শিরোনাম:

জাতীয় নির্বাচনের দিনেই সব সংস্কার প্রস্তাবে জনগণের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট চায় বিএনপি

জাতীয় নির্বাচনের দিনেই সব সংস্কার প্রস্তাবে জনগণের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট চায় বিএনপি

জাতীয় নির্বাচনের দিনেই আলাদা ব্যালটে গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার কমিশনের সব সংস্কার প্রস্তাব জনগণ চায় কি না, সে বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ অধবা ‘না’ ভোটের প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। আজ (শনিবার, ৪ অক্টোবর) ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যারাই পার্লামেন্টে যাবে তাদের দায়বদ্ধতা থাকবে এবং আগামী দিনে যেসব সংস্কার কর্মসূচিতে আমরা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে ঐকমত্য হয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়নে তারা দায়বদ্ধ থাকবে, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন কথা উঠছে, এ সনদ বাস্তবায়নের ভিত্তিতেই নাকি আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। অবশ্যই! যেসব প্রতিশ্রুতির জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে সবাই ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়ন তো হয়েই যাচ্ছে। শুধু সংবিধানের অংশটুকু বাস্তবায়নের জন্য পরবর্তী পার্লামেন্টের প্রয়োজন, সেই অংশগুলোতে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য পরবর্তী জাতীয় সংসদকেই দায়িত্ব দিতে হবে—এটা হচ্ছে আমাদের বক্তব্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ বলছে, এই দাবি এখনই বাস্তবায়ন করতে হবে, কনস্টিটিউশনাল অর্ডারের মধ্য দিয়ে। এখানে সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, কনস্টিটিউশনাল অর্ডার কে জারি করবে? বাংলাদেশের জনগণ কাকে ক্ষমতা দিয়েছে সেটার? কোন ফোরামে জাতীয় সংসদ ছাড়া এ সংসদ পরিবর্তন করা যায়? সেজন্য আসুন, আমি আহ্বান জানিয়েছি, সুপ্রিম কোর্টের মতামত নিই যে, এ সরকারের সেই সংবিধান পরিবর্তনের ক্ষমতা আছে কি না; অন্য কোনো প্রক্রিয়ায়, অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বা কোনো রাজনৈতিক দল সেই সংবিধান পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে কি না।’

সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ছাড়া যেনতেনভাবে পরিবর্তন করা যায় না, যদি হয় তাহলে ভবিষ্যতের জন্য বাজে নজির হয়ে থাকবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি নির্বাচনের দিনে, একই দিনে আরেকটা ব্যালটের মাধ্যমে গণভোটের সেই রায় নেয়া যাবে, যে এই সংস্কারের মধ্যে ঐকমত্য কমিশনের কাছে আমরা যারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি সব রাজনৈতিক দল, সেই প্রতিশ্রুতির পক্ষে জনগণ আছে কি না, সেই সনদের পক্ষে জনগণ আছে কি না, হ্যাঁ অথবা না বলুন।’

বিএনপির এ জ্যৈষ্ঠ নেতা জানান, পিআর পদ্ধতি স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে। বাংলাদেশকে এ পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপি নিয়ে যেতে পারে না বলেও জানান তিনি।

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল

জাতীয় নির্বাচনের দিনেই সব সংস্কার প্রস্তাবে জনগণের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট চায় বিএনপি

আজকাল কয়েকটা রাজনৈতিক দল খুব জোর করে বলে সংস্কার সংস্কার। আরে জিয়াউর রহমানই সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন— এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ নিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, সব প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন। জিয়াউর রহমান বিএনপির কাছে আলোকবর্তিকার মতো। কৃষি, গবেষণা— সবখাতেই জিয়ার নাম খচিত আছে। তিনি দেশে কৃষি বিপ্লব করে তুলেছিলেন। অর্থনীতির ভীত মজবুদ করেছিলেন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় নির্বাচনের দিনেই সব সংস্কার প্রস্তাবে জনগণের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট চায় বিএনপি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে বিদেশের মানুষ বাংলাদেশকে চিনতো। যে গাছ ফল দেয়, সেই গাছেই মানুষ ঢিল মারে। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশ এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন আমরা চেষ্টা করছি সেভাবে দেশ পরিচালনা করতে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় সজাগ না থাকলে দেশ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ইশতেহার ছিল বিএনপির। সরকার গঠনের পর এই ইশতেহারে ৫২ শতাংশ মানুষের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। খাল খনন, শিক্ষা, শিল্পের বিপ্লব ইশতেহারে ছিল। সেই কাজগুলো করছি। জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রত্যেক খতকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছিলেন, সেই পথনির্দেশিকা অনুসরণ করে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক কাজগুলো সহযোগিতা করলেই সরকার সফল হবে। শুধু আমরা কাজ করলেই হবে না। তৃণমূল পর্যন্ত সব নেতাকর্মীর লক্ষ্যগুলো সফল করে জনগণের চোখে সফল সরকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে আহ্বান জানাই।

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

জাতীয় নির্বাচনের দিনেই সব সংস্কার প্রস্তাবে জনগণের ‘হ্যাঁ-না’ ভোট চায় বিএনপি

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ নিয়ে গত ৭৭ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ জনে। আজ রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৫৮৫ শিশুর মধ্যে ৯০ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর বাকি ৪৯৫ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সর্বমোট হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৮৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৪১ জন।

×