শিরোনাম:

তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জাতীয় জলবায়ু আশ্রয়কেন্দ্র গড়বে স্পেন

তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জাতীয় জলবায়ু আশ্রয়কেন্দ্র গড়বে স্পেন

ক্রমবর্ধমান তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় স্পেন সরকার জাতীয় জলবায়ু আশ্রয়কেন্দ্র নেটওয়ার্ক গড়ে তুলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। মাদ্রিদ থেকে এএফপি এ কবর জানিয়েছে।

বুধবার মাদ্রিদে এক জলবায়ু সম্মেলনে তিনি বলেন, বিধ্বংসী খরা ও তাপপ্রবাহ এখন আর বিরল ঘটনা নয়। গ্রীষ্মে আলাদা কোন তাপপ্রবাহ নয়, বরং জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত একটানা দীর্ঘ তাপপ্রবাহের মুখে পড়তে হচ্ছে। এটিই এখন নতুন বাস্তবতা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী গ্রীষ্মের আগেই কেন্দ্রীয় প্রশাসনের অধীন সরকারি ভবনগুলো ব্যবহার করে সারা দেশে জলবায়ু আশ্রয়কেন্দ্রের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে। এসব আশ্রয়কেন্দ্র সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার কাতালোনিয়া ও বাস্ক অঞ্চলের মত কয়েকটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে আগে থেকেই গড়ে ওঠা আশ্রয়কেন্দ্র নেটওয়ার্কের সঙ্গে সমন্বয় করবে।

এ ছাড়া যেসব এলাকায় তাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি এবং যেখানে এ ধরনের সুবিধার প্রয়োজন বেশি, সেখানে আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনে অর্থায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

কাতালোনিয়ার রাজধানী বার্সেলোনা এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। সেখানে লাইব্রেরি, স্কুলসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন সরকারি ভবনে জলবায়ু আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

স্পেনের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা এএমইটির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশটি ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্মকাল পার করেছে। ওই সময় গড় তাপমাত্রা ছিল ২৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এটি ২০২২ সালে রেকর্ড হওয়া সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৬১ সালে রেকর্ড শুরুর পর থেকে এটি সর্বোচ্চ।

উষ্ণ শরৎ মৌসুমের পর চলতি বছর স্পেনের ইতিহাসে তৃতীয় বা চতুর্থ উষ্ণতম বছর হতে পারে বলে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে জানান এএমইটির মুখপাত্র রুবেন দেল কাম্পো।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে বলা হয়েছে, চলতি বছর ১৬ মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্পেনে তাপজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ৩,৮৩২ জনের। এটি ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ৮৭.৬ শতাংশ বেশি।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়, তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। কারণ, খুব কম ক্ষেত্রেই মৃত্যুর কারণ হিসেবে সরাসরি তাপের কথা নথিভুক্ত করা হয়।

তবে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতার মত তাৎক্ষণিক প্রভাব ছাড়াও তাপ হৃদ্রোগ, স্ট্রোক ও শ্বাসতন্ত্রের রোগসহ নানা প্রাণঘাতী স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

কয়েকটা দল সংস্কার-সংস্কার বলে, সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন জিয়া: মির্জা ফখরুল

তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জাতীয় জলবায়ু আশ্রয়কেন্দ্র গড়বে স্পেন

আজকাল কয়েকটা রাজনৈতিক দল খুব জোর করে বলে সংস্কার সংস্কার। আরে জিয়াউর রহমানই সংস্কারের জন্ম দিয়েছিলেন— এ কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ নিয়ে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, সব প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন। জিয়াউর রহমান বিএনপির কাছে আলোকবর্তিকার মতো। কৃষি, গবেষণা— সবখাতেই জিয়ার নাম খচিত আছে। তিনি দেশে কৃষি বিপ্লব করে তুলেছিলেন। অর্থনীতির ভীত মজবুদ করেছিলেন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে চললে দেশের ক্ষতি হবে: প্রধানমন্ত্রী

তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জাতীয় জলবায়ু আশ্রয়কেন্দ্র গড়বে স্পেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোববার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে বিদেশের মানুষ বাংলাদেশকে চিনতো। যে গাছ ফল দেয়, সেই গাছেই মানুষ ঢিল মারে। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশ এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন আমরা চেষ্টা করছি সেভাবে দেশ পরিচালনা করতে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সামনে অত্যন্ত কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় সজাগ না থাকলে দেশ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ক্ষতি হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ইশতেহার ছিল বিএনপির। সরকার গঠনের পর এই ইশতেহারে ৫২ শতাংশ মানুষের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। খাল খনন, শিক্ষা, শিল্পের বিপ্লব ইশতেহারে ছিল। সেই কাজগুলো করছি। জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রত্যেক খতকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছিলেন, সেই পথনির্দেশিকা অনুসরণ করে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক কাজগুলো সহযোগিতা করলেই সরকার সফল হবে। শুধু আমরা কাজ করলেই হবে না। তৃণমূল পর্যন্ত সব নেতাকর্মীর লক্ষ্যগুলো সফল করে জনগণের চোখে সফল সরকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে আহ্বান জানাই।

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৮৫

তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জাতীয় জলবায়ু আশ্রয়কেন্দ্র গড়বে স্পেন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ নিয়ে গত ৭৭ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ জনে। আজ রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৫৮৫ শিশুর মধ্যে ৯০ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর বাকি ৪৯৫ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সর্বমোট হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ হাজার ৮৮৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৪১ জন।

×