শিরোনাম:

সারাদেশে একই প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু কাল

সারাদেশে একই প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু কাল

একই প্রশ্নপত্রে দেশের নয়টি শিক্ষা বোর্ডে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। শুধু কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পৃথক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার ( ১ জুলাই ) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার পাবলিক পরীক্ষা আইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন আইনে কঠোর বিধান যুক্ত হওয়ায় আগের তুলনায় পরীক্ষা আরও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া উত্তরপত্র মূল্যায়নকারীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বলেন, চলতি বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন । যা গত বছরের তুলনায় ১৪ হাজার ৩১৬ জন বেশি। ৪ হাজার ৮৮৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ১ হাজার ৬২৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু হবে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের। সব বোর্ডে সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে দেরিতে আসা শিক্ষার্থীদের তথ্য রেজিস্ট্রারে সংরক্ষণ করে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এবার নকল প্রতিরোধে ডিজিটাল নজরদারি চলবে।

সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিং সেল স্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলে বসে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তের যেকোনো কেন্দ্রের পরীক্ষা মনিটরিং করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এবারই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। এ পরীক্ষায় অংশ নেবে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। এক গণবিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, পরীক্ষার্থীদের হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে রওনা হতে হবে

বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী শেভরন

সারাদেশে একই প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু কাল

বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মার্কিন বহুজাতিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান শেভরন (Chevron)। একই সঙ্গে দেশের বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতেও তারা বিনিয়োগ বাড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শেভরনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাতে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিষ্ঠানটির বেস অ্যাসেটস ও উদীয়মান দেশবিষয়ক প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার লা রোসার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

সাক্ষাতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দেশে বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনের বিনিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শু শিয়ংসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তারেক আনন্দ’র ‘প্রিয় কবিতা’ নিয়ে আসছে সংগীতশিল্পী তামিম ইসলাম

সারাদেশে একই প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু কাল

তারেক আনন্দ, আতিয়া আনিসা ও তামিম ইসলাম ।। ছবি : সংগৃহীত

গীতিকার আর সঙ্গীতশিল্পীর জুটির সাফল্যের সংবাদ আমাদের সংগীত ভূবনে বিরল নয়। তারই ধারাবাহিকতায় এসময়ের জনপ্রিয় গীতিকার তারেক আনন্দ ও সংগীত শিল্পী তামিম ইসলাম নিয়ে এসেছে অবন্তী সিঁথির সঙ্গে তাদের দ্বৈত গান ‘প্রিয় কবিতা’।

সংগীতশিল্পী তামিম ইসলাম গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত গান প্রকাশ করছেন। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি দ্বৈত গান প্রকাশের মধ্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন তিনি। ইতিপূর্বে কণ্ঠশিল্পী কনার সঙ্গে ‘ঠোঁটপেন্সিল’, নিশ্চুপ বৃষ্টির সঙ্গে ‘ঘুম ঘুম চোখ’, নদীর সঙ্গে ‘মিশে আছি দুজনেই’ এবং আতিয়া আনিসার সঙ্গে ‘অবহেলা’ গান করে জনপ্রিয়তা পেয়েছে তামিম।

এবার প্রকাশ পেল তারেক আনন্দ’র লেখায় অবন্তী সিঁথির সঙ্গে তামিমের নতুন দ্বৈত গান ‘প্রিয় কবিতা’। তারেক আনন্দ’র গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন তামিম নিজেই। গানটি শোনা যাচ্ছে তামিম ইসলামের ইউটিউব চ্যানেলে।

সংগীতশিল্পী তামিম ইসলাম নতুন গান নিয়ে বলেন, ‘আমার ইতিপূর্বে প্রকাশিত গানগুলোর জন্য শ্রোতাদের কাছ থেকে প্রচুর ভালোবাসা ও প্রশংসা পেয়েছি। এবার অবন্তী সিঁথি’র সঙ্গে গাইলাম তারেক আনন্দ ভাইর গান। আমি নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

তাঁর চমৎকার গায়কির সঙ্গে মিলিয়ে গানটি ইতিমধ্যে সবার পছন্দ তালিকায় চলে এসেছে।’

ছায়ানট থেকে নজরুলসংগীতের কোর্স সম্পন্ন করা তামিম সংগীতে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বলেন, প্রিয় কবিতার মত ভালো গান পেলে নিয়মিত গান করে যেতে চান। তার নিজে স্টুডিওতে রয়েছে সংগীতের নানা আয়োজন।

তামিম জানান, নিজের সুরে এ পর্যন্ত প্রায় ৪০টি গান করেছেন। সব মিলিয়ে তাঁর প্রকাশিত গানের সংখ্যা প্রায় ৭০টি। সংগীতে আরও এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন দেখেন এই শিল্পী।

গীতিকার তারেক আনন্দ বলেন, গানটা লেখার পরপরই মনে হয়েছিল গানটা তামিমের কন্ঠে ভালো যাবে। তামিমের সুর ও মিউজিকে গানটি প্রাণ পেয়েছে।

তারেক আরও বলেন , আমার আরও আনন্দ লাগছে তামিমের ইউটিউবে গানটি প্রকাশ হওয়ার পর অনেকেই আমাকে ব্যক্তিগত ভাবেই প্রশংসা করছে , শিল্পীরা গান চাইছে।

‘কোন সীমান্ত, কোন ডিসেম্বরে আসবেন পরিষ্কার করুন’

সারাদেশে একই প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু কাল

জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোন সীমান্ত ও কোন ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন তা পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে উত্তরাঞ্চল জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনার উদ্দেশে দুলু বলেন, “কোন ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবেন, তা পরিষ্কার করুন। ২০৩০ সালের ডিসেম্বর, নাকি ২০৫০ সালের ডিসেম্বর—তা পরিষ্কার করুন।” পাশাপাশি তিনি কোন সীমান্ত ব্যবহার করে দেশে ফিরবেন, সে বিষয়েও ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা কোন সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরবেন, সে ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দুলু বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে দুই হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। ছাত্র-জনতা, জুলাইযোদ্ধা এবং গত ১৭ বছরে গুম-খুনের শিকার পরিবারসহ আমরা সবাই আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।’

দুলু বলেন, ‘গত ১৭ বছরের প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। এবার আপনাকে কাশিমপুর কারাগারে যেতে হবে। বাংলাদেশের মানুষের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

হুইপ বলেন, হুমকি-ধমকি দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গত ছয় মাসের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে দুলু বলেন, নির্বাচনের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সকাল ৯টা থেকে রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত কাজ করছেন। তার কোনো প্রটোকল নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

দুলু বলেন, স্বাধীনতার পর তিনিই একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যিনি সরকারি নিয়মনীতি ও প্রটোকলের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। অতীতে প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সময় সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় অপেক্ষা করতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে দুলু আরও বলেন, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ড দেওয়া হচ্ছে। অসহায় নারীদের জন্য চালু হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী দেওয়ার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।

গত ছয় মাসে কোনো ব্যক্তি গুম হননি বলেও দাবি করেন হুইপ। তার ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ভয় দেখিয়ে আটক করে গুম করার ঘটনাও ঘটেনি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটি বিধ্বস্ত দেশকে নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়ার মধ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। গ্যাস, বিদ্যুৎসহ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে এবং ধীরে ধীরে এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রসঙ্গ টেনে দুলু বলেন, ‘নামাজের সময় একটি মিছিল করেছে। ওরা নামাজও পড়ে না, আল্লাহকেও বিশ্বাস করে না।’

×