শিরোনাম:

কৃষকদের নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

কৃষকদের নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের আঁচ বাংলাদেশকেও স্পর্শ করেছে। তারপরও জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যশোর সফর উপলক্ষে কর্মসূচিস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন সেচের মৌসুম চলছে। কৃষক যাতে কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেজন্য সরকার কাজ করছে। কৃষকদের নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আগামী ২৭ এপ্রিল সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোর বিমানবন্দর থেকে শার্শা উপজেলার উলাশীতে যাবেন। সেখানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাশী খালের পুনঃখনন কাজে অংশ নেবেন তিনি। এরপর যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পরে যশোর ইন্সটিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন শেষে ঈদগাহ ময়দানের জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা রাখবেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে যশোরে স্থবির হয়ে থাকা উন্নয়নের চাকা প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে ফের সচল হবে।

তিনি আরও বলেন, আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে এক ঐতিহাসিক জনসভায় যশোরে ৫শ’ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত নির্বাচনের আগেও আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছিল, নির্বাচিত হলে এই হাসপাতাল করার। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

তারেক রহমানের যশোর সফরের প্রস্তুতি উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রী সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

পরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের স্থান পরিদর্শন করেন। সবশেষে শার্শা উপজেলার উলাশী খাল পরিদর্শনে যান।

আগামীকাল সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু

কৃষকদের নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ১২ এপ্রিল ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেওয়া শুরু করে সরকার।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২২ হাজার। আর হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

হঠাৎ হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার পেছনে বিগত দুই সরকারকে দায়ী করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার রাজধানীতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলনে তিনি বলেন, সারা দেশে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ ক্ষমাহীন অপরাধ।

ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়—সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার সারা দেশে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা দিয়ে ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়ায় আল্লাহর রহমতে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও দেশে বেড়েছে সামান্য: জ্বালানি মন্ত্রী

কৃষকদের নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়ার পরেও সরকার জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে দেশে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে ইতোমধ্যে সরকারের দুই বিলিয়ন ডলার বাড়তি খরচ হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ইকবাল হাসান বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের যা দাম ছিল, বর্তমান বাজারে তা প্রায় দ্বিগুণ। এই বিপুল দাম বৃদ্ধির ফলে সরকারের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। তবুও আমরা জনগণের স্বস্তির কথা চিন্তা করে সেই অনুপাতে দাম বাড়াইনি।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে হলেও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সরকার এই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা নিজে বহন করছে এবং অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করেছে।

সৌদি আরবে পৌঁছালেন ৭ হাজার ৬৩৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী

কৃষকদের নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৯টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৭ হাজার ৬৩৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। রোববার আশকোনা হজ অফিস থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাওয়া মোট ১৯টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আটটি ফ্লাইটে ৩ হাজার ৩০৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্সের সাতটি ফ্লাইটে ২ হাজার ৭১৬ জন এবং ফ্লাইনাসের চারটি ফ্লাইটে ১ হাজার ৬০৯ জন হজযাত্রী নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছেন।

চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী রয়েছেন। এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে মোট ৬৬০টি এজেন্সি, যার মধ্যে ৩০টি লিড এজেন্সি এবং বাকি ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি হিসেবে কাজ করছে।

সৌদি আরবে হজযাত্রী পরিবহনের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০০টি, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৭৫টি এবং ফ্লাইনাসের ৩০টি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে। আগামী ২১ মে সৌদি আরব যাওয়ার সর্বশেষ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

×