শিরোনাম:

আমি পাশে না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকতো না : ট্রাম্প

আমি পাশে না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকতো না : ট্রাম্প

ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র না থাকলে ইসরায়েল থাকতো না । ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে আজ ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকত না বলে দাবি করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করতে প্ররোচিত করেছিলেন এমন দাবিও নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।

বুধবার আমেরিকার সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের ‘পড ফোর্স ওয়ান’ নামে একটি জনপ্রিয় পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

তিনি আরও বলেন, আমাকে ছাড়া ইসরায়েল থাকতো না, কারণ অন্য কোনও প্রেসিডেন্ট এমন পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত ছিলেন না, যা আমি নিয়েছি। ফ্রান্সের এভিয়াঁয় জিু৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে কাতারের আমিরের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।

এ সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো উল্লেখ করেও ট্রাম্প লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, লেবাননে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।ইরান চুক্তির ঠিক আগে লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা তিনি ‘পছন্দ করেননি’ বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের ‘দুই ঘণ্টা’ আগে বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা আমি ‘পছন্দ করিনি’। আমি তাদের তা জানিয়ে দিয়েছি। আমি এটা পছন্দ করিনি, মোটেই না। ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েল দীর্ঘ সময় ধরে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে এবং এতে ‘অনেক মানুষ নিহত হচ্ছে’।

তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর সময় সাধারণ মানুষের প্রাণহানির বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, কাউকে খুঁজতে গিয়ে প্রতিবার একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ধ্বংস করার প্রয়োজন নেই। কারণ এসব ভবনে অনেক মানুষ থাকে, আর তাদের সবাই হিজবুল্লাহর সদস্য নয়।

লেবাননে হিজবুল্লাহ মোকাবিলার বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি ইসরায়েলকে পরামর্শ দিয়েছেন, যেন সিরিয়াকে এ বিষয়ে ভূমিকা পালনের সুযোগ দেওয়া হয়। তার ভাষায়, সত্যি বলতে, আমি মনে করি তারা (সিরিয়া) এ কাজটি আরও ভালোভাবে করতে পারবে।

ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাত এবং বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থানে কিছুটা ভিন্ন সুর দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প একদিকে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সমর্থনের কথা তুলে ধরেছেন, অন্যদিকে লেবাননে সামরিক অভিযানে বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন। সূত্র: আল-জাজিরা

এবার বিশ্বকাপের বিস্ময় কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা

আমি পাশে না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকতো না : ট্রাম্প

কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। ছবি : রয়টার্স

এবার বিশ্বকাপের বিস্ময় কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা । বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্দের ১-১ গোলের ড্র-টি ছিল টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় চমক। সেই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিহা।

বাংলাদেশের ঢাকার চেয়ে কম প্রায় পাঁচ লাখ ৩০ হাজার জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে’ এই সাফল্য উদ্যাপন এর আগে খুব বেশি পরিচিত না থাকা এই গোলরক্ষকের জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ব্রাজিলের সম্প্রচার মাধ্যমের উৎসাহব্যঞ্জক প্রচারের পর ভোজিনহার ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার থেকে বেড়ে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ৯৭ লাখেরও বেশি হয়েছে। ৯.৭ মিলিয়ন ফলোয়ার এখন উন্মুখ কেপ ভার্দে পরবর্তী ম্যাচ আগামী রোববার সন্ধ্যা ৬টায় মিয়ামিতে তারা উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে দেখার জন্য ।

৪০ বছর বয়সী কেপ ভার্দিয়ান এই গোলরক্ষক, যিনি স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে রেখেছেন, তিনি এখন বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের হৃদয় জয় করছেন। সিএনএনের আমান্ডা ডেভিস ব্যাখ্যা করেছেন, এই বিস্ময়কর ফলাফল এবং হঠাৎ পাওয়া ব্যাপক মনোযোগের বিষয়ে ভোজিনহার খেলা।

সোমবার স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্দের চমকপ্রদ ড্রয়ের পর ভোজিনহা বলেন, তার মা ম্যাচটি দেখতে আসতে পারেননি, কারণ তিনি ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় বন্ডের অর্থ পরিশোধ করতে পারেননি।

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ভিসার কারণে তিনি এখানে আসতে পারেননি… ভিসার জন্য যে অর্থ আমাদের দিতে হয়, সেটির কারণেই। আমরা সময়মতো সেটি করতে পারিনি এবং আমি চাই তিনি এখানে থাকুন।’

কেপ ভার্দে সেই ৫০টি দেশের একটি, যেসব দেশের নাগরিকদের ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হয়। এর কারণ হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশে অবস্থান করার উচ্চ হারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

বিশ্বকাপ মাঠে আর্জেন্টিনার জয়ে উচ্ছসিত নাদিয়া ও নাঈম

আমি পাশে না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকতো না : ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে জে গ্রুপের প্রথম ম্যাচটি সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করছিলেন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নাদিয়া আহমেদ এবং তার স্বামী অভিনেতা ফারুক সোবহান নাঈম। ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সাথে তারাও উচ্ছ্বসিত ছিলেন এবং মেসির গোলগুলোতে গ্যালারিতে আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠছিলেন মুহুরমূহ।

ম্যাচ শেষে নাদিয়া নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম  ফেসবুক পেজে একাধিক ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমরা জয়ী, আর্জেন্টিনা দল।’ পোস্ট করা ছবিগুলোতে নাদিয়াকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে এবং নাঈমকে দলের পতাকার রঙের সাথে মিলিয়ে আকাশি রঙের টি-শার্ট পরা অবস্থায় দেখা যায়।

দুর্দান্ত সূচনা করেছে আর্জেন্টিনা। আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমে তারা ৩ু০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নেয়। ম্যাচের ১৭, ৬০ ও ৭৬ মিনিটে হ্যাটট্রিক করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক ও বিশ্বফুটবলের কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। তার এমন পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বাসে ভাসেন ভক্ত-সমর্থকরা।

এই ম্যাচটি সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করেন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নাদিয়া আহমেদ এবং তার স্বামী অভিনেতা ফারুক সোবহান নাঈম। ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থনে তারা উচ্ছ্বসিত ছিলেন এবং মেসির গোলগুলোতে গ্যালারিতে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন।

২০১৬ সালের জানুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নাদিয়া আহমেদ ও নাঈম । বর্তমানে তারা যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন এবং সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন । ।

বিশ্বকাপ ফুটবলের নতুন ইতিহাস গড়ছেন মেসি

আমি পাশে না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকতো না : ট্রাম্প

বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসে অসংখ্য কিংবদন্তির জন্ম হয়েছে। কেউ শাসন করেছেন এক যুগ, কেউবা জিতেছেন কোটি মানুষের ভালোবাসা, কেউ এখনো চিরজাগরুক। কিন্তু খুব কম খেলোয়াড়ই আছেন, যাদের নাম সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে প্রজন্মের পর প্রজন্মের হৃদয়ে একই ভাবে বেঁচে থাকে। সেই বিরল তালিকার শীর্ষে থাকা নামটি নিঃসন্দেহে লিওনেল মেসি।

লিওনেল মেসি গত কয়েক দশক ধরে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে একই সঙ্গে রাজত্ব করে যাওয়া এক খেলোয়ারের নাম । কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা, আবেগ, আর স্বপ্নের আরেক নাম লিওনেল মেসি।।ফুটবলের ইতিহাস।

এই সময়ে সবচেয়ে বড় ইতিহাস আলজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখলেন । ৩-০ গোলের জয়ে শুধু দলকে সাফল্য এনে দেয়নি, একের পর এক রেকর্ড ভেঙে নিজেকে বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল ফুটবলারদের কাতারে আরও উঁচুতে তুলে নিয়েছেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে নিজের ২০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেই ইতিহাস গড়েন ৩৮ বছর বয়সী মেসি। বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার ইতিহাস গড়েন মেসি। এবং এরই সাথে বুধবার পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও এই রেকর্ডে ভাগ বসান তিনি।

মেসি ম্যাচের ১৭তম মিনিটে তার প্রথম গোল করার মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপে ১৪ গোল করে কিলিয়ান এমবাপ্পের সমান হয়ে যান। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে এমবাপ্পে তাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন।

তবে মেসির রূপকথার শুরুটা আসে আরেকটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। নিজের তৃতীয় গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি এবং বিশ্বকাপে মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৬। এর মাধ্যমে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসান মেসি। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকও করেন বটে। একই সঙ্গে এটি ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১২০তম গোল।

বিশ্বকাপ ফুটবলে মেসির যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৬ সালে, মাত্র ১৮ বছর বয়সে। সেটা ছিল আর্জেন্টিনার সর্বকনিষ্ঠ বিশ্বকাপ গোলদাতা। এবার তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বয়স্ক হ্যাটট্রিকদাতা হিসেবেও নতুন রেকর্ড গড়েছেন। কাকতালীয়ভাবে, আলজেরিয়ার বিপক্ষে এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় তার বিশ্বকাপ অভিষেকের ঠিক ২০ বছর পূর্তির দিনে।

আগামী সপ্তাহে ৩৯ বছরে পা দিতে যাওয়া মেসি বিশ্বকাপে টানা পাঁচ ম্যাচে গোল করা প্রথম ফুটবলারও এখন তিনি।

আর্জেন্টিনার সামনে অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে আরও দুটি গ্রুপ ম্যাচ রয়েছে। সেখানে মেসির সামনে অপেক্ষা করছে নতুন নতুন রেকর্ড গড়ার সুযোগ।

×