটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, স্কুলে এই মর্মান্তিক হামলা বেসামরিক জনগণের ওপর সংঘাতের ভয়াবহ প্রভাবের নির্মম উদাহরণ। এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে ‘স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ’ হতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

এ ঘটনায় স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বানও জানিয়েছিলো অ্যামনেস্টি।

এদিকে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, যেমন, নিউ ইয়র্ক টাইমস, তাদের বিশ্লেষণে ইঙ্গিত দিয়েছে যে হামলাটি সম্ভবত মার্কিন বাহিনী চালিয়েছে, যদিও এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

তবে হামলার কিছুদিনের মধ্যে ইরান একটি ভিডিও প্রকাশ করে জানায়, স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে পাওয়া গেছে ‘মেইড ইন ইউএসএ’ লোগো।

প্রমাণ দেখানোর পরও হামলার দায় স্বীকার ‘না’ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সে সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দক্ষিণ ইরানের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হওয়া প্রাণঘাতী বিমান হামলার পেছনে ইরান-ই দায়ী।

মিনাবে হামলার ছয় দিন পর শনিবার (৭ মার্চ) ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের মনে হচ্ছে এটা ইরানই করেছে। কারণ ওদের অস্ত্র খুব নিখুঁত নয়। ওদের গোলাবারুদের কোনও একুরেসি নেই।’

শিশুদের দিয়ে পরিপূর্ণ একটি স্কুলে হামলার এই ঘটনা নিশ্চিতভাবে সাম্প্রতিক কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ ‘সামরিক ভুল’ হিসেবে নথিবদ্ধ হয়েছে।

এমন হামলা পরিষ্কারভাবে ‘ওয়ার ক্রাইম’ বলে দাবি করেছে ইরান। এখন শুধু অপেক্ষা, পেন্টাগনের প্রতিবেদনের, যেখানে ট্রাম্প প্রশাসন হামলার দায় স্বীকার করতেও পারে, কিংবা এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময়সীমা পেছাতে পেছাতে হয়তো আর প্রকাশ-ই হবে না।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন পিডিবির

কেন ইরানের মিনাবের স্কুলে হামলার পরও নীরব পেন্টাগন

জ্বালানি তেলের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় সরকার। দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এর পরিপ্রেক্ষিতে পাইকারি পর্যায়ে ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। প্রস্তাব আমলে নিয়ে কারিগরি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বুধবার (৬ মে) বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ পিডিবির আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমরা পিডিবির প্রস্তাব পেয়েছি। সেখানে পাইকারি বিদ্যুতের দাম ১৭ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। কারিগরি কমিটি পিডিবির প্রস্তাব পর্যালোচনা করবে।

কমিশনের নিয়ম অনুসারে, সব প্রস্তাব মূল্যায়ন করবে কারিগরি কমিটি। এরপর মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ ও সব সংস্থার প্রস্তাব নিয়ে অংশীজনদের অংশগ্রহণে গণশুনানি করা হবে। শুনানিতে যৌক্তিকতা প্রমাণ করার ভিত্তিতে দাম বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন। বিদ্যুৎ খাতে আয়-ব্যয়ের ঘাটতির সঙ্গে সরকারের প্রতিশ্রুত ভর্তুকি সমন্বয় করে দাম বাড়ানোর পরিমাণ ঠিক করা হবে।

বিইআরসি সূত্র বলছে, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে পিডিবি। বছরে ৯ হাজার কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পিডিবি। দেড় টাকা বাড়লে বছরে সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা বেশি আয় করতে পারবে তারা। আর ১ টাকা ২০ পয়সা বাড়লে বছরে বাড়তি আয় হবে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি। পাইকারির বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত বাড়তে পারে দাম।

সরকারি-বেসরকারি সব বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চুক্তি অনুসারে নির্ধারিত দামে বিদ্যুৎ কিনে নেয় পিডিবি। এরপর তারা উৎপাদন খরচের চেয়ে কিছুটা কমে সরকার নির্ধারিত পাইকারি দামে ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করে। ঘাটতি মেটাতে পিডিবি সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নেয়। তবে বিতরণ সংস্থাগুলো কোনো ভর্তুকি পায় না। তারা খুচরা দামে ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করে মুনাফা করছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সবশেষ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এই সময় খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল বিদ্যুতের দাম। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৬ দশমিক ৭০ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ০৪ টাকা হয়েছিল।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবেন ট্রাম্প

কেন ইরানের মিনাবের স্কুলে হামলার পরও নীরব পেন্টাগন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে দুই পক্ষ একটি এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

এই শান্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত পাকিস্তানের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’ এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

পাকিস্তানি সূত্রটি রয়টার্সের কাছে সেই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, যুদ্ধ অবসানে দুই দেশ এখন সমঝোতার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

‘অ্যাক্সিওস’ তার প্রতিবেদনে জানায়, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে শুরু করা অভিযানটি স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই হোয়াইট হাউস মনে করছে, তারা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারছে।

শান্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত পাকিস্তানি সূত্রটি রয়টার্সকে বলেছে, ‘আমরা খুব দ্রুতই এই প্রক্রিয়ার সমাপ্তি টানব। আমরা (সমঝোতার) একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে জবাব আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বা হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

সম্ভাব্য এ চুক্তির শর্তাবলি সম্পর্কে অ্যাক্সিওস বলেছে, চুক্তির আওতায় ইরান তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দেবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে এবং জব্দ করা কয়েক বিলিয়ন ডলার ফেরত দেবে। এছাড়া উভয় পক্ষই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে সম্মত হবে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

কেন ইরানের মিনাবের স্কুলে হামলার পরও নীরব পেন্টাগন

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং এর উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (৬ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে। বাকি পাঁচজন মারা গেছেন হামের যাবতীয় উপসর্গ নিয়ে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের ১৫ মার্চের পর থেকে দেশে হামজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে বা সন্দেহভাজন হামজনিত কারণে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ২৬৮ জন।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। হঠাৎ করে হামের এই প্রকোপ বাড়ায় অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

×