শিরোনাম:

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জামায়াতের মহিলা বিভাগের

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জামায়াতের মহিলা বিভাগের

সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব থেকে রাষ্ট্রকে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ। আজ (শনিবার) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি মুছাম্মত রুকসিনা সিদ্দিকা বলেন, যদি পূর্ববর্তী রায়গুলো সঠিকভাবে কার্যকর হতো, তবে তাহিয়া আমিনা বা অন্যান্য নারী ও শিশুদের জীবন দিতে হতো না। আইন কেবল কিতাবে বা বইয়ে থাকলেই হবে না, বাস্তব জীবনে তার প্রয়োগ না থাকলে সেই আইনের কোনো মূল্য নেই।

তিনি বলেন, ১৮ কোটি মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের হলেও সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা তাদের নিজেদের ঘরে বা পরিচিত পরিবেশেও নিরাপদ নয়। জনগণের নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং এই নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার দায় সরকার ও প্রশাসনকে বহন করতে হবে।

বক্তব্যে জামায়াতের মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আমেনা বেগম বলেন, যেখানে রমজান মাস আমাদের জন্য শান্তি সুরক্ষার মাস সেখানে আমাদের রাস্তায় নামতে হয়েছে। সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় শিশুদের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে। শিশু নারীদের নির্যাতন বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, আজকে দেখতে পাচ্ছি আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের মতো নব্য আইয়ামে জাহেলিয়া। যেখানে শিশুদের ওপর জাহেলিয়াত যুগের ন্যায় অত্যাচার করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মার্জিয়া বেগম বলেন, নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন, সহিংসতা ও ধর্ষণের ঘটনা জাতিকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

মানববন্ধনে ১০ দফা দাবি উপস্থাপন করেন জামায়াতের মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মারজিয়া বেগম।

দাবিগুলো হলো-
‎১. সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে রাষ্ট্রকে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

‎২. অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

‎৩. এ ধরণের বর্বরতাকে রুখতে রাষ্ট্রকে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

‎৪. রাজনৈতিক পরিচয়ের জের ধরে দুর্বৃত্তদের তাণ্ডব কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেয়া যাবে না।

‎৬. আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্ত ও স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া।

‎৬. প্রতিটি মা-বোন ও শিশুর নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

‎৭. গ্রেপ্তারকৃত অপরাধীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

‎৮. যে প্রভাবশালী চক্র অপরাধীদের রক্ষা করার চেষ্টা করেছে- তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।

‎৯. মামলা নিতে পুলিশের গড়িমসির তদন্ত করে দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

‎১০. শিশু নিরাপত্তা ও ধর্ষণ-নির্যাতন প্রতিরোধে রাষ্ট্রকে কার্যকর, কঠোর ও দীর্ঘমেয়াদি নীতি গ্রহণ করতে হবে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ ও আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. সাকিবুন্নাহার মুন্নী, ঢাকা মহানগরে দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটার জান্নাতুল কারীম, ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি আমেনা বেগম প্রমুখ।

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জামায়াতের মহিলা বিভাগের

আজকাল কয়েকটা রাজনৈতিক দল খুব জোর করে বলে সংস্কার সংস্কার। আরে জিয়াউর রহমানই সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন— এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ নিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, সব প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন। জিয়াউর রহমান বিএনপির কাছে আলোকবর্তিকার মতো। কৃষি, গবেষণা— সবখাতেই জিয়ার নাম খচিত আছে। তিনি দেশে কৃষি বিপ্লব করে তুলেছিলেন। অর্থনীতির ভীত মজবুদ করেছিলেন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জামায়াতের মহিলা বিভাগের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে বিদেশের মানুষ বাংলাদেশকে চিনতো। যে গাছ ফল দেয়, সেই গাছেই মানুষ ঢিল মারে। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশ এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন আমরা চেষ্টা করছি সেভাবে দেশ পরিচালনা করতে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় সজাগ না থাকলে দেশ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ইশতেহার ছিল বিএনপির। সরকার গঠনের পর এই ইশতেহারে ৫২ শতাংশ মানুষের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। খাল খনন, শিক্ষা, শিল্পের বিপ্লব ইশতেহারে ছিল। সেই কাজগুলো করছি। জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রত্যেক খতকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছিলেন, সেই পথনির্দেশিকা অনুসরণ করে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক কাজগুলো সহযোগিতা করলেই সরকার সফল হবে। শুধু আমরা কাজ করলেই হবে না। তৃণমূল পর্যন্ত সব নেতাকর্মীর লক্ষ্যগুলো সফল করে জনগণের চোখে সফল সরকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে আহ্বান জানাই।

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জামায়াতের মহিলা বিভাগের

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ নিয়ে গত ৭৭ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ জনে। আজ রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৫৮৫ শিশুর মধ্যে ৯০ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর বাকি ৪৯৫ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সর্বমোট হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৮৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৪১ জন।

×