শিরোনাম:

এবারের ভোট জনগণের কাছে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দেয়ার: তারেক রহমান

এবারের ভোট জনগণের কাছে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দেয়ার: তারেক রহমান

একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপি পরিকল্পনা সাজিয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ দেশের মালিকানা ফিরে পাবে বলে বিশ্বাস তার।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে-বিদেশে অন্তত এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারেক রহমান। আর পে-স্কেলের অপেক্ষায় থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে যথাসময়ে পে-স্কেল ঘোষণা করা হবে।

নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে না উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেছেন, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তার দলের অঙ্গীকার।

বেকারত্ব ঘোচাতে বিএনপির পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি যোগ করেন, ড্রপআউট হওয়া শিক্ষার্থীদের বেকারত্ব রুখতে উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কারিকুলামে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের কাছে রাষ্ট্র এবং সরকারকে দায়বদ্ধ রাখার কোনো বিকল্প নেই। আপনাদের কাছে আমার অঙ্গীকারের কারণ আপনারাই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। ফ্যাসিবাদ আমলে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি তথাকথিত ডামি নির্বাচনে আমি আপনাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছিলাম ৭ জানুয়ারি সারাদিন পরিবারকে সময় দেবেন। বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন এবার দেশবাসীর প্রতি আমার আহ্বান। আপনাদের প্রতি আমার বিনীত আবেদন ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন। তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষের জন্য হোক।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা ধানের প্রার্থীদের দায়িত্ব নিন। ১৩ তারিখ থেকে আপনাদের নির্বাচিত এমপিরা আপনাদের দায়িত্ব নেবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আপনাদের দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করছে কিনা সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমি নেব ইনশাআল্লাহ। ১২ ফেব্রুয়ারি যদি আপনাদের সমর্থন পায় তাহলে রাষ্ট্রীয় পরিচালনায় বিএনপির মূল মন্ত্র থাকবে মহানবীর মহান আদর্শ ন্যায় করার। ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষের ভোট দিন।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, মরহুমা বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাফল্য যাত্রা অব্যাহত রাখতে আমি আমার দলের নেতাকর্মীদেরকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘদিন থেকে হাতে কলমে প্রস্তুতি নিয়েছি।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে যখন আপনাদের সমর্থনে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছিল আমি তখন সরকারের অংশ হইনি। তবে বিএনপির একজন কর্মী হিসাবে সারাদেশে প্রতিটি জেলা উপজেলা গ্রাম নগর বন্দরে ঘুরেছি। আপনাদের স্থানীয় সমস্যাগুলো সম্ভাবনাগুলো জানা, বোঝার চেষ্টা করেছি। পরিস্থিতির কারণে বিদেশে থাকতে বাধ্য হলেও হৃদয় মন সত্তা জুড়েছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জনগণ। আমি তাই বিদেশে অবস্থানকালীন সময়েও দেশের প্রতিটি এলাকায় আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করি। বিদেশ থেকে দেশে ফিরেও আমি আবারো এই স্বল্প সময় যতটুকু সম্ভব আপনাদের কাছে ছুটে গিয়েছি। আমি আপনাদের ভালোবাসা পেয়েছি। বিএনপির প্রতি আপনাদের আবেগ এবং ভালোবাসা উপলব্ধি করেছি।

তারেক রহমান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপির প্রতি আবারো আপনাদের ভালোবাসা প্রকাশের দিন। আপনাদের সমর্থনে বিএনপি একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে। দেশ পরিচালনা করতে গিয়ে সেই সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে হয়তো আমাদের অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল ত্রুটি হয়েছে। সেজন্য আমি দেশবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে অর্জনগুলোকে অবলম্বন করে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনের জন্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে আবারো আমি আপনাদের সমর্থন চাই। আমি দেশ এবং জনগণের জন্য আপনার এবং আপনার পরিবারের সদস্যের জন্য যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি প্রতিটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে আপনাদের সমর্থন এবং আপনাদের ভোট চাই।

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল

এবারের ভোট জনগণের কাছে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দেয়ার: তারেক রহমান

আজকাল কয়েকটা রাজনৈতিক দল খুব জোর করে বলে সংস্কার সংস্কার। আরে জিয়াউর রহমানই সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন— এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ নিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, সব প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন। জিয়াউর রহমান বিএনপির কাছে আলোকবর্তিকার মতো। কৃষি, গবেষণা— সবখাতেই জিয়ার নাম খচিত আছে। তিনি দেশে কৃষি বিপ্লব করে তুলেছিলেন। অর্থনীতির ভীত মজবুদ করেছিলেন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

এবারের ভোট জনগণের কাছে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দেয়ার: তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে বিদেশের মানুষ বাংলাদেশকে চিনতো। যে গাছ ফল দেয়, সেই গাছেই মানুষ ঢিল মারে। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশ এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন আমরা চেষ্টা করছি সেভাবে দেশ পরিচালনা করতে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় সজাগ না থাকলে দেশ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ইশতেহার ছিল বিএনপির। সরকার গঠনের পর এই ইশতেহারে ৫২ শতাংশ মানুষের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। খাল খনন, শিক্ষা, শিল্পের বিপ্লব ইশতেহারে ছিল। সেই কাজগুলো করছি। জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রত্যেক খতকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছিলেন, সেই পথনির্দেশিকা অনুসরণ করে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক কাজগুলো সহযোগিতা করলেই সরকার সফল হবে। শুধু আমরা কাজ করলেই হবে না। তৃণমূল পর্যন্ত সব নেতাকর্মীর লক্ষ্যগুলো সফল করে জনগণের চোখে সফল সরকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে আহ্বান জানাই।

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

এবারের ভোট জনগণের কাছে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দেয়ার: তারেক রহমান

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ নিয়ে গত ৭৭ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ জনে। আজ রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৫৮৫ শিশুর মধ্যে ৯০ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর বাকি ৪৯৫ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সর্বমোট হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৮৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৪১ জন।

×