শিরোনাম:

মার্কিন দূতাবাসসহ ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন দূতাবাসসহ ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মার্কিন দূতাবাস সহ ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২ মার্চ) সকালে মন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে নিয়মিত ফোর্সের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। তাছাড়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, অবৈধ অভিবাসন, সন্ত্রাসবাদ দমন, ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এসপিইএআর প্রোগ্রাম, ইলেক্ট্রনিক জাতীয়তা যাচাই (ইএনভি) বাস্তবায়নসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।আরও

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র। দেশটি শুরু থেকেই বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ দমন ও নিরাপত্তা খাতে ঘনিষ্ঠ অংশীদার হয়ে কাজ করে আসছে। এ সময় রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চায়। তিনি বলেন, ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসসহ সমগ্র ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত করার লক্ষ্যে স্পেশার প্রোগ্রাম ফর অ্যাম্বাসি অগমেন্টেশন অ্যান্ড রেসপন্স (এসপিইএআর) শীর্ষক প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী। এ লক্ষ্যে দ্রুত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা প্রয়োজন। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্রের এ তহবিল ফেরত বা অন্যত্র চলে যেতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্মতি নিয়ে দ্রুত এ প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে চাই। রাষ্ট্রদূত এ সময় মন্ত্রীকে তাঁর নতুন পোর্টফলিও’তে দায়িত্ব পালনের জন্য অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবৈধ অভিবাসন রোধে বাংলাদেশে ইএনভি প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে চায়। এটি বাস্তবায়ন করলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন খাতে বাংলাদেশ গ্রিন জোনে অন্তর্ভুক্ত হবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাস দমন খাতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে আসছে। সন্ত্রাস দমন কর্মসূচিতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা থেকে ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) পর্যায়ের প্রায় ৩০ হাজার কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ করেছে। কিন্তু কর্মকর্তাদের অবসর ও বদলিজনিত কারণে এটি আশানুরূপ ফলপ্রসূ হয়নি। মন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একটি সভা বা কর্মশালা আয়োজনের জন্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কাউন্সিলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার শেন স্যান্ডার্স, পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট তনিক মুনিক, পলিটিক্যাল অফিসার রেইলি মালমারট্রি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আটকেপড়া কাতার প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

মার্কিন দূতাবাসসহ ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আটকেপড়া কাতার প্রবাসীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে দূতাবাস। সোমবার (২ মার্চ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বিরাজমান আন্তর্জাতিক অবস্থা প্রেক্ষিতে সকলের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ দূতাবাস বিমানবন্দরে আটকেপড়া যাত্রীদের বিষয়ে বিভিন্ন বিমান সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের বিমান সংস্থার নিম্নোক্ত টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো—

বাংলাদেশ বিমান +৯৭৪৪৪১৫৩৩৫১, +৯৭৪ ৫১১৭৮৭৫৮, +৯৭৪ ৫১১৬৬১২৮; কাতার এয়ারওয়োজ— +৯৭৪ ৪১৪৪৫৫৫৫, +৯৭৪ ৪০২২২৯৪২; ইউএস বাংলা- +৯৭৪ ৫০০৮৪৪৪০, +৯৭৪ ৬৬৮৯৬৪৯০

এর আগে, এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রবাসীদের সতর্ক করে বলা হয়, কোনো সংঘটিত ঘটনাস্থলে সমবেত হওয়া, ঘটনার স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করা, অথবা চলমান ঘটনার ভিডিও ধারণ ও প্রচার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাজকে ব্যাহত করে এবং জনগণের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কাতারে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি নাগরিককে কাতার সরকারের নির্দেশনা মেনে চলা এবং সতর্ক ও সচেতন থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ছাড়া নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত বাড়ির বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বিপ্লবী গার্ড

মার্কিন দূতাবাসসহ ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় ও ইসরাইলি বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দফতর লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

ফরস নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ডস বলেছে, “ইহুদিবাদী সরকারের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের বিমান বাহিনী কমান্ডারের সদর দফতর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় ও বিমানবাহিনীর প্রধানের কার্যালয়ে হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরজিসি। সূত্র: এএফপি।

সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণদানে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

মার্কিন দূতাবাসসহ ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট সমুন্নত রাখতে সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ থেকে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। সোমবার (২ মার্চ) আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির এ চিঠি দেন।

চিঠিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কোনো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এছাড়া, তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি এবং এখনও অনুতপ্ত হয়ে কোনো বিবৃতি দেননি।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, ২০ ফেব্রুয়ারি দৈনিক কালের কণ্ঠে সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি কেবল জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অবমাননা করেননি, বরং প্রকৃত সত্যকেও মিথ্যাভাবে উপস্থাপন করেছেন। অতএব, তিনি তার শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে অব্যাহত থাকার কোনো আইনি অধিকার রাখেননি।

শেষে চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করা হয়েছে, জুলাই বিপ্লবের চেতনা সমুন্নত রাখতে এবং রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সংসদের অধিবেশন আহ্বান বা সংসদে ভাষণ প্রদানের অনুমতি না দেয়ার ব্যবস্থা নিতে। অথবা প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামত ব্যবস্থা নেবেন বলে চিঠিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এই অনুরোধ শুধু ব্যক্তিগত নয়, জনগণেরও আকাঙ্ক্ষা।

×