শিরোনাম:

জাকসুর ২৫ পদে ২০টি পেয়ে শিবিরের নিরঙ্কুশ জয়

জাকসুর ২৫ পদে ২০টি পেয়ে শিবিরের নিরঙ্কুশ জয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের পর এবার জাকসুতেও নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। জাকসুর ২৫টি পদের মধ্যে ভিপি, তিনটি সম্পাদকীয় ও একটি কার্যকরী সদস্যপদ ছাড়া বাকি ২০টি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল নিরুঙ্কুশ জয়লাভ করেছে। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ২৮ পদের ২৩টিতেই জয়লাভ করে শিবির-সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট।

আজ (শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন কমিশন ফল ঘোষণা করে। এতে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী প্যানেলের আব্দুর রশিদ জিতু। নির্বাচনে তিনি ৩ হাজার ৩৩৪টি ভোট পেয়েছেন।

জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে ছাত্রশিবির প্যানেল সমর্থিত শিক্ষার্থী জোটের মাজহারুল ইসলাম ও এজিএস পদে (পুরুষ) ছাত্রশিবির প্যানেলের ফেরদৌস আল হাসান নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে মাজহারুল পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৩০ ভোট আর ফেরদৌস ভোট পেয়েছেন ২ হাজার ৩৫৮টি।

এছাড়া নারী এজিএস পদে ছাত্রশিবির প্যানেল থেকে আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা নির্বাচিত হয়েছে। তিনি ভোট পেয়েছেন ৩৪০২টি। আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার শুরুতে হল সংসদের ফল ঘোষণা করা হয়। একে একে ২১টি হল সংসদের ফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

একনজরে জাকসু নির্বাচনের ফল:
১. ভিপি- আব্দুর রশিদ জিতু (স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী প্যানেল), ভোট: ৩৩৩৪

২. জিএস- মো: মাজহারুল ইসলাম (শিবির প্যানেল) (৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল এই পদে), ভোট: ২৯৩০

৩. এজিএস (পুরুষ)- ফেরদৌস আল হাসান (শিবির প্যানেল), ভোট: ২৩৫৮

৪. এজিএস (নারী)- আয়েশা সিদ্দীকা মেঘলা (শিবির প্যানেল), ভোট: ৩৪০২

৫. শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক- আবু ওবায়দা ওসামা (শিবির প্যানেল), ভোট: ২৪২৮

৬. পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক- মো. শাফায়েত মীর (শিবির প্যানেল), ভোট: ২১১১

৭. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক- মো. জাহিদুল ইসলাম (শিবির প্যানেল), ভোট: ১৭০৯

৮. সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মহিবুল্লাহ শেখ জিসান (স্বতন্ত্র), ভোট: ২০১৮

৯. সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মো. রায়হান উদ্দীন (শিবির প্যানেল), ভোট: —

১০. নাট্য সম্পাদক- মো. রুহুল ইসলাম (শিবির প্যানেল), ভোট: ১৯২৯

১১. ক্রীড়া সম্পাদক-মাহমুদুল হাসান কিরন (স্বতন্ত্র), ভোট: ৫৭৭৮

১২. সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (নারী)- ফারহানা আক্তার লুবনা (শিবির প্যানেল), ভোট: ১৯৭৬

১৩. সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (পুরুষ)- মো. মাহাদী হাসান (শিবির প্যানেল), ভোট: ২১০৫

১৪. তথ্য প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক- মো. রাশেদুল ইসলাম লিখন (শিবির প্যানেল), ভোট: ২৪৩৬

১৫. সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক- আহসাব লাবিব (গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ-বাগছাস), ভোট: ১৬৯০

১৭. সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (পুরুষ)- মো. তৌহিদ হাসান (শিবির প্যানেল), ভোট: ২৪৪২

১৮. স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক- হুসনী মোবারক (শিবির প্যানেল), ভোট: ২৬৫৩

১৯. পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক- মো. তানভীর রহমান (শিবির প্যানেল), ভোট: ২৫১৯

২০. কার্যকরী সদস্য

পুরুষ-১: মো আলি চিশতী (বাগছাস)

পুরুষ-২: মো. আবু তালহা (শিবির প্যানেল)

পুরুষ-৩: তরিকুল ইসলাম (শিবির প্যানেল)

নারী-১: নাবিলা বিনতে হারুণ (শিবির প্যানেল), ভোট: ২৭০০

নারী-২: ফাবলিহা জাহান নাজিয়া (শিবির প্যানেল), ভোট: ২০৭৫

নারী-৩: নুসরাত জাহান ইমা (শিবির প্যানেল), ভোট: ৩০১৪

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল

জাকসুর ২৫ পদে ২০টি পেয়ে শিবিরের নিরঙ্কুশ জয়

আজকাল কয়েকটা রাজনৈতিক দল খুব জোর করে বলে সংস্কার সংস্কার। আরে জিয়াউর রহমানই সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন— এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ নিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, সব প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন। জিয়াউর রহমান বিএনপির কাছে আলোকবর্তিকার মতো। কৃষি, গবেষণা— সবখাতেই জিয়ার নাম খচিত আছে। তিনি দেশে কৃষি বিপ্লব করে তুলেছিলেন। অর্থনীতির ভীত মজবুদ করেছিলেন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

জাকসুর ২৫ পদে ২০টি পেয়ে শিবিরের নিরঙ্কুশ জয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে বিদেশের মানুষ বাংলাদেশকে চিনতো। যে গাছ ফল দেয়, সেই গাছেই মানুষ ঢিল মারে। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশ এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন আমরা চেষ্টা করছি সেভাবে দেশ পরিচালনা করতে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় সজাগ না থাকলে দেশ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ইশতেহার ছিল বিএনপির। সরকার গঠনের পর এই ইশতেহারে ৫২ শতাংশ মানুষের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। খাল খনন, শিক্ষা, শিল্পের বিপ্লব ইশতেহারে ছিল। সেই কাজগুলো করছি। জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রত্যেক খতকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছিলেন, সেই পথনির্দেশিকা অনুসরণ করে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক কাজগুলো সহযোগিতা করলেই সরকার সফল হবে। শুধু আমরা কাজ করলেই হবে না। তৃণমূল পর্যন্ত সব নেতাকর্মীর লক্ষ্যগুলো সফল করে জনগণের চোখে সফল সরকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে আহ্বান জানাই।

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

জাকসুর ২৫ পদে ২০টি পেয়ে শিবিরের নিরঙ্কুশ জয়

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ নিয়ে গত ৭৭ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ জনে। আজ রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৫৮৫ শিশুর মধ্যে ৯০ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর বাকি ৪৯৫ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সর্বমোট হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৮৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৪১ জন।

×