ইরান হামলার পর তেলের দামে বড় উত্থান
যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানঘাঁটিতে ইরানের ইসলামি রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস(আইআরজিসি) পাল্টা হামলার দাবি করার পর বৈশ্বিক তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। খবর, রয়টার্সের।
বৃহস্পতিবারের (২৮ মে) শুরুতে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৩.৭২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৭.৮ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলও প্রায় ৩.৭৩ শতাংশ বেড়ে ৯১.৯৯ ডলারে ওঠে।
এর আগে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার আশায় বিশ্ব বাজারে চাপ কমে আসে। যার ফলে গত সেশনে দুই ধরনের তেলের দামই ৫ শতাংশের বেশি কমেছিল।
তবে নতুন উত্তেজনার পর আবারও বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। ইরানি সংবাদ সংস্থাগুলো জানায়, বন্দরে আব্বাস বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে এই পাল্টা আঘাত চালানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির অনিশ্চয়তা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহকে ঝুঁকিতে ফেলেছে। ফলে বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা থেকেই দাম বাড়ছে।
এছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পেছনে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ তেলের মজুত কমে যাওয়াও বড় ভূমিকা রাখছে। আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুত প্রায় ২.৮ মিলিয়ন (২৮ লক্ষ) ব্যারেল হ্রাস পেয়েছে। এটি নিয়ে টানা ষষ্ঠ সপ্তাহের মতো দেশটিতে তেলের মজুত কমল।

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল
















