শিরোনাম:

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চলন্ত বাসে আগুন, নিহত ৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চলন্ত বাসে আগুন, নিহত ৪

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চলন্ত একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন ধরে গেছে। এতে ঘটনাস্থলে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০-১২ জন।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টার দিকে মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুজন শিশু ও একজন নারী, একজন পুরুষ রয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইকবাল বাহার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, মোটরসাইকেল এবং বাসের সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের জ্বালানির বাক্স থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এতে পুরো বাসে আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণের পর আমরা দেখতে পাই একজন নারী, একজন পুরুষ এবং দুই শিশুর মরদেহ পড়ে আছে। ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজ পরিচালনা করছে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রচারণা রাষ্ট্রের জন্য ফরজে কেফায়া: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চলন্ত বাসে আগুন, নিহত ৪

গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচারণা, রাষ্ট্রের জন্য ফরজে কেফায়া বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। আজ (শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেটে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিভাগীয় ও জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

এর আগে বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচারণা চালাতে স্বাস্থ্য বিভাগের সকল কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। এদিকে, সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি এনজিওগুলোকেও গণভোটের প্রচারণায় কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে যেকোনো গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘যারা নির্বাচন চায় না, তারা নির্বাচনকে পণ্ড করে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।’ তবে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সেসব অপশক্তিকে রুখে দেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়াও নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো গুজব থাকলে, সেগুলো সঙ্গে সমাধানের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন তিনি।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চলন্ত বাসে আগুন, নিহত ৪

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা কমে আসায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আগের মতো চাপ আর নেই। টানা কয়েকটি সেশনে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ায় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুবাইসহ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমতে শুরু করে।

দুবাই জুয়েলারি গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম গ্রামপ্রতি নির্ধারিত হয়েছে ৫৫৩ দিরহাম, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ২ দিরহাম কম। একই সময়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নেমে এসেছে গ্রামপ্রতি ৫১২.২৫ দিরহামে।

অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের মধ্যে ২১ ক্যারেট বিক্রি হয়েছে ৪৯১ দিরহাম, ১৮ ক্যারেট ৪২১ দিরহাম এবং ১৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল গ্রামপ্রতি ৩২৮.২৫ দিরহাম। আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম দাঁড়ায় ৪,৫৯০ ডলারে, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সময় সকাল ৯টায় প্রায় ০.৮ শতাংশ কম। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িক দরপতন হলেও স্বর্ণের সামগ্রিক চাহিদা এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। এর আগের দিন বুধবার স্বর্ণের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল।

সেঞ্চুরি ফাইন্যান্সিয়ালের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা বিজয় ভালেচা বলেন, ‘প্রত্যাশার চেয়ে কম মার্কিন মূল্যস্ফীতি তথ্যের ফলে এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ দুই দফা সুদহার কমাতে পারে-এমন প্রত্যাশা জোরালো হয়েছে। পাশাপাশি ফেডের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ এবং চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপের খবরে ডলার চাপে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইরানে সহিংস বিক্ষোভ, ভেনেজুয়েলা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চাপ, তেহরান ঘিরে শুল্ক হুমকি এবং ইউক্রেন যুদ্ধ—সব মিলিয়ে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এখনো বেশি, যা স্বর্ণের দীর্ঘমেয়াদি চাহিদা বাড়িয়ে দিচ্ছে।’

২৬৮ আসনে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চলন্ত বাসে আগুন, নিহত ৪

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬৮ আসনে প্রার্থীরা মাঠে কাজ করছেন। তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন। তারা কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন না।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ৩টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, আমরা এ দেশের ইসলামপন্থি জনতার আবেগের সঙ্গে কিছুতেই প্রতারণা করতে পারি না। আমরা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামের আলোকে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্যে দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে কাজ করে আসছি। আমরা এ থেকে বিচ্যুত হতে পারি না। এজন্য আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, গতকালকে ১১ দলীয় জোটের ব্যানারে যেখানে আমরাও ছিলাম, সেখানে একটি সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। সেখানে আসন বণ্টন হয়েছে। সেখানে আমাদের দীর্ঘদিনের পথ চলা, ৫ আগস্ট পরবর্তী সারা দেশে আমরা ইসলামপন্থি শক্তি একসঙ্গে করার জন্য যে চেষ্টা-সাধনা করেছিলাম। আমরা দেখেছি শেষ পর্যায়ে এসে আমাদের যে লক্ষ্য ছিল, সেই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ার একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই শঙ্কা থেকে আমরা চিন্তা করলাম, আমাদের ইসলামের পক্ষের একটি বাক্সকে আমাদের হেফাজত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি সামনে আমাদের পথচলা হয়ত মসৃণ নাও হতে পারে। কারণ আমরা ক্ষমতার রাজনীতি সেভাবে করি না। আমাদের মূল লক্ষ্য ইসলাম। ইসলামকে আমরা আগে রাখি। আমরা নীতি-আদর্শের রাজনীতি করি। সেখানে আমরা দেখছি, নীতি-আদর্শের প্রশ্নে, রাজনৈতিক প্রশ্নে, ইনসাফের প্রশ্নে আমরা বৈরিতার শিকার হয়েছি। সেজন্য আমরা আজ আপনাদের সামনে ঘোষণা দিতে বাধ্য হচ্ছি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৭০টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। এর মধ্যে আপিলে দুইজন বাতিল হয়েছে। বাকি ২৬৮ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী এখন পর্যন্ত মাঠে কাজ করছেন। আমরা তাদের নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি, তারা নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। একজনও তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন না।

এর আগে, ইসলামী আন্দোলনের ঐক্য প্রক্রিয়ায় থাকা না থাকা নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিনভর নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এরই মধ্যে এদিন দুপুরে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের জরুরি বৈঠক হয়। এতে যোগ দেয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

বৈঠক শেষে জামায়াতের নেতারা জানিয়েছিলেন, রাতের সংবাদ সম্মেলনে দলটির প্রতিনিধি থাকতে পারেন। কিন্তু, তারা না আসায় সে গুঞ্জন আরও শক্তিশালী হয়। তাই সবার চোখ ছিল দলটির আজকের সংবাদ সম্মেলনের দিকে।

তবে, সমঝোতা বিষয়ে এখনো সমাধানের পথ দেখছেন জামায়াতসহ অন্যান্য দলের নেতারা। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এখনো আশাবাদী। প্রয়োজনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।

×