শিরোনাম:

বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত

বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাহরাইনে মোহাম্মদ তারেক (৪৮) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। সোমবার (২ মার্চ) দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন দেশের মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান।

সোমবার স্থানীয় সময় সকালে বাহরাইনের রাজধানী মানামার কাছে একটি সামুদ্রিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ একটি জাহাজের উপর পড়লে একজন বাংলাদেশি নিহত ও দুইজন আহন হন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া পোস্টে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী মানামার কাছে সামুদ্রিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে যে আগুন লেগেছিল তা নেভানো হয়েছে।

বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ তারেক (৪৮) নিহত ও দুইজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। মো. তারেকের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নে। সোমবার ভোরে বাহরাইনের একটি ড্রাইডক শিপইয়ার্ডে ডিউটিকালীন সময়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. তারেক দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর ধরে বাহরাইনে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে তিনি নিয়মিত দেশে রেমিট্যান্স পাঠাতেন। নিহতের ফুফাতো ভাই চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উপপরিচালক মোশারফ হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টেও মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

আটকেপড়া কাতার প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত

আটকেপড়া কাতার প্রবাসীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে দূতাবাস। সোমবার (২ মার্চ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বিরাজমান আন্তর্জাতিক অবস্থা প্রেক্ষিতে সকলের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ দূতাবাস বিমানবন্দরে আটকেপড়া যাত্রীদের বিষয়ে বিভিন্ন বিমান সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের বিমান সংস্থার নিম্নোক্ত টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো—

বাংলাদেশ বিমান +৯৭৪৪৪১৫৩৩৫১, +৯৭৪ ৫১১৭৮৭৫৮, +৯৭৪ ৫১১৬৬১২৮; কাতার এয়ারওয়োজ— +৯৭৪ ৪১৪৪৫৫৫৫, +৯৭৪ ৪০২২২৯৪২; ইউএস বাংলা- +৯৭৪ ৫০০৮৪৪৪০, +৯৭৪ ৬৬৮৯৬৪৯০

এর আগে, এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রবাসীদের সতর্ক করে বলা হয়, কোনো সংঘটিত ঘটনাস্থলে সমবেত হওয়া, ঘটনার স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করা, অথবা চলমান ঘটনার ভিডিও ধারণ ও প্রচার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাজকে ব্যাহত করে এবং জনগণের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কাতারে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি নাগরিককে কাতার সরকারের নির্দেশনা মেনে চলা এবং সতর্ক ও সচেতন থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ছাড়া নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত বাড়ির বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বিপ্লবী গার্ড

বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় ও ইসরাইলি বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দফতর লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

ফরস নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ডস বলেছে, “ইহুদিবাদী সরকারের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের বিমান বাহিনী কমান্ডারের সদর দফতর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় ও বিমানবাহিনীর প্রধানের কার্যালয়ে হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরজিসি। সূত্র: এএফপি।

সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণদানে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত

জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট সমুন্নত রাখতে সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ থেকে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। সোমবার (২ মার্চ) আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির এ চিঠি দেন।

চিঠিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কোনো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এছাড়া, তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি এবং এখনও অনুতপ্ত হয়ে কোনো বিবৃতি দেননি।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, ২০ ফেব্রুয়ারি দৈনিক কালের কণ্ঠে সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি কেবল জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অবমাননা করেননি, বরং প্রকৃত সত্যকেও মিথ্যাভাবে উপস্থাপন করেছেন। অতএব, তিনি তার শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে অব্যাহত থাকার কোনো আইনি অধিকার রাখেননি।

শেষে চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করা হয়েছে, জুলাই বিপ্লবের চেতনা সমুন্নত রাখতে এবং রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সংসদের অধিবেশন আহ্বান বা সংসদে ভাষণ প্রদানের অনুমতি না দেয়ার ব্যবস্থা নিতে। অথবা প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামত ব্যবস্থা নেবেন বলে চিঠিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এই অনুরোধ শুধু ব্যক্তিগত নয়, জনগণেরও আকাঙ্ক্ষা।

×