শিরোনাম:

বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দঘন দিন উদযাপন

বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দঘন দিন উদযাপন

১ অক্টোবর বিশ্ব প্রবীণ দিবস উপলক্ষে পরিবার বিচ্ছিন্ন ও একাকী জীবন কাটানো প্রবীণ মানুষদের মুখে ক্ষণিকের জন্য হলেও হাসির ঝিলিক ফুটিয়ে তোলা এবং প্রজন্মের সঙ্গে প্রজন্মের একটি সুদৃঢ় হৃদয়ের সেতুবন্ধন তৈরি করায় বসুন্ধরা শুভসংঘের এই আয়োজন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোলার নিজাম-হাসিনা বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের সাথে একটি অত্যন্ত মানবিক ও আনন্দঘন দিন উদযাপন  বসুন্ধরা শুভসংঘ এই আয়োজন করেছিল।

শুভসংঘের তরুণ সদস্যরা বৃদ্ধাশ্রমের প্রবীণ বাসিন্দাদের পাশে বসেন, তাঁদের হাত জড়িয়ে ধরেন এবং অত্যন্ত মনোযোগ ও শ্রদ্ধার সাথে তাঁদের জীবনের গল্প, সুখ-দুঃখ ও স্মৃতিচারণ শোনেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সভাপতি মো. শাফায়াত হোসেন বলেন, ‘বৃদ্ধাশ্রমের প্রবীণদের নিয়ে আনন্দঘন দিন উদযাপন আমাদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়; এটি আমাদের দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা ও মানবিকতার ছোট্ট একটি প্রকাশ। একসময় যাঁরা আমাদের হাত ধরে হাঁটতে শিখিয়েছেন, আজ তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে কয়েকটি মুহূর্ত কাটাতে পারা আমাদের জন্য বড় সৌভাগ্যের। তাঁদের জীবনের শূন্যতার পাশে যদি আমরা সামান্য ভালোবাসা নিয়ে দাঁড়াতে পারি, সেটুকুই আমাদের সার্থকতা।

বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা মো. ফারুক আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘আমাদের জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় আপনজনের সঙ্গ। ওরা এসে আমাদের সঙ্গে সময় কাটায়, কথা বলে এটাই আমাদের কাছে অনেক বড় আনন্দ।’ এই কথার মধ্যেই যেন লুকিয়ে ছিল পুরো আয়োজনের সার্থকতা।

একজন প্রবীণের মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলার জন্য হয়তো বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু একটু সময়, একটু মনোযোগ আর আন্তরিকতা। ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের এই আয়োজন সেই সহজ সত্যটিকেই যেন নতুন করে সামনে নিয়ে এলো।

আয়োজনের শুরুতেই কেউ প্রবীণের পাশে বসে হাত ধরেছেন, কেউ মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন তাঁদের জীবনের গল্প। আর প্রবীণদের চোখেমুখে ছিল দীর্ঘদিন পর পাওয়া আপনজনের সান্নিধ্যের আনন্দ।

দিন শেষে যখন বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা বিদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন অনেক প্রবীণের চোখেমুখে ছিল মায়া। কেউ আবার পরের বার কবে আসবেন, সেই অপেক্ষার কথাও জানান। বিদায়ের মুহূর্তে তৈরি হওয়া সেই টানই বলে দেয়, কয়েক ঘণ্টার এই আয়োজন তাঁদের কাছে কতটা মূল্যবান ছিল।

ভোলার বৃদ্ধাশ্রমে বসুন্ধরা শুভসংঘের এই আয়োজন তাই শুধু একটি সামাজিক কর্মসূচি নয়; এটি ছিল প্রজন্মের সঙ্গে প্রজন্মের হৃদয়ের সেতুবন্ধন। ছিল শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও মানবিকতার এক সুন্দর প্রকাশ।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সভাপতি মো. শাফায়াত হোসেন (সিয়াম) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংঘের জেলা শাখার উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের ভোলা জেলা প্রতিনিধি ইকরামুল আলম, নিউজ টোয়েন্টিফোরের ভোলা জেলা প্রতিনিধি মো. মঞ্জুর আলম।

আরও উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মীর আবিদ হোসেন রাফি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহামুদুর রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস মিথিলা, দপ্তর সম্পাদক নুর ফাতেমা, সহ দপ্তর সম্পাদক আরিয়ান আহমেদ রকি, অর্থ সম্পাদক সাফা ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান জামী, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক নুসরাত জাহান, কার্যকরী সদস্য লাইজু আক্তার, মো. রাসেল সহ বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা।

সুস্থ্য হয়ে উঠছেন ইলিয়াস কাঞ্চন, নিতে হচ্ছে না কেমোথেরাপি

বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দঘন দিন উদযাপন

দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করে লন্ডনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চললেও আগের থেকে তিনি অনেক ভালো আছেন।

লিটন এরশাদ নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ইলিয়াস কাঞ্চনের শারিরীক অবস্থা সম্পর্কে থার্ডআই অনলাইনকে আজ ২৫ অক্টোবর দুপুরে এই সুসংবাদ জানান।

লিটন এরশাদ বলেন, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’  প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনকে এখন আর কেমোথেরাপি নিতে হচ্ছে না। আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহর ইচ্ছায় কাঞ্চন ভাই আগের চেয়ে অনেক অনেক ভালো আছেন।

প্রায় ১০ মাসের চিকিৎসা নিয়ে গত আগস্টে দেশে ফিরেছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। দিন সাতেক দেশে ছিলেন। ফিরে যাওয়ার পর তার কেমোথেরাপি নেওয়ার কথা থাকলেও সেটা আর লাগছে না।

লিটন এরশাদ আরও বলেন, কাঞ্চন ভাইয়ের ইমিনিউ থেরাপি দেয়ার কথা ছিল। এখন শুধু ঔষধের উপরই চলছে। কথাবার্তায় জড়তা অনেকটা কেটে যাচ্ছে। হাঁটাচলায় তিনি আগের চেয়ে অনেক স্বাভাবিক হয়ে আসছে।

ইলিয়াস কাঞ্চন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক কালজয়ী অভিনেতা এবং সমাজসেবক। রূপালী পর্দার জনপ্রিয় এই নায়ক দীর্ঘ তিন দশক ধরে ঢালিউড মাতিয়েছেন এবং পরবর্তীতে নিজের ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডিকে রূপ দিয়েছেন দেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক আন্দোলন ‘নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’ গড়ে তোলেন্।

থার্ডআই নিউজ পরিবার এই বরেণ্য শিল্পীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছে।

দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আজ চালু হচ্ছে রিয়াদ বিমানবন্দর

বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দঘন দিন উদযাপন

ছবি : সংগৃহীত

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রাণঘাতী হামলার কারণে টানা দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর, আজ রোববার ২৫ অক্টোবর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুনরায় চালু হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর বিমানবন্দরটিতে হুথিদের ভয়াবহ হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অন্তত ১৮ জন নিহত হওয়ার পর এর কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর আজ থেকে নতুন টার্মিনাল বিন্যাসে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে।

এক পোস্টে কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৫ অক্টোবর থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-১ এবং সৌদি এয়ারলাইনস পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-২ ব্যবহার করা হবে।

এর আগে গত দুই সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে একাধিকবার হামলা চালানোর খবর পাওয়া যায়। এসব হামলায় বিমানবন্দরটিতে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া দাম্মামের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলায় আরও অন্তত পাঁচজনের প্রাণহানির তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে ফ্লাইট চলাচলের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও যাত্রাসংক্রান্ত নির্দেশনা জানতে যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বিমানবন্দরটি আজ পুনরায় চালু করা হলেও নিরাপত্তা শঙ্কা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। বিমানবন্দর খোলার এই দিনটিতেও (রোববার) রিয়াদ লক্ষ্য করে হুথিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি রিয়াদ বিমানবন্দরকে এখনও তাদের জন্য “সামরিক লক্ষ্যবস্তু” ও “অনিরাপদ” হিসেবে উল্লেখ করে সব আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাকে এটি ব্যবহার না করার সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের আবাসিক ক্যাম্প

বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দঘন দিন উদযাপন

আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে আজ (২৫ অক্টোবরথেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের আবাসিক ক্যাম্প।

আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আবাসিক ক্যাম্পের জন্য জড়ো হন ফুটবলাররা।

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের এই আসরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি ও বর্তমান প্রধান কোচ থমাস ডুলির অধীনে ডাক পাওয়া প্রাথমিক দলের খেলোয়াড়রা ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে এই ক্যাম্পের জন্য রিপোর্ট করেছেন।

প্রথম দিনেই মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সব খেলোয়াড় এবং ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা ডিফেন্ডার তপু বর্মন ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া ফরোয়ার্ড ফয়সাল আহমেদ ফাহিমও টিম হোটেলে রিপোর্ট করেছেন।

থমাস ডুলির ডাকা এই ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দলে ২১ জন দেশের অভ্যন্তরীণ লিগের এবং ৭ জন প্রবাসী ফুটবলার রয়েছেন।

ক্যাম্প শুরুর প্রথম দিনেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পক্ষ থেকে দলে শৃঙ্খলার ব্যাপারে কড়া বার্তা এবং ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে আসেননি শুকি ইতোফোসা। ফর্টিস এফসির দলের সঙ্গে গতকাল রাতেই ঢাকা এলেও এখন পর্যন্ত দলের সঙ্গে যোগ দেননি জাপান বংশোদ্ভুত এই ফুটবলার। ধারণা করা হচ্ছে, বিকেল নাগাদ ক্যাম্পে রিপোর্ট করবেন তারা।

×