শিরোনাম:

ইসরায়েলের সতর্কতার পর তেহরানে দফায় দফায় বিস্ফোরণ

ইসরায়েলের সতর্কতার পর তেহরানে দফায় দফায় বিস্ফোরণ

ইরানের নাগরিকদের ট্রেন ভ্রমণ না করার সতর্কবার্তা দিয়েছে ইসরায়েল। মূলত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্থানীয় সময় রাত ৯টা পর্যন্ত ভ্রমণ না করতে সতর্কতা দেয়া হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পরই রাজধানী তেহরানে কয়েক দফায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

বার্তাসংস্থা এএফপি বলছে, মঙ্গলবার সকালে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর এক্স অ্যাকাউন্টে ইরানিদের ট্রেন ভ্রমণ না করার বিষয়ে সতর্কবার্তা প্রকাশ করা হয়। বার্তাটিকে ইরানের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসন্ন হামলার সংকেত হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

সামরিক বাহিনী তাদের ফারসি ভাষার অ্যাকাউন্টে লিখেছে, ‘আপনার নিরাপত্তার স্বার্থে, এখন থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সারা দেশে ট্রেনে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করছি’। এতে আরও বলা হয়, ‘ট্রেনে এবং রেললাইনের কাছাকাছি আপনাদের উপস্থিতি জীবনকে বিপন্ন করতে পারে।’

ইরানের বার্তাসংস্থা মেহরসহ অন্য গণমাধ্যম শারঘ ও হাম-মিহানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাজধানীতে বেশ কয়েক দফায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এএফপির একজন সাংবাদিকও শহরের উত্তর দিকে ধারাবাহিকভাবে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তি করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া সময়সীমা যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টায় (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর ৬টায়) শেষ হবে। এর মধ্যে চুক্তি না হলে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সেতু উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরানকে এক রাতের মধ্যে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া সম্ভব। যা মঙ্গলবার রাতেও ঘটতে পারে।

ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন হুমকিকে যুদ্ধাপরাধের শামিল বলেছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিভাবাদি। এক্সে দেয়া এক পোস্টে তিনি আইনের বিভিন্ন ধারা উল্লেখ করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার দেশের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হিসেবে প্রকাশ্যে যুদ্ধাপরাধ করার হুমকি দিয়েছেন।

ঘারিভাবাদি আরও বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুর মতো বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দেয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) রোম সংবিধি অনুযায়ী একটি যুদ্ধাপরাধ।

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল

ইসরায়েলের সতর্কতার পর তেহরানে দফায় দফায় বিস্ফোরণ

আজকাল কয়েকটা রাজনৈতিক দল খুব জোর করে বলে সংস্কার সংস্কার। আরে জিয়াউর রহমানই সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন— এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ নিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, সব প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন। জিয়াউর রহমান বিএনপির কাছে আলোকবর্তিকার মতো। কৃষি, গবেষণা— সবখাতেই জিয়ার নাম খচিত আছে। তিনি দেশে কৃষি বিপ্লব করে তুলেছিলেন। অর্থনীতির ভীত মজবুদ করেছিলেন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলের সতর্কতার পর তেহরানে দফায় দফায় বিস্ফোরণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে বিদেশের মানুষ বাংলাদেশকে চিনতো। যে গাছ ফল দেয়, সেই গাছেই মানুষ ঢিল মারে। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশ এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন আমরা চেষ্টা করছি সেভাবে দেশ পরিচালনা করতে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় সজাগ না থাকলে দেশ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ইশতেহার ছিল বিএনপির। সরকার গঠনের পর এই ইশতেহারে ৫২ শতাংশ মানুষের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। খাল খনন, শিক্ষা, শিল্পের বিপ্লব ইশতেহারে ছিল। সেই কাজগুলো করছি। জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রত্যেক খতকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছিলেন, সেই পথনির্দেশিকা অনুসরণ করে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক কাজগুলো সহযোগিতা করলেই সরকার সফল হবে। শুধু আমরা কাজ করলেই হবে না। তৃণমূল পর্যন্ত সব নেতাকর্মীর লক্ষ্যগুলো সফল করে জনগণের চোখে সফল সরকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে আহ্বান জানাই।

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

ইসরায়েলের সতর্কতার পর তেহরানে দফায় দফায় বিস্ফোরণ

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ নিয়ে গত ৭৭ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ জনে। আজ রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৫৮৫ শিশুর মধ্যে ৯০ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর বাকি ৪৯৫ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সর্বমোট হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৮৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৪১ জন।

×