শিরোনাম:

ফরিদুর রেজা সাগর

বিশ্বকাপ ফুটবল এবং আমাদের ছেলেবেলা

বিশ্বকাপ ফুটবল এবং আমাদের ছেলেবেলা

ফরিদুর রেজা সাগর একজন লেখক, চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক। তিনি ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সর্বপরি বাংলা শিশু সাহিত্যের অমর সৃষ্টি ‘ছোটকাকু’ র স্রষ্টা। ২০০৫ সালে শিশুসাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ২০১৫ সালে গণমাধ্যম শাখায় একুশে পদক লাভ করেন।

ফরিদুর রেজা সাগর ১৯৫৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ফজলুল হক। যিনি একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক এবং সিনে পত্রিকা সিনেমা’র সম্পাদক।। তাঁর মা কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন।
‘বিশ্বকাপ ফুটবল এবং আমাদের ছেলেবেলা’ লেখাটি ‘মানবজমিন’ পত্রিকার জন্য ফরিদুর রেজা সাগর লেখা : মানবজমিন’র সৌজন্যে লেখকের প্রতি আমাদের এই শুভেচ্ছা লেখা . .

আমাদের ছেলেবেলায় দেখেছি প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লায় একজন প্রতিশ্রুতিশীল সংগঠক থাকতেন। তারা বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক কিংবা ক্রীড়া সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। শিশুদের মানস গঠনে কাজ করতেন। তদের কেউ ছিলেন স্কাউট লিডার। কেউ স্পোর্টস লিডার। কেউ আবার ছোটদের নিয়ে ছুটে বেড়াতেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কিংবা বাংলাদেশ টেলিভিশনে। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে এইসব সংগঠকদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তাদের হাত ধরে আমরাও কিছু কাজ করেছি। সেইসব ছবি হঠাৎ করেই যেন হারিয়ে গেল। সেসব সংগঠনের অনেকগুলোই এখন আর কাজ করে না। যারা এখনো কাজ করে যাচ্ছে তাদের সাধুবাদ জানাই।

বাংলাদেশ জুড়ে এখন চলছে ফুটবল উন্মাদনা। বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা শুরু হয়েছে। এই উন্মাদনার মধ্যে আমরাও পেছনে পড়ে নেই। পতাকা উড়িয়ে আমরাও আনন্দ প্রকাশ করি। যদিও সেই দেশ আমাদের দেশ নয়। কিন্তু আমরা আর্জেন্টিনা, স্পেন, জার্মানি কিংবা ব্রাজিলের পতাকা বুকে নিয়ে উল্লাস করি। এই অবস্থা দেখছি দীর্ঘদিন ধরে। একদিন নিশ্চয়ই বিশ্বকাপ ফুটবলে আমাদের অংশগ্রহণ হবে। মাতামাতি হবে। কিন্তু সেইদিন কবে আসবে, কে জানে। আমরা চ্যানেল আইয়ের পক্ষ থেকে বিশ্বকাপ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে আই স্ট্রাইকার নামে একটি খেলার আয়োজন করেছি। চ্যানেল আই কার্যালয়ে মিনি একটি ফুটবল মাঠ এবং গোলপোস্ট বানানো হয়েছে।

চ্যানেল আইতে আগত বিভিন্ন সেক্টরের অতিথিগণ এই খেলায় অংশগ্রহণ করবেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সাবেক ফুটবলার বিপ্লব, এমিলি, আবদুল গাফ্‌ফার, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজসহ অনেকেই এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, আমরা ফুটবল আনন্দে ভেসে যাই। অনেক দেশের পতাকা উড়াই। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে প্রথমে আমাদের দেশের জাতীয় পতাকা উপরে রেখে পরে সাপোর্টিং দেশের পতাকা উড়াবো। কারণ মনে রাখতে হবে প্রথমে নিজের দেশ পরে অন্য দেশ।

সুন্দর প্রস্তাব। আমিও সেই প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করি। কারণ সবার আগে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। আমরা তো বিশ্বকাপ ফুটবল খেলি। মূল খেলায় হয়তো সুযোগ হয় না। বিশ্বকাপ একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা। হুট করে এই খেলায় অংশগ্রহণ করা যায় না। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অংশগ্রহণ করতে হয়। মহাদেশ অনুযায়ী বাছাই পর্ব খেলতে হয় তারপরে নির্দিষ্টসংখ্যক দল চান্স পায় মূল পর্বে। যে কারণে খেললাম আর জিতে গেলাম সেটা হয় না। হঠাৎ করেই একটি দেশে পেলে বা ম্যারাডোনা কিংবা মেসি জন্ম নেবে না। ম্যারাডোনা যেমন আর্জেন্টিনার পতাকাকে বিশ্ব মাঝে পরিচিত করে তোলেন তেমনি পেলে ব্রাজিলের পতাকাকে সারা বিশ্বে পরিচিত করে তোলেন।

ক্রিকেটে তেমনি শচীন টেন্ডুলকার ভারতকে নাচিয়ে তোলে। সাকিব আল হাসান কিংবা তামিম, মাশরাফীরা বাংলাদেশকে পরিচিত করে তোলে। আমাদের নারী ফুটবলাররা আমাদের দেশকে আনন্দে ভাসিয়ে দেয় সাফ ফুটবল শিরোপা জিতে। জ্ঞানবুদ্ধি হবার পর থেকেই ফুটবল উন্মাদনা দেখেছি। ১৯৭৪-এ পশ্চিম জার্মানি শিরোপা জিতলো হল্যান্ডকে হারিয়ে। সেই খেলাটা বাংলাদেশ টেলিভিশন লাইভ দেখাতে পারেনি কিন্তু রেকর্ড করা অংশ দেখিয়েছিল। ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলো হল্যান্ডকে হারিয়ে। মনে পড়ে ম্যারিও ক্যাম্পাস নামের একজন খেলোয়াড় গোল করে আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করেছিল। এই খেলাটি বিটিভি সরাসরি সম্প্রচার করে। ১৯৮২ সালে ইতালি চ্যাম্পিয়ন হলো পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে। বিটিভি এই খেলা সরাসরি দেখানোর ফলে অসম্ভব জনপ্রিয় হলো।

১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হলো পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে। এই খেলায় ঈশ্বরের হাত দিয়ে ম্যারোডোনা গোল করলেন। সারাবিশ্বে সাড়া পড়ে গেল। তখন সারা দেশে উন্মাদনা দেখে কে। ম্যারাডোনাকে নিয়ে ভিউকার্ড ছাপানো হলো। নানান রকম পোস্টারে ছেয়ে গেল তরুণদের ঘর। এমনকি অনেকেই স্কুল ব্যাগে ম্যারাডোনার ছবি রাখতো। ম্যারাডোনার কারণে বিনোদনে পরিণত হলো বিশ্বকাপ ফুটবল। মানে পড়ে ১৯৯০ সালে পশ্চিম জার্মানি চ্যাম্পিয়ন হলো আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে। আমরা যারা ম্যারাডোনার সমর্থক তারাও কেঁদেছি। কেঁদেছে হাজারো তরুণ-তরুণী।

ইরান যুদ্ধের পর আমার ক্ষমতার কোনো সীমা-পরিসীমা নেই : ট্রাম্প

বিশ্বকাপ ফুটবল এবং আমাদের ছেলেবেলা

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে বৈশ্বিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নিজের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী বলেও দাবি করেছেন তিনি।

গতকাল অ্যাক্সিওসকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার প্রয়োগ এবং তার সীমাবদ্ধতা নিয়ে নতুন কোনো শিক্ষা কিংবা ধারণা তিনি পেয়েছেন কি-না।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অ্যাক্সিওস-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, এই সংঘাতের ফলে তিনি রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার প্রয়োগ ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে কী শিখেছেন। জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তেমন কোনো ধারণা এখনও পাইনি। তবে আমি অনুভব করতে পারছি যে আমার ক্ষমতার কোনো সীমা নেই। হ্যাঁ, আমি জানি যে সীমা আছে, কিন্তু এখানে কোনো সীমা-পরিসীমা নেই। আমরা সামরিকভাবে তাদের সম্পূর্ণ পরাজিত করেছি।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর কিছুদিন পর থেকে ট্রাম্প বলে আসছিলেন, তেহরানের কাছ থেকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চান তিনি। ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি তার সেই ইচ্ছে পূরণ করেছে কি-না— এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, বেশ, আমি মনে করি এটি সম্ভবত নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চুক্তিতে স্বাক্ষর করার কিছুক্ষণ পর তেহরানে নিজের দপ্তরে চুক্তি স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান।

চুক্তিস্বাক্ষরের পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি নীতিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তিতে রাজি ছিলেন না, কিন্তু ট্রাম্পের মরিয়া প্রচেষ্টা এবং প্রভাব খাটানোর কারণে শেষে চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি হয়েছে ইরান।

উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৪০ দিন সংঘাত এবং তারপর ৮ এপ্রিল থেকে ২ মাসেরও বেশি সময় ধরে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির পর ১৭ জুন প্যারিসে শিল্পোন্নত ৭ দেশের জোট জি-৭ সামিটের সম্মেলনে ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ সময় তার পাশে ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সূত্র : এক্সিওস, আনাদোলু এজেন্সি

 

 

 

শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রাজিল হাইতি মুখোমুখি : ফলাফল বলছে সুপারকম্পিউটার

বিশ্বকাপ ফুটবল এবং আমাদের ছেলেবেলা

আগামীকাল শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ইতিহাস বলছে, বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে জয়হীন থাকার অভিজ্ঞতা ব্রাজিলের খুবই বিরল। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ব্রাজিল।

পরিসংখ্যানভিত্তিক পূর্বাভাস প্রতিষ্ঠান অপটার সুপারকম্পিউটারও সেলেসাওদের জয়ের সম্ভাবনা দেখছে ৮৭.৩ শতাংশ। বিপরীতে হাইতির জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ৪.৩ শতাংশ, আর ড্রয়ের সম্ভাবনা ৮.৪ শতাংশ। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করলেও ব্রাজিলের নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা এখনও বেশ উজ্জ্বল। অপটার হিসাব বলছে গ্রুপ সি-তে শীর্ষস্থান অর্জনের সম্ভাবনা ব্রাজিলের ৫২ শতাংশ। শেষ ৩২-এ ওঠার সম্ভাবনা ৯০.৩ শতাংশ। এমনকি শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাও ৫.৪ শতাংশ ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরে যাওয়ায় হাইতির সমীকরণ কঠিন হয়ে গেছে। তাদের নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা মাত্র ৫.৮ শতাংশ। আর গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা নেমে এসেছে ০.৪ শতাংশে।

পরিসংখ্যানের হিসাবেও ব্রাজিল হাইতি ম্যাচেটি স্পষ্ট ফেবারিট ব্রাজিল। দুই দলের অতীত রেকর্ড একেবারেই একপেশে। এর আগে তিনবার মুখোমুখি হয়ে তিনবারই জিতেছে ব্রাজিল। সেই ম্যাচগুলোতে ১৭ গোল করেছে সেলেসাওরা, বিপরীতে হাইতির গোল মাত্র একটি। সর্বশেষ ২০১৬ কোপা আমেরিকায় ব্রাজিল ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল হাইতিকে।

১৯৭৮ সালের পর কোনো বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে জয়হীন থাকেনি ব্রাজিল। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের হিসেবে ব্রাজিলের অনেক পেছনে হাইতি।

র‍্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিলের অবস্থান ৬ নম্বরে, আর হাইতি ৮৪ নম্বরে—দুই দলের মধ্যে পার্থক্য ৭৮ ধাপ। ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচে ব্রাজিলকেই স্পষ্ট ফেবারিট ধরা হচ্ছে। বাকীটা ম্যাচে দেখা যাবে।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন-আল-রশিদের জানাজা সম্পন্ন

বিশ্বকাপ ফুটবল এবং আমাদের ছেলেবেলা

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হারুন-আল-রশিদের জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। নামাজ পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পেশ ইমাম ক্বারী মো. আবু রায়হান।

আজ শুক্রবার ( ১৯জুন ) জাতীয় সংসদে জানাজার শুরুতেই মরহুম হারুন আল রশিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপদের পক্ষে হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, বিরোধী দলীয় নেতার পক্ষে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ-সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এবং পরিবারের পক্ষে মরহুমের ভাতিজা কামাল হোসেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, হারুন আল রশিদ একজন বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান ছিলেন এবং পাঁচ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ব্যক্তি জীবনে অমায়িক, সজ্জন সাধারণ মানুষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন।

স্পিকার আরও উল্লেখ করেন, হারুন আল রশিদ দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন জাতীয়তাবাদী ঘরাণার নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে। এসময় তিনি মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিরাবের প্রতি সমবেদনা জানান। চড়ষরঃরপং

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, হারুন আল রশিদ একজন অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তার জীবনাদর্শ আমাদের জন্য অনুকরণীয়। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে হারুন আল রশিদের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

জানাজায় মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ-সদস্য, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

হারুন আল রশিদ গতকাল রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

 

 

 

×