শিরোনাম:

প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না: হাইকোর্ট

প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না: হাইকোর্ট

অকাট্য প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায় না বলে রায় দিয়েছেন বাংলাদেশের হাইকোর্ট। আদালত পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে একজন নির্দোষ ব্যক্তিও পুলিশি হয়রানি এড়াতে পালিয়ে থাকতে পারেন।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর একক হাইকোর্ট বেঞ্চের দেওয়া এই রায়টি প্রকাশিত ।

অকাট্য প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায় না। কেননা নির্দোষ ব্যক্তিও পুলিশি হয়রানি এড়াতে পালিয়ে থাকতে পারে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দিয়েছেন। সোমবার ১২ অক্টোবর, সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটে এ রায় প্রকাশিত হয়েছে।

ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে নিম্ন আদালতে ৩ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত ছাতক উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের সাবেক রেকর্ড কিপার নীল বরণ ত্রিপুরাকে খালাস দিয়ে এ রায়ে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রায়ে বলা হয়, দাপ্তরিক রেকর্ডে অনিয়ম বা ভুয়া নোটিশ ইস্যুর ঘটনা আসামির বিরুদ্ধে গভীর সন্দেহ সৃষ্টি করতে পারে, তবে আইনি মানদণ্ড অনুযায়ী গুরুতর সন্দেহ কখনোই সন্দেহাতীত প্রমাণের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে না।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, আসামি নীল বরণ ত্রিপুরা ১৯৯১ সালের ৯ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে রেকর্ড কিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন । পরে তিনি বগুড়া জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে বদলি হন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি কর্মকর্তা ও সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া আপিল নম্বর, নোটিশ ও রসিদ ইস্যু করেন।

এছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন—এমন অভিযোগে ২০১০ সালের ১৪ এপ্রিল ছাতক থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত শেষে আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হলে ২০২২ সালের ৩০ মার্চ সিলেটের বিশেষ জজ আদালত আসামিকে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিলের পর গত ১৪ সেপ্টেম্বর তিনি খালাস পান। রায়ে আদালত বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীরা আসামির বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের দাবি করলেও আদালতে অর্থদেওয়ার সুনির্দিষ্ট তারিখ, সময়, স্থান বা অর্থের সঠিক পরিমাণ প্রমাণ করতে পারেননি।

এছাড়া এজাহারে উল্লিখিত অভিযোগের সঙ্গে আদালতে দেওয়া মৌখিক সাক্ষ্যের অসঙ্গতি রয়েছে। মূল সাক্ষীকে আদালতে পরীক্ষা করা হয়নি। মূল সাক্ষীকে বাদ দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে শোনা কথা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে জানান আদালত।

সুস্থ্য হয়ে উঠছেন ইলিয়াস কাঞ্চন, নিতে হচ্ছে না কেমোথেরাপি

প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না: হাইকোর্ট

দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করে লন্ডনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চললেও আগের থেকে তিনি অনেক ভালো আছেন।

লিটন এরশাদ নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ইলিয়াস কাঞ্চনের শারিরীক অবস্থা সম্পর্কে থার্ডআই অনলাইনকে আজ ২৫ অক্টোবর দুপুরে এই সুসংবাদ জানান।

লিটন এরশাদ বলেন, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’  প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনকে এখন আর কেমোথেরাপি নিতে হচ্ছে না। আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহর ইচ্ছায় কাঞ্চন ভাই আগের চেয়ে অনেক অনেক ভালো আছেন।

প্রায় ১০ মাসের চিকিৎসা নিয়ে গত আগস্টে দেশে ফিরেছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। দিন সাতেক দেশে ছিলেন। ফিরে যাওয়ার পর তার কেমোথেরাপি নেওয়ার কথা থাকলেও সেটা আর লাগছে না।

লিটন এরশাদ আরও বলেন, কাঞ্চন ভাইয়ের ইমিনিউ থেরাপি দেয়ার কথা ছিল। এখন শুধু ঔষধের উপরই চলছে। কথাবার্তায় জড়তা অনেকটা কেটে যাচ্ছে। হাঁটাচলায় তিনি আগের চেয়ে অনেক স্বাভাবিক হয়ে আসছে।

ইলিয়াস কাঞ্চন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক কালজয়ী অভিনেতা এবং সমাজসেবক। রূপালী পর্দার জনপ্রিয় এই নায়ক দীর্ঘ তিন দশক ধরে ঢালিউড মাতিয়েছেন এবং পরবর্তীতে নিজের ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডিকে রূপ দিয়েছেন দেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক আন্দোলন ‘নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’ গড়ে তোলেন্।

থার্ডআই নিউজ পরিবার এই বরেণ্য শিল্পীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছে।

দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আজ চালু হচ্ছে রিয়াদ বিমানবন্দর

প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না: হাইকোর্ট

ছবি : সংগৃহীত

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রাণঘাতী হামলার কারণে টানা দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর, আজ রোববার ২৫ অক্টোবর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পুনরায় চালু হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর বিমানবন্দরটিতে হুথিদের ভয়াবহ হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অন্তত ১৮ জন নিহত হওয়ার পর এর কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর আজ থেকে নতুন টার্মিনাল বিন্যাসে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে।

এক পোস্টে কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৫ অক্টোবর থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-১ এবং সৌদি এয়ারলাইনস পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল-২ ব্যবহার করা হবে।

এর আগে গত দুই সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে একাধিকবার হামলা চালানোর খবর পাওয়া যায়। এসব হামলায় বিমানবন্দরটিতে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া দাম্মামের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলায় আরও অন্তত পাঁচজনের প্রাণহানির তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে ফ্লাইট চলাচলের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও যাত্রাসংক্রান্ত নির্দেশনা জানতে যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বিমানবন্দরটি আজ পুনরায় চালু করা হলেও নিরাপত্তা শঙ্কা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। বিমানবন্দর খোলার এই দিনটিতেও (রোববার) রিয়াদ লক্ষ্য করে হুথিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি রিয়াদ বিমানবন্দরকে এখনও তাদের জন্য “সামরিক লক্ষ্যবস্তু” ও “অনিরাপদ” হিসেবে উল্লেখ করে সব আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাকে এটি ব্যবহার না করার সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের আবাসিক ক্যাম্প

প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না: হাইকোর্ট

আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে আজ (২৫ অক্টোবরথেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের আবাসিক ক্যাম্প।

আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আবাসিক ক্যাম্পের জন্য জড়ো হন ফুটবলাররা।

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের এই আসরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি ও বর্তমান প্রধান কোচ থমাস ডুলির অধীনে ডাক পাওয়া প্রাথমিক দলের খেলোয়াড়রা ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে এই ক্যাম্পের জন্য রিপোর্ট করেছেন।

প্রথম দিনেই মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সব খেলোয়াড় এবং ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা ডিফেন্ডার তপু বর্মন ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া ফরোয়ার্ড ফয়সাল আহমেদ ফাহিমও টিম হোটেলে রিপোর্ট করেছেন।

থমাস ডুলির ডাকা এই ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দলে ২১ জন দেশের অভ্যন্তরীণ লিগের এবং ৭ জন প্রবাসী ফুটবলার রয়েছেন।

ক্যাম্প শুরুর প্রথম দিনেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পক্ষ থেকে দলে শৃঙ্খলার ব্যাপারে কড়া বার্তা এবং ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে আসেননি শুকি ইতোফোসা। ফর্টিস এফসির দলের সঙ্গে গতকাল রাতেই ঢাকা এলেও এখন পর্যন্ত দলের সঙ্গে যোগ দেননি জাপান বংশোদ্ভুত এই ফুটবলার। ধারণা করা হচ্ছে, বিকেল নাগাদ ক্যাম্পে রিপোর্ট করবেন তারা।

×