শিরোনাম:

এখনই অবসর না, গল্প ভালো লাগলে অভিনয় করবো, নয়তো প্রযোজনা -পপি

এখনই অবসর না, গল্প ভালো লাগলে অভিনয় করবো, নয়তো প্রযোজনা -পপি

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী পপি বলেন, ‘ সিনেমা আমাকে এত যশ, খ্যাতি ও সম্মান এনে দিয়েছে – যে সিনেমা থেকে অনেক কষ্ট করে টাকা রোজগার করেছি । আজও দর্শক আমাকে এত ভালোবাসে, সেই সিনেমা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করার প্রশ্নই আসে না। তিনি আরও বলেন, আমি চলচ্চিত্রকে এখনো অনেক ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি।

পপি বলেন, এখনো আমি অবসর নিইনি। যদি কোনো গল্প ভালো লাগে, অভিনয় করতেও পারি। ইচ্ছা আছে নিজের বায়োগ্রাফিতে অভিনয় করার। তবে অভিনয়ে ফিরি বা না ফিরি, প্রযোজনা করার খুব ইচ্ছা আছে।

সম্প্রতি সাদিকা পারভীন পপির একটি বক্তব্যকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। সেই বক্তব্যের বিষয়বস্তু পরিষ্কার করে পপি জানালেন, এর সঙ্গে সিনেমা ছাড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। গল্প ভালো লাগলে তিনি সিনেমা প্রযোজনায় নামবেন, এমনকি সময়-সুযোগ পেলে অভিনয়ও করবেন।

একটি গণমাধ্যম পপির পুরোনো বক্তব্যের কার্ড বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে। সেখানে পপির বক্তব্যটি ছিল ‘যতটুকু পাপ কামাইছি, সব ধুয়েমুছে সুন্দরভাবে মরতে চাই। আর যে কয় দিন বাঁচব, হেদায়েতের জন্য আল্লাহ-খোদার নাম করে যাব। এমন বক্তব্যের পর অনেকে ধরে নেন, পপি অভিনয় ছাড়ার কারণ হিসেবে এমন মন্তব্য করেছেন।

নিজেকে নিয়ে এমন সমালোচনা তৈরি হওয়ায় অবশেষে মুখ খুললেন পপি।

পপি বলেন, ‘আমি কিন্তু আমার ব্যক্তব্যে একবারের জন্যও বলিনি যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে পাপ করেছি। মানুষ কি তার নিজের পাপের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় না? আমরা তো জেনে না জেনে পাপ করি, সেসব পাপের জন্য কি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া যাবে না? আমার পাপের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে যদি স্বামী-সংসার নিয়ে ভালো থাকতে পারি, সেটা তো অন্যায় কিছু নয়।

স্বামী-সংসার নিয়ে ভালো আছেন জানিয়ে পপি বলেন, জীবনের প্রয়োজনে সিনেমা থেকে সরে এসেছি। আমার স্বামী আদনান আমাকে ভীষণভাবে আগলে রাখে। একমাত্র ছেলে আয়াতকে নিয়ে সময় কেটে যায়। সবার দোয়ায় আমাদের সুখের সংসার।

পপি অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল ‘ডাইরেক্ট অ্যাটাক’। আরও কয়েকটি সিনেমায় শুটিং শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত আর সময় দিতে পারেননি পপি।

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও মডেল সাদিকা পারভিন পপির জন্ম ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯। যিনি চিত্রনায়িকা পপি নামে পরিচিত।

তিনি ১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবরের ‘কুলি’ ছায়াছবিতে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে আবির্ভূত হন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে অন্যতম আবেদনময়ী এই অভিনেত্রী এ পর্যন্ত মেঘের কোলে রোদ, কি যাদু করিলা, গঙ্গাযাত্রা ছায়াছবিতে অভিনয়ের করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুস্কাররে ভূষিত হয়েছেন।

বিগত সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত চলছে: প্রধানমন্ত্রী

এখনই অবসর না, গল্প ভালো লাগলে অভিনয় করবো, নয়তো প্রযোজনা -পপি

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, বিগত সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত চলছে এবং তদন্তের রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে গতকাল বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গঠিত হওয়ার পর বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে কিছু অনিয়ম দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সেসব প্রকল্পকে তদন্তের অধীনে নেয়া হয়েছে এবং কয়েকটির ক্ষেত্রে মোটামুটিভাবে তদন্ত শেষ হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি সাধারণত একটিমাত্র কারণে হয় না, বরং একাধিক কারণ থাকে। প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, ক্রয় প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাপনার একাধিক দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই সমস্যা তৈরি করে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা সরকারের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর এ বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

জালিয়াতির অভিযোগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পদত্যাগ সায়মা ওয়াজেদের

এখনই অবসর না, গল্প ভালো লাগলে অভিনয় করবো, নয়তো প্রযোজনা -পপি

অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সায়মা ওয়াজেদ।

গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসুসের কাছে সায়মা ওয়াজেদ তার পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স সায়মা ওয়াজেদের পাঠানো পদত্যাগপত্র দেখে নিশ্চিত করেছে।

ডব্লিউএইচওর পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে চীনে ভ্রমণ সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়ম বা জালিয়াতির অভিযোগ এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য গোপণ বা ভুলভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এছাড়া বাংলাদেশের একটি প্লট বা জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ও তাঁর পদত্যাগপত্রে উঠে এসেছে, যা তিনি ডব্লিউএইচওতে যোগদানের আগেই বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী পেয়েছিলেন বলে দাবি করেন।

মহাপরিচালককে লেখা চিঠিতে সায়মা ওয়াজেদ উল্লেখ করেছেন, তিনি নিজ অঞ্চলের সেবা করার উদ্দেশ্যেই এই পদে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে মহাপরিচালক কর্তৃক তাঁর দায়িত্ব পালনে ধারাবাহিক বাধা সৃষ্টির কারণে নেতৃত্বের ওপর থেকে তিনি সম্পূর্ণ আস্থা হারিয়েছেন। পাশাপাশি গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিনা বেতনে ছুটিতে থাকার ফলে তাঁর আর্থিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছানোয় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।

সংস্থাটি ইতিমধ্যে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে। নতুন আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচনের লক্ষ্যে ডাব্লিউএইচও আগামী ১২ অক্টোবর নতুন প্রার্থীদের মনোনয়ন আহ্বান করতে পারে এবং ২০২৭ সালের ২৪ জানুয়ারি নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

২০২৪ সালের শুরুর দিকে পাঁচ বছরের মেয়াদে ডাব্লিউএইচও-এর দায়িত্ব গ্রহণ করলেও একই বছরের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হয়। ২০২৫ সালের মার্চে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাঁর বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা করে, যার পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তাঁকে প্রথম ছুটিতে পাঠানো হয়।

আহ্বায়ক সাইফুর সাগর-আহসান কামরুল-সদস্য সচিব

জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি’র আত্মপ্রকাশ

এখনই অবসর না, গল্প ভালো লাগলে অভিনয় করবো, নয়তো প্রযোজনা -পপি

‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি (জেজেইউ)’র আত্মপ্রকাশ । ছবি : সংগৃহীত

গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ও সমর্থক সাংবাদিকদের সংগঠন ‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি (জেজেইউ)’র আত্মপ্রকাশ হয়েছে। আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে নতুন এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়। ফেস দ্য পিপল এর সম্পাদক সাইফুর সাগর আহ্বায়ক এবং চ্যানেল আইয়ের আহসান কামরুল সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন।

১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলরুমে আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় শহীদ সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়র মা সামসিয়ারা জামান কমিটি ঘোষণা করেন।

প্রথমেই স্বাগত বক্তব্যে জেজেইউ’র সদস্য ও অনলাইন বাংলার সম্পাদক খোমেনি এহসান বলেন,: জেজেইউ এমন এক উদ্যোগ যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নির্ভয়ে সত্য বলার অধিকার নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, এ সংগঠনের অঙ্গীকার হলো হামলা, মামলা ও চাকরিচ্যুতির হুমকি যেন সাংবাদিকের কলম থামিয়ে দিতে না পারে সেটি নিশ্চিত করা। আমাদের অবস্থান সাংবাদিকতার স্বাধীনতার পক্ষে, পেশাগত মর্যাদার পক্ষে এবং জনগণের জানার অধিকারের পক্ষে।

আয়োজনে বক্তব্য রাখেন,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান,ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম ইলিয়াস,আলোকচিত্রী শহীদুল আলম,শহীদ জাবির ইব্রাহিমের বাবা কবির হোসেন,এবং শহীদ সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়র মা সামসিয়ারা জামান এবং জেজেইউ’র যুগ্ম আহ্বায়ক তালুকদার রুমি। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, জুলাই শহীদ পরিবারসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আহ্বায়ক সাইফুর সাগর বলেন: জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি (জেজেইউ) সময়ের প্রয়োজনে তৈরি হয়েছে। জুলাইপন্থী সব সাংবাদিকের জন্য এটি উন্মুক্ত। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে রাখতে জুলাইয়ের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেছেন, অন্যদের সমালোচনা করার আগে আমাদের নিজেদের আত্মসমালোচনা করতে হবে। আমরা যেন পূর্ববর্তীদের মতো না হয়ে যাই। এজন্য কেউ আহত হয় এমন কথার বদলে লোম দাঁড়িয়ে যাওয়া নাটক-সিনেমা-গানসহ সৃষ্টিশীল কাজ করতে হবে।

ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম ইলিয়াস বলেছেন, সাংবাদিকদের অংশগ্রহণ ছাড়া অভ্যুত্থান সম্ভব ছিল না। ক্ষুদ্র অংশ হলেও তাদের সমর্থন ছিল। দলান্ধতার বদলে তাদেরকে এখনও দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে।

আলোকচিত্রী শহীদুল আলম বলেছেন, প্রেসক্লাবে শেখ হাসিনার ছবি সাংবাদিকরাই ঝুলিয়েছিল। এখনও যাতে একই ধরনের কাজ না হয়। দেশের মানুষের জন্য নিরপেক্ষভাবে সাংবাদিকতা করতে হবে, যাতে সরকার পরিবর্তন হলে সাংবাদিকদের পালিয়ে যেতে না হয়।

জেজেইউ’র সদস্য সচিব আহসান কামরুল বলেন: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংবাদমাধ্যম সঠিক ভূমিকা রাখতে না পারলেও এখনো গণমাধ্যমের কাছে মানুষের কাছে প্রত্যাশা রয়েছে। সেই প্রত্যাশা পূরণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যেই আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। আমরা স্বাধীন সাংবাদিকতা চাই, তবে জুলাই গণহত্যাকারীদের পক্ষে যেন কেউ ন্যারেটিভ তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়েও আমরা কাজ করব।

জেজেইউ’র যুগ্ম আহ্বায়ক তালুকদার রুমি বলেন, ফ্যাসিবাদের সময়েও বহু সাংবাদিক আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। তারা সেসময়ে বঞ্চিত ছিল, এখনও বঞ্চিত। জুলাইয়ের সাংবাদিকদের ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জেজেইউ কাজ করে যাবে। দেরিতে হলেও এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হওয়ায় তারা আশা প্রকাশ করেন। তবে চরম শত্রুও যেন অন্যায়ের শিকার না হন, সেটিও খেয়াল রাখতে হবে।

আহ্বায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান বাদল-প্রকাশক, দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি; তালুকদার রুমী-সম্পাদক, দৈনিক পাঞ্জেরী, মাহমুদ রাকিব-এখন টিভি, আকতার হাবীব-প্রতিবেদক, চ্যানেল আই, শিমুল পারভেজ-দ্য নিউ নেশন, রিয়াজুর রহমান রিয়াজ-ডেইলি ইন্ডাস্ট্রি, ইসরাফিল ফরাজী-দৈনিক জনকণ্ঠ।

যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন আবদুর রহিম-দৈনিক জনকণ্ঠ, কেফায়েত শাকিল-বাংলাভিশন, নুরুল ইসলাম খান মামুন-ভিওডি বাংলা, ওবায়দুর রহমান-ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট, একেএম রেজাউল করিম-ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট, আশ্রাফ ফারুকী-অগ্রযাত্রা প্রতিদিন, নিজাম উদ্দিন দরবেশ-দৈনিক বর্তমান, রহমতুল্লাহ-দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ।

সদস্য হিসেবে রয়েছেন : খোমেনি এহসান-সম্পাদক, অনলাইন বাংলা, আল ইমরান-এটিএন বাংলা, অন্তু মোজাহিদ-এশিয়া পোস্ট, জালাল আহমেদ-দৈনিক যায়যায়দিন, রাকেশ রহমান-ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট, সাজ্জাদ হোসেন-সোনালী নিউজ, ফখরুল ইসলাম-মাল্টিমিডিয়া হেড, দৈনিক ইত্তেফাক, আবু বকর সিদ্দিক-আরটিএনএন, মিফতাহুল জান্নাত-দৈনিক মানবজমিন, ফারজানা ববি-বাংলানিউজ, তাসবির ইকবাল-বাংলাদেশ টাইমস, মোর্শেদুল আলম-নতুন আশা, কেফায়েত রুমী-দেশ রূপান্তর, মেহেদী হাসান বাপ্পি-দেশ টিভি, রাশেদ মানিক-চ্যানেল আই, ওমর ফারুক-বাংলাভিশন, এইচএম ইমরান হোসেন-স্টার নিউজ ও মেহরাজ রাব্বি-আজাদ বাণী।

×