শিরোনাম:

বাজেটে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

বাজেটে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাজেটে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে এবং প্রতিটি মানুষকে এর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারের মাত্র তিন মাসের মধ্যে এই বাজেট দেওয়া ছিল চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। বাজেট তৈরিতে যারা যেভাবে সহযোগিতা করেছেন তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান।তিনি বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট রেজিম ও অন্তর্বর্তী সরকারের পর এই বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে। সরকার প্রতিটি মানুষকে উন্নয়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে দেশের অর্থনীতি মূলত পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক ছিল। কিছু ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা সংগঠিত স্বার্থান্বেষী মহল অর্থনৈতিক সুবিধা ভোগ করলেও অনেক মানুষ উন্নয়নের মূলধারার বাইরে রয়ে গিয়েছিল। এবারের বাজেটে সেই বৈষম্য কমিয়ে সব শ্রেণির মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সীমিত সম্পদ ও বিভিন্ন ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বাজেটে সমাজের প্রায় সব শ্রেণির মানুষের জন্য কমবেশি বরাদ্দ, কর্মসূচি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। শুধু নীতিগত ঘোষণা নয়, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় রোডম্যাপও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এ কারণেই এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপট, দর্শন ও পরিকল্পনা অন্য সময়ের তুলনায় ভিন্ন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রস্তাবিত বাজেটের বিভিন্ন দিক, সরকারের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার এবং সামনের দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি বাজেট নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি।

সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন অর্থ সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার।

ইরান যুদ্ধের পর আমার ক্ষমতার কোনো সীমা-পরিসীমা নেই : ট্রাম্প

বাজেটে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে বৈশ্বিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নিজের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী বলেও দাবি করেছেন তিনি।

গতকাল অ্যাক্সিওসকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার প্রয়োগ এবং তার সীমাবদ্ধতা নিয়ে নতুন কোনো শিক্ষা কিংবা ধারণা তিনি পেয়েছেন কি-না।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অ্যাক্সিওস-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, এই সংঘাতের ফলে তিনি রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার প্রয়োগ ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে কী শিখেছেন। জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তেমন কোনো ধারণা এখনও পাইনি। তবে আমি অনুভব করতে পারছি যে আমার ক্ষমতার কোনো সীমা নেই। হ্যাঁ, আমি জানি যে সীমা আছে, কিন্তু এখানে কোনো সীমা-পরিসীমা নেই। আমরা সামরিকভাবে তাদের সম্পূর্ণ পরাজিত করেছি।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর কিছুদিন পর থেকে ট্রাম্প বলে আসছিলেন, তেহরানের কাছ থেকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চান তিনি। ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি তার সেই ইচ্ছে পূরণ করেছে কি-না— এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, বেশ, আমি মনে করি এটি সম্ভবত নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চুক্তিতে স্বাক্ষর করার কিছুক্ষণ পর তেহরানে নিজের দপ্তরে চুক্তি স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান।

চুক্তিস্বাক্ষরের পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি নীতিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তিতে রাজি ছিলেন না, কিন্তু ট্রাম্পের মরিয়া প্রচেষ্টা এবং প্রভাব খাটানোর কারণে শেষে চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি হয়েছে ইরান।

উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৪০ দিন সংঘাত এবং তারপর ৮ এপ্রিল থেকে ২ মাসেরও বেশি সময় ধরে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির পর ১৭ জুন প্যারিসে শিল্পোন্নত ৭ দেশের জোট জি-৭ সামিটের সম্মেলনে ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ সময় তার পাশে ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সূত্র : এক্সিওস, আনাদোলু এজেন্সি

 

 

 

শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রাজিল হাইতি মুখোমুখি : ফলাফল বলছে সুপারকম্পিউটার

বাজেটে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

আগামীকাল শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ইতিহাস বলছে, বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে জয়হীন থাকার অভিজ্ঞতা ব্রাজিলের খুবই বিরল। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ব্রাজিল।

পরিসংখ্যানভিত্তিক পূর্বাভাস প্রতিষ্ঠান অপটার সুপারকম্পিউটারও সেলেসাওদের জয়ের সম্ভাবনা দেখছে ৮৭.৩ শতাংশ। বিপরীতে হাইতির জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ৪.৩ শতাংশ, আর ড্রয়ের সম্ভাবনা ৮.৪ শতাংশ। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করলেও ব্রাজিলের নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা এখনও বেশ উজ্জ্বল। অপটার হিসাব বলছে গ্রুপ সি-তে শীর্ষস্থান অর্জনের সম্ভাবনা ব্রাজিলের ৫২ শতাংশ। শেষ ৩২-এ ওঠার সম্ভাবনা ৯০.৩ শতাংশ। এমনকি শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাও ৫.৪ শতাংশ ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরে যাওয়ায় হাইতির সমীকরণ কঠিন হয়ে গেছে। তাদের নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা মাত্র ৫.৮ শতাংশ। আর গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা নেমে এসেছে ০.৪ শতাংশে।

পরিসংখ্যানের হিসাবেও ব্রাজিল হাইতি ম্যাচেটি স্পষ্ট ফেবারিট ব্রাজিল। দুই দলের অতীত রেকর্ড একেবারেই একপেশে। এর আগে তিনবার মুখোমুখি হয়ে তিনবারই জিতেছে ব্রাজিল। সেই ম্যাচগুলোতে ১৭ গোল করেছে সেলেসাওরা, বিপরীতে হাইতির গোল মাত্র একটি। সর্বশেষ ২০১৬ কোপা আমেরিকায় ব্রাজিল ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল হাইতিকে।

১৯৭৮ সালের পর কোনো বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে জয়হীন থাকেনি ব্রাজিল। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের হিসেবে ব্রাজিলের অনেক পেছনে হাইতি।

র‍্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিলের অবস্থান ৬ নম্বরে, আর হাইতি ৮৪ নম্বরে—দুই দলের মধ্যে পার্থক্য ৭৮ ধাপ। ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচে ব্রাজিলকেই স্পষ্ট ফেবারিট ধরা হচ্ছে। বাকীটা ম্যাচে দেখা যাবে।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন-আল-রশিদের জানাজা সম্পন্ন

বাজেটে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হারুন-আল-রশিদের জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। নামাজ পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পেশ ইমাম ক্বারী মো. আবু রায়হান।

আজ শুক্রবার ( ১৯জুন ) জাতীয় সংসদে জানাজার শুরুতেই মরহুম হারুন আল রশিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপদের পক্ষে হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, বিরোধী দলীয় নেতার পক্ষে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ-সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এবং পরিবারের পক্ষে মরহুমের ভাতিজা কামাল হোসেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, হারুন আল রশিদ একজন বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান ছিলেন এবং পাঁচ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ব্যক্তি জীবনে অমায়িক, সজ্জন সাধারণ মানুষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন।

স্পিকার আরও উল্লেখ করেন, হারুন আল রশিদ দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন জাতীয়তাবাদী ঘরাণার নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে। এসময় তিনি মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিরাবের প্রতি সমবেদনা জানান। চড়ষরঃরপং

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, হারুন আল রশিদ একজন অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তার জীবনাদর্শ আমাদের জন্য অনুকরণীয়। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে হারুন আল রশিদের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

জানাজায় মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ-সদস্য, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

হারুন আল রশিদ গতকাল রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

 

 

 

×