শিরোনাম:

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে না পারলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব: ধর্মমন্ত্রী

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে না পারলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব: ধর্মমন্ত্রী

দেশের সংখ্যালঘুদের জানমাল ও নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর কোনো ধরনের অত্যাচার বা নির্যাতন তিনি মেনে নেবেন না। প্রয়োজনে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিতেও তিনি দ্বিধা করবেন না।

তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অজুহাত তুলে কেউ যেন বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

মতবিনিময় সভায় ধর্মমন্ত্রী হজের ব্যয় কমাতে সরকারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, চলতি বছর হজের খরচ কিছুটা কমানো সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণার আলোকে আগামী হজ মৌসুমে ব্যয় আরও কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেশে প্রথমবারের মতো চালু হলো ই-ঋণ, যেভাবে আবেদন করা যাবে

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে না পারলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব: ধর্মমন্ত্রী

দেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাকে আরও গতিশীল ও সহজলভ্য করতে সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক ‘ই-লোন’ বা ই-ঋণ সেবা চালুর নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ ব্যবস্থায় গ্রাহকরা এখন ব্যাংকে না গিয়েই মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ঋণের আবেদন, অনুমোদন এবং অর্থ গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

সোমবার (১১ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবাকে আরও সহজ, দ্রুত ও গ্রাহকবান্ধব করতে ব্যাংকগুলোকে ই-লোন কার্যক্রম চালু করতে হবে।

সার্কুলার অনুযায়ী, নতুন এ ব্যবস্থায় একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ই-লোন নিতে পারবেন। তবে এই ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ১২ মাস। ই-ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংক বাজারভিত্তিক নির্ধারণ করবে। তবে পুনঃ অর্থায়ন সুবিধা গৃহীত হলে গ্রাহক পর্যায় সর্বোচ্চ সুদ হবে ৯ শতাংশ।

ঋণ বিতরণ, কিস্তি পরিশোধ ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, গ্রাহকের আবেদন যাচাইয়ে ব্যাংকগুলোকে জাতীয় পরিচয়পত্র, বায়োমেট্রিক তথ্য এবং প্রয়োজনীয় ডিজিটাল যাচাইকরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করবে।

ঋণ অনুমোদনের আগে গ্রাহকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি) প্রতিবেদনও পর্যালোচনা করতে হবে। খেলাপি ঋণগ্রহীতারা এই সুবিধা পাবেন না।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ই-লোনের ক্ষেত্রে সুদ, ফি, চার্জ, বিলম্ব মাশুল বা আগাম ঋণ পরিশোধ ফি-সব তথ্য গ্রাহককে আগেই স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। পাশাপাশি গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া কোনো অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করা যাবে না।

সাইবার নিরাপত্তার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলোকে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (২এফএ), মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (এমএফএ) এবং ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ই-লোন কার্যক্রম চালুর আগে প্রতিটি ব্যাংককে নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে এবং পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিতে হবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা নিশ্চিত করেও এ সেবা চালু করতে হবে।

ব্যাংকাররা বলছেন, নতুন এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ক্ষুদ্র ও খুচরা ঋণ বিতরণ আরও সহজ হবে। বিশেষ করে তরুণ উদ্যোক্তা, ফ্রিল্যান্সার এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মনির্ভর গ্রাহকরা দ্রুত ঋণ সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে ব্যাংকিং সেবায় সময় ও খরচ কমবে এবং নগদনির্ভরতা হ্রাস পাবে।

২২৭৬ বিএনপি নেতাকর্মীকে গুম-খুনের তদন্ত চেয়ে ফের ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে না পারলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব: ধর্মমন্ত্রী

বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অপহরণ করে গুম এবং ক্রসফায়ারের নামে ২ হাজার ২৭৬ জনকে হত্যার অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়ে ফের ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছে দলটি।

সোমবার (১১ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে এ অভিযোগ দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং গুম, খুন, মামলা বিষয়ক সমন্বয়ক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

ইলিয়াস আলীসহ ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত গুম ও হত্যার ঘটনায় এ অভিযোগ দায়ের করা হয়। এর আগেও ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি একই অভিযোগ দাখিল করেছিল বিএনপি। তবে এতদিন তদন্তের কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় পুনরায় দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ দাখিল করা হয়।

এসব ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে না পারলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব: ধর্মমন্ত্রী

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (১১ মে) মামলার চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদা খাতুন এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পিপি নূর আলম পান্নু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক-৪ শাখা সব অস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে লাইসেন্সধারীদের সব অস্ত্র ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু শাহীন চাকলাদার তার লাইসেন্স করা পিস্তল জমা দেননি। পরে এসআই তারেক মোহাম্মদ আল নাহিয়ান তদন্ত করে জানতে পারেন, শেখ হাসিনার পালানোর দিন শাহীন চাকলাদার ওই অস্ত্রসহ আত্মগোপনে চলে যান। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে অস্ত্রসহ পালিয়ে যাওয়ায় শাহীন চাকলাদার সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অবৈধ কর্মকাণ্ডে অস্ত্রটি ব্যবহার করতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ২৮ মে থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরবর্তীতে মামলাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়। সোমবার চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষে আদালত তা গ্রহণ করে পলাতক আসামি শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ জানুয়ারি দুদকের মামলায় শাহীন চাকলাদারের চার বছর কারাদণ্ড আদেশ দেয় আদালত। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুস্থানের সময়ে ৫ আগস্ট শাহীন চাকলাদারের মালিকানাধীন যশোর শহরের চিত্রামোড়স্থ পাঁচ তারকা হোটেলে আগুন দেয় বিক্ষুদ্ধ জনতা। এরপর কাজীপাড়াস্থ তার বাসভবনেও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, তার দুটি প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের আগে স্বপরিবারে আত্মগোপনে চলে যান শাহীন চাকলাদার। জনশ্রুতি রয়েছে রাজনীতিক পটপরিবর্তনের পর ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছেন তিনি।

×