শিরোনাম:

নকআউটের কঠিন সমীকরণে বার্সা-সিটি-পিএসজি

নকআউটের কঠিন সমীকরণে বার্সা-সিটি-পিএসজি

ফুটবল সমর্থকদের জন্য ব্যস্ত একটি রাত। ৩৬ দলের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৮ ম্যাচ শুরু হবে একযোগে। পাগলাটে এই রাতে ভাগ্য নির্ধারণ হবে জায়ান্ট, মধ্যম সারি কিংবা নামে-ভারে ছোটো অনেক ক্লাবের। কারও সামনে সমীকরণ শেষ আটের, কোনোমতে প্লে অফ নিশ্চিত হলেই হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে কোনো ক্লাব। ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় শুরু থেকেই দাপট দেখানো কোনো ক্লাবের হিসেব হয়তো খুবই সরল।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখন পর্যন্ত সবকটি ম্যাচেই জয় পাওয়া আর্সেনাল শীর্ষে থেকে লিগ পর্ব শেষ করা অনেকটাই নিশ্চিত। কাজাখস্তানের ক্লাব কাইরত আলমাতির বিপক্ষে নির্ভার হয়েই নামবে গানাররা। মিকেল আরতেতার দলের সঙ্গে সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনেখও। বাভারিয়ানরা শেষ রাউন্ডে মুখোমুখি হবে ডাচ ক্লাব পিএসভি আইন্দোভেনের বিপক্ষে।

কাগজে-কলমে শীর্ষ আটে থেকে লিগ পর্ব শেষ করার সুযোগ আছে এখনও ১৬টি ক্লাবের। পিএসজি এবং রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার সিটি ও লিভারপুলের মতো সাবেক চ্যাম্পিয়নরা নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলেও এই জায়ান্টদের লড়াই এখন সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিতের।

লিগ পর্বের সপ্তম রাউন্ড পর্যন্ত নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে আর্সেনাল-বায়ার্নসহ ১৫টি ক্লাব। বাকি ৯টি জায়গার জন্য লড়াইয়ে টিকে আছে ১৭টি দল। ৯ম থেকে ২৪তম—এই ১৬ দল উঠবে নকআউট প্লে-অফে। সেখান থেকে আট ম্যাচের আট জয়ী দল উঠবে শেষ ষোলোতে। আগামী শুক্রবার হবে প্লে-অফের ড্র। আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট, কাইরাত আলমাতি, স্লাভিয়া প্রাগ ও ভিয়ারিয়ালের প্রথম পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়ায় প্লে অফ খেলার সুযোগও শেষ হয়েছে তাদের।

শীর্ষ আটের মহারণ :
সরাসরি নকআউট পর্বে খেলার টিকেট বাকি আছে এখনও ছয়টি। রিয়াল মাদ্রিদ, লিভারপুল, ও টটেনহ্যাম হটস্পারের জন্য হিসেব অনেকটাই সরল। জয় পেলেই চলবে তাদের। বেনফিকার মাঠে রিয়াল মাদ্রিদ, কারাবাখের বিপক্ষে ঘরের মাঠে লিভারপুল ও আইনট্রাখট ফ্র্যাঙ্কফুর্টের মাঠে টটেনহ্যাম জিতলেই তারা সরাসরি নকআউট পর্বে পা রাখবে।

পয়েন্ট টেবিলের ৬ থেকে ১২ নম্বর পর্যন্ত দলগুলোর মধ্যেই হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এই আটটি দলেরই সংগ্রহ ১৩ পয়েন্ট। নিজ নিজ ম্যাচে জয়ের সঙ্গে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের ফলের দিকেও।

পিএসজি-নিউক্যাসল ইউনাইটেডের ম্যাচটি রূপ নিয়েছে অলিখিত নকআউটে। এই ম্যাচের বিজয়ী দল সরাসরি উঠবে পরের ধাপে, আর পরাজিত দলটিকে হয়তো খেলতে হবে প্লে-অফে। তবে ড্র হলে দুই দলকেই অপেক্ষা করতে হবে অন্য ম্যাচের ফলের ওপর।

সমান ১৩ পয়েন্ট আছে আরও ছয়টি দলের। এর মধ্যে চেলসিও তুলনামূলক ভালো অবস্থানে আছে; টিকে থাকার লড়াইয়ে থাকা নাপোলির মাঠে জিতলেই হয়তো সরাসরি শেষ ষোলোয় উঠে যাবে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের দলটি। অবশ্য গোল ব্যবধানে তাদের পিছিয়ে পড়ার কিঞ্চিৎ শঙ্কাও আছে।

সমান ১৩ পয়েন্ট নিয়ে একইরকম আশায় আছে বার্সেলোনা, স্পোর্তিং, ম্যানচেস্টার সিটি, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও আতালান্তা।

কোপেনহেগেনের বিপক্ষে ঘরের মাঠে শুধু জয় যথেষ্ট নয়, বড় ব্যবধানে জয়ই বার্সাকে পৌঁছে দেবে সরাসরি নকআউট পর্বে। পেপ গুয়ার্দিওলার দল সিটিকে সরাসরি শেষ ষোলোয় খেলতে হারাতেই হবে গালাতাসারাইকে। আর সিটিকে হারাতে পারলে প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত হবে তুর্কি ক্লাব গালাতাসারাইয়ের।

নরওয়ের দল বোডো/গ্লিম্টের বিপক্ষে ঘরের মাঠে বড় ব্যবধানে জয়ে সরাসরি শেষ ষোলোয় ওঠার দরজা খুলতে পারে আতলেতিকো মাদ্রিদেরও। একই লক্ষ্যে ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তার নিজেদের ম্যাচে বিশাল ব্যবধানে জিততে হবে এবং অন্যান্য ম্যাচের ফল পক্ষে আসার প্রার্থনা করতে হবে।

প্লে অফের লড়াই :
সাবেক ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন বেনফিকা ও আয়াক্স আমস্টারডাম টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঠেকানোর লড়াইয়ে আছে। সাত ম্যাচের মাত্র দুটিতে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ২৯ নম্বরে আছে হোসে মরিনহোর বেনফিকা। সমান পয়েন্ট নিয়ে ৩২ নম্বরে আয়াক্স।

পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকার টিকে থাকতে রিয়াল মাদ্রিদকে হারাতেই হবে এবং পাশপাশি অন্য ম্যাচের ফলও নির্ভর করবে পর্তুগিজ ক্লাবটির টিকে থাকা। একইভাবে আয়াক্সকেও ২৪তম স্থানে থাকা অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে জিততে হবে এবং একইসঙ্গে তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে অন্যান্য ম্যাচের ফলও।

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল

নকআউটের কঠিন সমীকরণে বার্সা-সিটি-পিএসজি

আজকাল কয়েকটা রাজনৈতিক দল খুব জোর করে বলে সংস্কার সংস্কার। আরে জিয়াউর রহমানই সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন— এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ নিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, সব প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন। জিয়াউর রহমান বিএনপির কাছে আলোকবর্তিকার মতো। কৃষি, গবেষণা— সবখাতেই জিয়ার নাম খচিত আছে। তিনি দেশে কৃষি বিপ্লব করে তুলেছিলেন। অর্থনীতির ভীত মজবুদ করেছিলেন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

নকআউটের কঠিন সমীকরণে বার্সা-সিটি-পিএসজি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে বিদেশের মানুষ বাংলাদেশকে চিনতো। যে গাছ ফল দেয়, সেই গাছেই মানুষ ঢিল মারে। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশ এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন আমরা চেষ্টা করছি সেভাবে দেশ পরিচালনা করতে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় সজাগ না থাকলে দেশ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ইশতেহার ছিল বিএনপির। সরকার গঠনের পর এই ইশতেহারে ৫২ শতাংশ মানুষের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। খাল খনন, শিক্ষা, শিল্পের বিপ্লব ইশতেহারে ছিল। সেই কাজগুলো করছি। জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রত্যেক খতকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছিলেন, সেই পথনির্দেশিকা অনুসরণ করে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক কাজগুলো সহযোগিতা করলেই সরকার সফল হবে। শুধু আমরা কাজ করলেই হবে না। তৃণমূল পর্যন্ত সব নেতাকর্মীর লক্ষ্যগুলো সফল করে জনগণের চোখে সফল সরকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে আহ্বান জানাই।

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

নকআউটের কঠিন সমীকরণে বার্সা-সিটি-পিএসজি

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ নিয়ে গত ৭৭ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ জনে। আজ রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৫৮৫ শিশুর মধ্যে ৯০ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর বাকি ৪৯৫ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সর্বমোট হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৮৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৪১ জন।

×