শিরোনাম:

রাতে ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, কিছুটা কমতে পারে তাপমাত্রা

রাতে ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, কিছুটা কমতে পারে তাপমাত্রা

রাতের ঢাকায় বৃষ্টির আভাস ছবি : সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় রাতে হালকা থেকে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টির প্রভাবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় প্রকাশিত ৬ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। সম্ভাব্য বৃষ্টিপাতের কারণে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৭৬ শতাংশ।

এদিকে, দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে রাজধানীতে অতি সামান্য বৃষ্টিপাতও রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ১০ আগস্ট

রাতে ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, কিছুটা কমতে পারে তাপমাত্রা

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ১০ আগস্ট । ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট দেশজুড়ে একযোগে প্রকাশ করা হবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তারিখটি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। পূর্বে ২০ জুলাই ফলাফল প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক বলেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য ১০ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

মাউশি জানিয়েছে, ওই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়। ১৮ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেয়।

ঢাকা-নারিতা রুট পুনরায় চালু

রাতে ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, কিছুটা কমতে পারে তাপমাত্রা

ঢাকা-নারিতা রুট পুনরায় চালু

দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট। সরকারের আশা, এই রুট পুনরায় চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা এবং জনসম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকা-নারিতা রুটের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি।

মিট এন্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আজকের ঢাকা – নারিতা ফ্লাইট আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারে আমি অত্যন্ত আনন্দিত বোধ করছি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি বলেন, জাপানপ্রবাসী প্রায় ৪৫ হাজার বাংলাদেশী ছাত্র, শ্রমিক ও অভিবাসীদের কথা বিবেচনায় রেখে আমরা ফ্লাইটটি চালু করেছি। ফ্লাইটটি যাতে আর কখনোই বন্ধ না হয় সেজন্য  ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় শুধু বোয়িং নয়, এয়ারবাসের উড়োজাহাজও বহরে যুক্ত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ১৯৮০ সালে উড়োজাহাজ স্বল্পতা থাকা স্বত্বেও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাপান বাংলাদেশ সম্পর্ক সুদৃঢ় করার জন্য ঢাকা – নারিতা ফ্লাইট চালু করেছিলেন। আজ আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ফ্লাইটটি যাত্রী সাধারণের জন্য পুনরায় চালু করলাম।

এরপর মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী জাপানগামী যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ফিতা কেটে ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১ জুলাই ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ করা হয়েছিল। প্রায় এক বছর পর আবারও চালু হলো এই রুট। আজ ২৭ জুলাই রাত ২ টা ২৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩৭৬ ফ্লাইটটি জাপানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, গবেষণা ও পণ্য বৈচিত্র্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: মাহ্দী আমিন

রাতে ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, কিছুটা কমতে পারে তাপমাত্রা

কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, পণ্য বৈচিত্র্য এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন উপলক্ষে আয়োজিত ‘কৃষিই কৃষ্টি-কৃষিই সমৃদ্ধি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে খাদ্যে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে, তা বাস্তবায়নে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা করেন। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নতুন যাত্রার সঙ্গে সরকারেরও অনেক প্রত্যাশা জড়িয়ে রয়েছে। তাদের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন দেশের কৃষি এবং সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহের মধ্যেই বর্তমান গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকার দেশের সব কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরু হয়েছে। চার বছর পর তারা স্নাতক সম্পন্ন করলেও সরকারের ধারাবাহিকতার মধ্যেই সেই শিক্ষাজীবন শেষ হবে। এ সময়ে সরকারের নীতিমালা, পরিকল্পনা ও প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন-ভাবনা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশ গঠনে প্রতিফলিত হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সহজ ও সুলভ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি এবং সেচ, বীজ, সার ও কৃষিযন্ত্রসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ আরও সাশ্রয়ী মূল্যে সহজলভ্য করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে নগদ অর্থ ও ঋণ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে বিএনপি সরকারের আগের অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় কৃষি উন্নয়নের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছিল এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কৃষিখাতকে শক্তিশালী ও রপ্তানিমুখী করার যে অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়েছিল, বর্তমান সরকার তা অনুসরণ করেই কাজ করছে।

বাংলাদেশকে খাদ্যে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ করা, কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং তরুণদের কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মাহ্দী আমিন বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু কৃষির উৎপাদনশীলতা ও বহুমুখীকরণ বৃদ্ধি নয়, বরং কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণ পৌঁছে দেওয়া এবং সেচ, বীজ, সার, কীটনাশক ও কৃষিযন্ত্রসহ সব ধরনের কৃষি উপকরণ কৃষকদের জন্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করা।

×