শিরোনাম:

মোদির নৈশভোজে যোগ দেননি জিনপিং, জানা গেল নেপথ্যের কারণ

মোদির নৈশভোজে যোগ দেননি জিনপিং, জানা গেল নেপথ্যের কারণ

ব্রিকস সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং । ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ সাত বছর পর ভারত সফরে এসে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সম্মেলনের ফাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেছেন তিনি। তবে রাতে রাষ্ট্রনেতাদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রী মোদি আয়োজিত নৈশভোজে দেখা যায়নি শি জিনপিংকে। তার এই অনুপস্থিতি ঘিরে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার পরপরই তড়িঘড়ি করে সরাসরি বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ২০২০ সালের গালওয়ান সীমান্ত সংঘর্ষের দীর্ঘ অচলাবস্থা পেরিয়ে সাত বছরের মধ্যে এটিই ছিল চীনা রাষ্ট্রপ্রধানের প্রথম ভারত সফর।

শনিবার ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে ভারতের রাজধানীতে পৌঁছান শি জিনপিং। সফরকালে চীনের প্রেসিডেন্ট কেবলমাত্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেই একমাত্র আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন।

সফর চলাকালে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নয়াদিল্লির অভিজাত হোটেল ‘তাজ প্যালেস’-এ অবস্থান করেন। তার উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে হোটেলটিকে ‘নো-ফ্লাই জোন’ বা বিমান চলাচল নিষিদ্ধ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

পাশাপাশি সেখানে মোতায়েন ছিল একাধিক সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট এবং বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড। কড়া তল্লাশি ও কঠোর নিরাপত্তার অংশ হিসেবে হোটেলের সব কক্ষ আগেই সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল।

তবে সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত নৈশভোজে চীনা প্রেসিডেন্ট অনুপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে অন্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে মধ্যমণি করে যৌথ ছবি তোলার পর মূল অধিবেশনে অংশ নেন শি জিনপিং। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘এই সংঘাত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ স্বার্থের পক্ষে নয়।’

এই শীর্ষ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

চলতি বছর ভারতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বরের এই ব্রিকস সম্মেলনটি বিশ্ব ভূরাজনীতিতে ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা জোটের অভ্যন্তরীণ ঐক্যে কিছুটা মতভেদের সৃষ্টি করেছিল।

এর আগে, অনুষ্ঠিত ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন যৌথ বিবৃতি ছাড়াই শেষ হলেও ভারত একটি ‘চেয়ারস স্টেটমেন্ট’ প্রকাশ করে। তবে দিল্লির মূল সম্মেলনে গভীর বিভেদ দূর করে সদস্য রাষ্ট্রগুলো একটি সামগ্রিক যৌথ বিবৃতি দিতে সক্ষম হয়।

বর্তমানে ১১ সদস্যে সম্প্রসারিত ব্রিকস জোট বিশ্ব অর্থনীতি ও জনসংখ্যার একটি বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করছে।এর মধ্যে যদিও ভারতের আপত্তির কারণে জোটটিতে পাকিস্তানের সদস্যপদ পাওয়ার আবেদন স্থগিত রয়েছে।

নয়াদিল্লি সম্মেলন থেকে অপ্রচলিত নিরাপত্তা ঝুঁকি, বাণিজ্য ও বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো নিয়ে বিশদ আলোচনার পাশাপাশি বৈশ্বিক লেনদেনে ‘সুইফট’-এর বিকল্প এবং সদস্য দেশগুলোর নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ হওয়ার পর রোববার বিকেলে নিজের কর্মসূচি সম্পন্ন করে চীন অভিমুখে রওনা হন শি জিনপিং, যা পরবর্তী বছর বেইজিংয়ের ব্রিকস প্রেসিডেন্সি গ্রহণের প্রস্তুতি ও ভারত-চীন কৌশলগত সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত বহন করছে।

তবে সব ধোঁয়াশা উড়িয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সময়ের পার্থক্য, ক্লান্তি ও দীর্ঘ ভ্রমণের কারণে নৈশভোজে যোগ দেননি শি জিনপিং।

বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী শেভরন

মোদির নৈশভোজে যোগ দেননি জিনপিং, জানা গেল নেপথ্যের কারণ

বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মার্কিন বহুজাতিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান শেভরন (Chevron)। একই সঙ্গে দেশের বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতেও তারা বিনিয়োগ বাড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শেভরনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাতে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিষ্ঠানটির বেস অ্যাসেটস ও উদীয়মান দেশবিষয়ক প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার লা রোসার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

সাক্ষাতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দেশে বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনের বিনিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শু শিয়ংসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তারেক আনন্দ’র ‘প্রিয় কবিতা’ নিয়ে আসছে সংগীতশিল্পী তামিম ইসলাম

মোদির নৈশভোজে যোগ দেননি জিনপিং, জানা গেল নেপথ্যের কারণ

তারেক আনন্দ, আতিয়া আনিসা ও তামিম ইসলাম ।। ছবি : সংগৃহীত

গীতিকার আর সঙ্গীতশিল্পীর জুটির সাফল্যের সংবাদ আমাদের সংগীত ভূবনে বিরল নয়। তারই ধারাবাহিকতায় এসময়ের জনপ্রিয় গীতিকার তারেক আনন্দ ও সংগীত শিল্পী তামিম ইসলাম নিয়ে এসেছে অবন্তী সিঁথির সঙ্গে তাদের দ্বৈত গান ‘প্রিয় কবিতা’।

সংগীতশিল্পী তামিম ইসলাম গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত গান প্রকাশ করছেন। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি দ্বৈত গান প্রকাশের মধ্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন তিনি। ইতিপূর্বে কণ্ঠশিল্পী কনার সঙ্গে ‘ঠোঁটপেন্সিল’, নিশ্চুপ বৃষ্টির সঙ্গে ‘ঘুম ঘুম চোখ’, নদীর সঙ্গে ‘মিশে আছি দুজনেই’ এবং আতিয়া আনিসার সঙ্গে ‘অবহেলা’ গান করে জনপ্রিয়তা পেয়েছে তামিম।

এবার প্রকাশ পেল তারেক আনন্দ’র লেখায় অবন্তী সিঁথির সঙ্গে তামিমের নতুন দ্বৈত গান ‘প্রিয় কবিতা’। তারেক আনন্দ’র গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন তামিম নিজেই। গানটি শোনা যাচ্ছে তামিম ইসলামের ইউটিউব চ্যানেলে।

সংগীতশিল্পী তামিম ইসলাম নতুন গান নিয়ে বলেন, ‘আমার ইতিপূর্বে প্রকাশিত গানগুলোর জন্য শ্রোতাদের কাছ থেকে প্রচুর ভালোবাসা ও প্রশংসা পেয়েছি। এবার অবন্তী সিঁথি’র সঙ্গে গাইলাম তারেক আনন্দ ভাইর গান। আমি নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

তাঁর চমৎকার গায়কির সঙ্গে মিলিয়ে গানটি ইতিমধ্যে সবার পছন্দ তালিকায় চলে এসেছে।’

ছায়ানট থেকে নজরুলসংগীতের কোর্স সম্পন্ন করা তামিম সংগীতে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বলেন, প্রিয় কবিতার মত ভালো গান পেলে নিয়মিত গান করে যেতে চান। তার নিজে স্টুডিওতে রয়েছে সংগীতের নানা আয়োজন।

তামিম জানান, নিজের সুরে এ পর্যন্ত প্রায় ৪০টি গান করেছেন। সব মিলিয়ে তাঁর প্রকাশিত গানের সংখ্যা প্রায় ৭০টি। সংগীতে আরও এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন দেখেন এই শিল্পী।

গীতিকার তারেক আনন্দ বলেন, গানটা লেখার পরপরই মনে হয়েছিল গানটা তামিমের কন্ঠে ভালো যাবে। তামিমের সুর ও মিউজিকে গানটি প্রাণ পেয়েছে।

তারেক আরও বলেন , আমার আরও আনন্দ লাগছে তামিমের ইউটিউবে গানটি প্রকাশ হওয়ার পর অনেকেই আমাকে ব্যক্তিগত ভাবেই প্রশংসা করছে , শিল্পীরা গান চাইছে।

‘কোন সীমান্ত, কোন ডিসেম্বরে আসবেন পরিষ্কার করুন’

মোদির নৈশভোজে যোগ দেননি জিনপিং, জানা গেল নেপথ্যের কারণ

জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোন সীমান্ত ও কোন ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন তা পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে উত্তরাঞ্চল জাতীয়তাবাদী ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনার উদ্দেশে দুলু বলেন, “কোন ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবেন, তা পরিষ্কার করুন। ২০৩০ সালের ডিসেম্বর, নাকি ২০৫০ সালের ডিসেম্বর—তা পরিষ্কার করুন।” পাশাপাশি তিনি কোন সীমান্ত ব্যবহার করে দেশে ফিরবেন, সে বিষয়েও ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা কোন সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরবেন, সে ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দুলু বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে দুই হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। ছাত্র-জনতা, জুলাইযোদ্ধা এবং গত ১৭ বছরে গুম-খুনের শিকার পরিবারসহ আমরা সবাই আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।’

দুলু বলেন, ‘গত ১৭ বছরের প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। এবার আপনাকে কাশিমপুর কারাগারে যেতে হবে। বাংলাদেশের মানুষের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

হুইপ বলেন, হুমকি-ধমকি দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গত ছয় মাসের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে দুলু বলেন, নির্বাচনের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সকাল ৯টা থেকে রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত কাজ করছেন। তার কোনো প্রটোকল নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

দুলু বলেন, স্বাধীনতার পর তিনিই একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যিনি সরকারি নিয়মনীতি ও প্রটোকলের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। অতীতে প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সময় সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় অপেক্ষা করতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে দুলু আরও বলেন, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ড দেওয়া হচ্ছে। অসহায় নারীদের জন্য চালু হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী দেওয়ার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।

গত ছয় মাসে কোনো ব্যক্তি গুম হননি বলেও দাবি করেন হুইপ। তার ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ভয় দেখিয়ে আটক করে গুম করার ঘটনাও ঘটেনি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটি বিধ্বস্ত দেশকে নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়ার মধ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। গ্যাস, বিদ্যুৎসহ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে এবং ধীরে ধীরে এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রসঙ্গ টেনে দুলু বলেন, ‘নামাজের সময় একটি মিছিল করেছে। ওরা নামাজও পড়ে না, আল্লাহকেও বিশ্বাস করে না।’

×