শিরোনাম:

‘হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে ঘাটতি নেই’

‘হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে ঘাটতি নেই’

হংকংয়ের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক গোলরক্ষক সাঈদ হাসান কানন। গ্রুপের সবচেয়ে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে প্রস্তুতিতেও ঘাটতি দেখছেন না তিনি। তবে দলের জন্য জামাল ভূঁইয়াকে কোচের কাজে লাগানো উচিত বলে মনে করেন তিনি।

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে টিকে থাকতে হলে হংকংয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। ঘরের মাঠে ম্যাচের ১০ দিন আগে থেকেই ক্যাম্প শুরু করেছে জামাল ভূঁইয়ারা। লক্ষ্য একটাই, ৩ পয়েন্ট আদায় করা।

গ্রুপের সবচেয়ে শক্তিশালী দলটির বিপক্ষে নামার আগে অবশ্য সেরা প্রস্তুতি নিতে পারেনি বাংলাদেশ। গত উইন্ডোতে নেপালের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ থাকলেও কেবল একটি ম্যাচ খেলতে পেরেছে জামালরা। এর আগে সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে ভুটান আর ভারত ম্যাচের আগে মালদ্বীপের বিপক্ষে খেলেছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে সেরা ছন্দে থাকা হংকং, চায়না ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে আমন্ত্রণ জানিয়ে খেলেছে ম্যাচ। এরপর এশিয়ার পাওয়ার হাউজ খ্যাত জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এমনকি চায়নার মতো বড় দলগুলোর বিপক্ষে ম্যাচ খেলে নিজেদের ঝালাই করে নিয়েছে।

তবে সাবেক জাতীয় দলের গোলরক্ষক সাঈদ হাসান কানন মনে করছেন যে প্রস্তুতি হয়েছে তাতে ভালো ম্যাচ উপহার দেবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার সাঈদ হাসান কানন বলেন, ‘অনেকদিন ধরে একই টিম খেলছে। অনেকগুলো ম্যাচ খেলে এসেছি আমরা। আমাদের এক্সপেরিয়েন্স হয়েছে। আমার মনে হয়না আমাদের প্রস্তুতির আর ঘাটতি আছে।’

শেষ ম্যাচগুলোতে সেট পিচে সুযোগ তৈরি করছে বাংলাদেশ। যেখানে বড় অবদান রাখছেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামতে পারছেন না তিনি। কানন অবশ্য চান জামালকে কাজে লাগাবেন হ্যাভিয়ের কাবরেরা।

সাঈদ হাসান আরও বলেন, ‘কোচ জানে কাকে কখন মাঠে নামাতে হবে। অবশ্যই কোচ চিন্তাভাবনা করে কাজ করবেন।’

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে রক্ষণভাগে দুর্বলতা ছিল বেশ। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফুটবলার জায়ান আহমেদ হতে পারেন সেই সমস্যার সমাধান। এ ডিফেন্ডারের অন্তর্ভুক্তিকে এবারের স্কোয়াডে সেরা বাছাই বলে মনে করছেন সাবেক গোলরক্ষক।

বাংলাদেশ দলে হামজা আসার পর জোয়ার বইছে ফুটবলে। সেই জোয়ারের সূচনা দীর্ঘমেয়াদি করতে হংকংয়ের ম্যাচটিতে জেতা গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে ৯ অক্টোবর সেই কাজটাই করে দেখাবে জামাল-হামজারা। এমনটাই আশা ভক্তসমর্থকদের।

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল

‘হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে ঘাটতি নেই’

আজকাল কয়েকটা রাজনৈতিক দল খুব জোর করে বলে সংস্কার সংস্কার। আরে জিয়াউর রহমানই সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন— এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ নিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, সব প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন। জিয়াউর রহমান বিএনপির কাছে আলোকবর্তিকার মতো। কৃষি, গবেষণা— সবখাতেই জিয়ার নাম খচিত আছে। তিনি দেশে কৃষি বিপ্লব করে তুলেছিলেন। অর্থনীতির ভীত মজবুদ করেছিলেন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

‘হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে ঘাটতি নেই’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে বিদেশের মানুষ বাংলাদেশকে চিনতো। যে গাছ ফল দেয়, সেই গাছেই মানুষ ঢিল মারে। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশ এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন আমরা চেষ্টা করছি সেভাবে দেশ পরিচালনা করতে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় সজাগ না থাকলে দেশ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ইশতেহার ছিল বিএনপির। সরকার গঠনের পর এই ইশতেহারে ৫২ শতাংশ মানুষের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। খাল খনন, শিক্ষা, শিল্পের বিপ্লব ইশতেহারে ছিল। সেই কাজগুলো করছি। জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রত্যেক খতকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছিলেন, সেই পথনির্দেশিকা অনুসরণ করে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক কাজগুলো সহযোগিতা করলেই সরকার সফল হবে। শুধু আমরা কাজ করলেই হবে না। তৃণমূল পর্যন্ত সব নেতাকর্মীর লক্ষ্যগুলো সফল করে জনগণের চোখে সফল সরকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে আহ্বান জানাই।

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

‘হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে ঘাটতি নেই’

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ নিয়ে গত ৭৭ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ জনে। আজ রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৫৮৫ শিশুর মধ্যে ৯০ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর বাকি ৪৯৫ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সর্বমোট হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৮৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৪১ জন।

×