শিরোনাম:

নিউজ ফাইভ

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৭ ডেমো নিউজ ফাইভ

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৭ ডেমো নিউজ  ফাইভ

বালকদিগের সর্দার ফটিক চক্রবর্তীর মাথায় চট করিয়া একটা নূতন ভাবােদয় হইল; নদীর ধারে একটা প্রকাণ্ড শালকাষ্ঠ মাস্তুলে রূপান্তরিত হইবার প্রতীক্ষায় পড়িয়া ছিল; স্থির হইল, সেটা সকলে মিলিয়া গড়াইয়া লইয়া যাইবে।
যে ব্যক্তির কাঠ আবশ্যক-কালে তাহার যে কতখানি বিস্ময় বিরক্তি এবং অসুবিধা বােধ হইবে, তাহাই উপলব্ধি করিয়া বালকেরা এ প্রস্তাবে সম্পূর্ণ অনুমােদন করিল।
কোমর বাঁধিয়া সকলেই যখন মনােযােগের সহিত কার্যে প্রবৃত্ত হইবার উপক্রম করিতেছে এমন সময়ে ফটিকের কনিষ্ঠ মাখনলাল গম্ভীরভাবে সেই গুঁড়ির উপরে গিয়া বসিল; ছেলেরা তাহার এইরূপ উদার ঔদাসীন্য দেখিয়া কিছু বিমর্ষ হইয়া গেল।
একজন আসিয়া ভয়ে ভয়ে তাহাকে একটু-আধটু ঠেলিল, কিন্তু সে তাহাতে কিছুমাত্র বিচলিত হইল না; এই অকাল-তত্ত্বজ্ঞানী মানব সকল প্রকার ক্রীড়ার অসারতা সম্বন্ধে নীরবে চিন্তা করিতে লাগিল।
ফটিক আসিয়া আস্ফালন করিয়া কহিল, “দেখ, মার খাবি। এইবেলা ওঠ্‌।”
সে তাহাতে আরও একটু নড়িয়াচড়িয়া আসনটি বেশ স্থায়ীরূপে দখল করিয়া লইল।

এরূপ স্থলে সাধারণের নিকট রাজসম্মান রক্ষা করিতে হইলে অবাধ্য ভ্রাতার গণ্ডদেশে অনতিবিলম্বে এক চড় কষাইয়া দেওয়া ফটিকের কর্তব্য ছিল— সাহস হইল না। কিন্তু, এমন একটা ভাব ধারণ করিল, যেন ইচ্ছা করিলেই এখনি উহাকে রীতিমতো শাসন করিয়া দিতে পারে, কিন্তু করিল না; কারণ, পূর্বাপেক্ষা আর-একটা ভালাে খেলা মাথায় উদয় হইয়াছে, তাহাতে আর-একটু বেশি মজা আছে। প্রস্তাব করিল, মাখনকে সুদ্ধ ওই কাঠ গড়াইতে আরম্ভ করা যাক।
মাখন মনে করিল, ইহাতে তাহার গৌরব আছে; কিন্তু, অন্যান্য পার্থিব গৌরবের ন্যায় ইহার আনুষঙ্গিক যে বিপদের সম্ভাবনাও আছে, তাহা তাহার কিম্বা আর-কাহারও মনে উদয় হয় নাই।
ছেলেরা কোমর বাঁধিয়া ঠেলিতে আরম্ভ করিল— ‘মারে ঠেলা হেঁইয়াে, সাবাস জোয়ান হেঁইয়াে।’ গুড়ি এক পাক ঘুরিতে না-ঘুরিতেই মাখন তাহার গাম্ভীর্য গৌরব এবং তত্ত্বজ্ঞান -সমেত ভূমিসাৎ হইয়া গেল।
খেলার আরম্ভেই এইরূপ আশাতীত ফললাভ করিয়া অন্যান্য বালকেরা বিশেষ হৃষ্ট হইয়া উঠিল, কিন্তু ফটিক কিছু শশব্যস্ত হইল। মাখন তৎক্ষণাৎ ভূমিশয্যা ছাড়িয়া ফটিকের উপরে গিয়া পড়িল, একেবারে অন্ধভাবে মারিতে লাগিল। তাহার নাকে মুখে আঁচড় কাটিয়া কাঁদিতে কাঁদিতে গৃহাভিমুখে গমন করিল। খেলা ভাঙিয়া গেল।
ফটিক গােটাকতক কাশ উৎপাটন করিয়া লইয়া একটা অর্ধনিমগ্ন নৌকার গলুইয়ের উপরে চড়িয়া বসিয়া চুপচাপ করিয়া কাশের গােড়া চিবাইতে লাগিল।
এমন সময় একটা বিদেশী নৌকা ঘাটে আসিয়া লাগিল। একটি অর্ধবয়সী ভদ্রলােক কাঁচা গোঁফ এবং পাকা চুল লইয়া বাহির হইয়া আসিলেন। বালককে জিজ্ঞাসা করিলেন, “চক্রবর্তীদের বাড়ি কোথায়।”

বালক ডাঁটা চিবাইতে চিবাইতে কহিল, “ওই হােত্থা।” কিন্তু কোন্ দিকে যে নির্দেশ করিল, কাহারও বুঝিবার সাধ্য রহিল না।
ভদ্রলােকটি আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, “কোথা।”
সে বলিল, “জানি নে ?” বলিয়া পূর্ববৎ তৃণমূল হইতে রসগ্রহণে প্রবৃত্ত হইল। বাবুটি তখন অন্য লােকের সাহায্য অবলম্বন করিয়া চক্রবর্তীদের গৃহের সন্ধানে চলিলেন।
অবিলম্বে বাঘা বাগ্‌দি আসিয়া কহিল, “ফটিকদাদা, মা ডাকছে।”
ফটিক কহিল, “যাব না।”
বাঘা তাহাকে বলপূর্বক আড়কোলা করিয়া তুলিয়া লইয়া গেল; ফটিক নিষ্ফল আক্রোশে হাত পা ছুড়িতে লাগিল।
ফটিককে দেখিবামাত্র তাহার মা অগ্নিমূর্তি হইয়া কহিলেন, “আবার তুই মাখনকে মেরেছিস।”
ফটিক কহিল, “না, মারি নি।
“ফের মিথ্যে কথা বলছিস।”
কখ্‌খনাে মারি নি। মাখনকে জিজ্ঞাসা করো।”
মাখনকে প্রশ্ন করাতে মাখন আপনার পূর্ব নালিসের সমর্থন করিয়া বলিল, “হাঁ, মেরেছে।”
তখন আর ফটিকের সহ্য হইল না। দ্রুত গিয়া মাখনকে এক সশব্দ চড় কষাইয়া দিয়া কহিল, “ফের মিথ্যে কথা!”
মা মাখনের পক্ষ লইয়া ফটিককে সবেগে নাড়া দিয়া তাহার পৃষ্ঠে দুটা-তিনটা প্রবল চপেটাঘাত করিলেন। ফটিক মাকে ঠেলিয়া দিল।

মা চীৎকার করিয়া কহিলেন, “অ্যাঁ, তুই আমার গায়ে হাত তুলিস!”
এমন সময়ে সেই কাঁচাপাকা বাবুটি ঘরে ঢুকিয়া বলিলেন, “কী হচ্ছে তােমাদের।”
ফটিকের মা বিস্ময়ে আনন্দে অভিভূত হইয়া কহিলেন, “ওমা, এ যে দাদা, তুমি কবে এলে।” বলিয়া গড় করিয়া প্রণাম করিলেন।
বহু দিন হইল দাদা পশ্চিমে কাজ করিতে গিয়াছিলেন। ইতিমধ্যে ফটিকের মার দুই সন্তান হইয়াছে, তাহারা অনেকটা বাড়িয়া উঠিয়াছে, তাহার স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে, কিন্তু একবারও দাদার সাক্ষাৎ পায় নাই। আজ বহুকাল পরে দেশে ফিরিয়া আসিয়া বিশ্বম্ভরবাবু তাঁহার ভগিনীকে দেখিতে আসিয়াছেন।
কিছুদিন খুব সমারােহে গেল। অবশেষে বিদায় লইবার দুই-একদিন পূর্বে বিশ্বম্ভরবাবু তাঁহার ভগিনীকে ছেলেদের পড়াশুনা এবং মানসিক উন্নতি সম্বন্ধে প্রশ্ন করিলেন। উত্তরে ফটিকের অবাধ্য উচ্ছৃঙ্খলতা, পাঠে অমনােযােগ, এবং মাখনের সুশান্ত সুশীলতা ও বিদ্যানুরাগের বিবরণ শুনিলেন।
তাঁহার ভগিনী কহিলেন, “ফটিক আমার হাড় জ্বালাতন করিয়াছে।”

শুনিয়া বিশ্বম্ভর প্রস্তাব করিলেন, তিনি ফটিককে কলিকাতায় লইয়া গিয়া নিজের কাছে রাখিয়া শিক্ষা দিবেন।
বিধবা এ প্রস্তাবে সহজেই সম্মত হইলেন।
ফটিককে জিজ্ঞাসা করিলেন, “কেমন রে ফটিক, মামার সঙ্গে কলকাতায় যাবি?”
ফটিক লাফাইয়া উঠিয়া বলিল, “যাব।”
যদিও ফটিককে বিদায় করিতে তাহার মায়ের আপত্তি ছিল না, কারণ তাঁহার মনে সর্বদাই আশঙ্কা ছিল- কোন্ দিন সে মাখনকে জলেই ফেলিয়া দেয় কি মাথাই ফাটায়, কি কী একটা দুর্ঘটনা ঘটায়, তথাপি ফটিকের বিদায়গ্রহণের জন্য এতাদৃশ আগ্রহ দেখিয়া তিনি ঈষৎ ক্ষুন্ন হইলেন।
‘কবে যাবে’ ‘কখন যাবে’ করিয়া ফটিক তাহার মামাকে অস্থির করিয়া তুলিল; উৎসাহে তাহার রাত্রে নিদ্রা হয় না।
অবশেষে যাত্রাকালে আনন্দের ঔদার্য-বশত তাহার ছিপ ঘুড়ি লাটাই সমস্ত মাখনকে পুত্রপৌত্রাদিক্রমে ভােগদখল করিবার পুরা অধিকার দিয়া গেল।

ভারত মন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট বিজেপি এমপি সারঙ্গীর কন্যা অর্চিতা সারঙ্গী

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৭ ডেমো নিউজ  ফাইভ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে খোঁটা দিয়েছেন বিজেপি এমপি সারঙ্গীর কন্যা অর্চিতা সারঙ্গী। ছবি : সংগৃহীত

ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এমপি অপরাজিতা সারঙ্গীর কন্যা অর্চিতা সারঙ্গীর একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট কেন্দ্র করে রাজনীতি ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।

প্রশ্নফাঁস বিতর্কের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সংবাদ নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে অর্চিতা লেখেন, কোনো চাপের মুখেও তিনি এই পোস্ট মুছে ফেলবেন না।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেওয়া সেই পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ব্যক্তিগত সহকারীকে (পিএ) উদ্দেশ করে অর্চিতা লেখেন, ‘ডিপির (ধর্মেন্দ্র প্রধান) পিএর উদ্দেশে বলছি, যিনি নিশ্চিতভাবেই আমার মাকে মেসেজ পাঠাবেন এই আগের স্টোরিটি ডিলিট করার জন্য (এমনটি আগেও ঘটেছে)—অযথা কষ্ট করবেন না, আমি এটি ডিলিট করব না। জয় জগন্নাথ! জয় হিন্দ!’

মেডিকেল প্রবেশিকা ‘নিট’ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের জেরে গত শনিবার বিকেলে পদত্যাগ করেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। মন্ত্রী পদত্যাগের পরপরই সেই খবর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন অর্চিতা।

কলকাতা উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব হলেন মারুফা

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৭ ডেমো নিউজ  ফাইভ

বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ ২৪-এর বিশেষ প্রতিনিধি উম্মে মারুফা - কলকাতা উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব

ভারতের কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস উইংয়ে প্রথম সচিব বা প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উম্মে মারুফা।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই চুক্তিভিত্তিক বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ ২৪-এর বিশেষ প্রতিনিধি উম্মে মারুফাকে কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনের প্রেস উইংয়ের প্রথম সচিব (প্রেস) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

আজ সোমবার যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের চুক্তিতে মারুফাকে ওই পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে মারুফাকে কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনের প্রেস সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত অনুমোদিত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারণ করা হবে।

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল : বোর্দো শহরের দরজায় পৌঁছে গেছে আগুন

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৭ ডেমো নিউজ  ফাইভ

বোর্দো শহরের দরজায় পৌঁছে গেছে আগুন ছবি : সংগৃহীত

ফ্রান্সের বোর্দো (Bordeaux) শহরের উপকণ্ঠে স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে, যা বর্তমানে শহরের মূল প্রবেশপথ থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। তীব্র তাপপ্রবাহ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া এই আগুনকে ফরাসি প্রধানমন্ত্রী “অতীতে কখনো দেখা যায়নি এমন এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) ফ্রান্সের বোর্দো শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া দাবানল নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ।

বোর্দোর জিরোন্দ (Gironde) অঞ্চলে এ পর্যন্ত প্রায় ৪২,০০০ হেক্টরের বেশি বনাঞ্চল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, যা ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের আয়তনের প্রায় চার গুণ।

বোর্দোর মেয়র জানিয়েছেন, নতুন করে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহ চলমান দাবানল নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। বর্তমানে আগুন বোর্দো শহর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে পৌঁছে গেছে। তবে এখনই শহরের প্রায় সাড়ে আট লাখ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে তিনি জানিয়েছেন।

এদিকে, ফ্রান্সের আবহাওয়া দফতর সতর্ক করে জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।গত এক সপ্তাহ ধরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে ফ্রান্স ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দুই দেশে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ফ্রান্সেই দাবানলের ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হয়েছে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে । প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর বনভূমি ও ভূমি পুড়ে গেছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অন্যতম বড় দাবানল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে প্রায় ৯৮ হাজার হেক্টর এলাকা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে ইতোমধ্যে ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, যতদিন প্রয়োজন হবে, সরকার ততদিন সহায়তা অব্যাহত রাখবে এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

×