স্টার্কের অন্যরকম সেঞ্চুরিতে দুমড়ে-মুচড়ে গেল ইংল্যান্ড
অভিজ্ঞ প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউড নেই, অস্ট্রেলিয়াকে সে অভাব টেরই পেতে দিচ্ছেন না মিচেল স্টার্ক। দলকে টেনে নিচ্ছেন একাই। তাঁর তোপের মুখে পার্থে অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে রীতিমতো কাঁপছে ইংলিশরা। এই পেসারের আগুন ঝরা বোলিংয়ে ১৭২ রানেই গুটিয়ে গেছে ইংল্যান্ড।
পার্থে স্টার্ক গুনে গুনে নিয়েছেন ৭ উইকেট, টেস্টে ১৭তম বার ফাইফারের স্বাদ পেলেন তিনি। দিনের শুরুতে প্রথম ৬ ওভারের প্রথম স্পেলেই ‘অন্যরকম সেঞ্চুরি’ করে অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ পেসার অ্যাশেজে নিজের নাম লিখলেন এক বিশেষ মাইলফলকে। ২০২৫-২৬ অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের তিন ব্যাটারকে তুলে নিয়ে তিনি পৌঁছান অ্যাশেজে ১০০ উইকেটের ক্লাবে। অস্ট্রেলিয়ার ১৩তম বোলার হিসেবে অর্জন করলেন এই সাফল্য।
প্রথম দিনের প্রথম সেশনেই আগুন ঝরানো স্পেলে একে একে জ্যাক ক্রলি, বেন ডাকেট ও জো রুটকে ফেরান স্টার্ক। নিজের প্রথম ওভারেই ক্রলিকে আউট করে ইংলিশ ধসের শুরুটা করেন। তারপর দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউতে ফেরান বেন ডাকেটকে।
তবে সবচেয়ে বড় শিকার ছিল জো রুটকে সাত বল খেলে শূন্য রানে ফিরিয়ে দেওয়া—যা স্টার্ককে পৌঁছে দেয় ইতিহাসের পাতায়। অ্যাশেজ ইতিহাসে স্টার্ক এখন অস্ট্রেলিয়ার ১৩তম বোলার, যাঁদের উইকেট সংখ্যা তিন অঙ্কে পৌঁছাল।
ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার দুমড়ে-মুচড়ে দেওয়া পর আরও চারটি উইকেট নেন স্টার্ক। অ্যাশেজে ৪৩ ইনিংসে মোট ১০৪ উইকেট নিয়ে স্টার্ক অস্ট্রেলিয়ার সফল বোলার হিসেবে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ় করলেন। তাঁর গড় ২৬.৭৯, স্ট্রাইক রেট ৪৫—দুটোই প্রমাণ করে বড় মঞ্চে তিনি কতটা কার্যকর।
অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি
শেন ওয়ার্ন — ১৯৫ উইকেট, ৩৬ ম্যাচ
গ্লেন ম্যাকগ্রা — ১৫৭ উইকেট, ৩০ ম্যাচ
হিউ ট্রাম্বল — ১৪১ উইকেট, ৩১ ম্যাচ
ডেনিস লিলি — ১২৮ উইকেট, ২৪ ম্যাচ
মন্টি নোবেল — ১১৫ উইকেট, ৩৯ ম্যাচ
রে লিন্ডওয়াল — ১১৪ উইকেট, ২৯ ম্যাচ
নাথান লায়ন — ১১০ উইকেট, ৩১ ম্যাচ
ক্লারি গ্রিমেট — ১০৬ উইকেট, ২২ ম্যাচ
বিল ও’রেইলি — ১০২ উইকেট, ১৯ ম্যাচ
জর্জ গিফেন — ১০১ উইকেট, ২৬ ম্যাচ
চার্লি টার্নার — ১০১ উইকেট, ১৭ ম্যাচ
টেরি অ্যালডারম্যান — ১০০ উইকেট, ১৭ ম্যাচ
মিচেল স্টার্ক — ১০৪ উইকেট, ২৩ ম্যাচ

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল


















