শিরোনাম:

আটকেপড়া কাতার প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

আটকেপড়া কাতার প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

আটকেপড়া কাতার প্রবাসীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে দূতাবাস। সোমবার (২ মার্চ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বিরাজমান আন্তর্জাতিক অবস্থা প্রেক্ষিতে সকলের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ দূতাবাস বিমানবন্দরে আটকেপড়া যাত্রীদের বিষয়ে বিভিন্ন বিমান সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের বিমান সংস্থার নিম্নোক্ত টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো—

বাংলাদেশ বিমান +৯৭৪৪৪১৫৩৩৫১, +৯৭৪ ৫১১৭৮৭৫৮, +৯৭৪ ৫১১৬৬১২৮; কাতার এয়ারওয়োজ— +৯৭৪ ৪১৪৪৫৫৫৫, +৯৭৪ ৪০২২২৯৪২; ইউএস বাংলা- +৯৭৪ ৫০০৮৪৪৪০, +৯৭৪ ৬৬৮৯৬৪৯০

এর আগে, এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রবাসীদের সতর্ক করে বলা হয়, কোনো সংঘটিত ঘটনাস্থলে সমবেত হওয়া, ঘটনার স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করা, অথবা চলমান ঘটনার ভিডিও ধারণ ও প্রচার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাজকে ব্যাহত করে এবং জনগণের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কাতারে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি নাগরিককে কাতার সরকারের নির্দেশনা মেনে চলা এবং সতর্ক ও সচেতন থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ছাড়া নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত বাড়ির বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বিপ্লবী গার্ড

আটকেপড়া কাতার প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় ও ইসরাইলি বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দফতর লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

ফরস নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ডস বলেছে, “ইহুদিবাদী সরকারের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের বিমান বাহিনী কমান্ডারের সদর দফতর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় ও বিমানবাহিনীর প্রধানের কার্যালয়ে হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরজিসি। সূত্র: এএফপি।

সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণদানে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

আটকেপড়া কাতার প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট সমুন্নত রাখতে সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ থেকে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। সোমবার (২ মার্চ) আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির এ চিঠি দেন।

চিঠিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কোনো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এছাড়া, তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি এবং এখনও অনুতপ্ত হয়ে কোনো বিবৃতি দেননি।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, ২০ ফেব্রুয়ারি দৈনিক কালের কণ্ঠে সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি কেবল জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে অবমাননা করেননি, বরং প্রকৃত সত্যকেও মিথ্যাভাবে উপস্থাপন করেছেন। অতএব, তিনি তার শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে অব্যাহত থাকার কোনো আইনি অধিকার রাখেননি।

শেষে চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করা হয়েছে, জুলাই বিপ্লবের চেতনা সমুন্নত রাখতে এবং রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সংসদের অধিবেশন আহ্বান বা সংসদে ভাষণ প্রদানের অনুমতি না দেয়ার ব্যবস্থা নিতে। অথবা প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামত ব্যবস্থা নেবেন বলে চিঠিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এই অনুরোধ শুধু ব্যক্তিগত নয়, জনগণেরও আকাঙ্ক্ষা।

মধ্যপ্রাচ্যে আকাশসীমা বন্ধ, ৩৪০০ ফ্লাইট বাতিল, আটকে পড়েছেন ৩ লাখ যাত্রী

আটকেপড়া কাতার প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের পাল্টা হামলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। সংঘাতের জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে এবং সংঘাতের প্রথম কয়েক দিনেই ৩ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে করে আনুমানিক তিন লাখ যাত্রী অঞ্চলজুড়ে আটকে পড়েছেন। দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো প্রধান বিমানবন্দরগুলো কার্যক্রম স্থগিত করায় এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে বৈশ্বিক বিমান চলাচলের ওপরও।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, উপসাগরীয় দেশগুলোর আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ৩ হাজার ৪০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। চলমান সংঘাতের জেরে অঞ্চলজুড়ে আনুমানিক তিন লাখ মানুষ আটকা পড়েছেন। যুক্তরাজ্য তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নিতে সহায়তার জন্য দল পাঠাচ্ছে বলে জানা গেছে।

ফ্লাইট-ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের প্রথম কয়েক দিনেই ৩ হাজার ৪০০ টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শারজাহ, আবুধাবি এবং দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ এই অঞ্চলের বড় বিমানবন্দরগুলো সাময়িকভাবে কার্যক্রম স্থগিত করেছে। সংঘাতের জেরে মোট ছয় বা সাতটি প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে।

এদিকে এই অঞ্চলের বিস্তীর্ণ আকাশসীমা এখনও বন্ধ থাকায় এর প্রভাব বৈশ্বিক বিমান চলাচলেও পড়েছে। ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা ও অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে মধ্যপ্রাচ্যের এসব বিমানবন্দর গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। ফলে এগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে একের পর এক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আবুধাবিতে আটকে পড়া যাত্রীদের অসংখ্য পোস্ট দেখা যাচ্ছে। যাত্রীরা জানিয়েছেন, নতুন করে টিকিট বুকিং, হোটেল ভাউচার সংগ্রহ বা সহায়তা পাওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

অনেকে টার্মিনালের ভেতরেই রাত কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে আকাশসীমা বন্ধ থাকা এবং সংঘাত অব্যাহত থাকলে হাজার হাজার যাত্রী অনিশ্চয়তার মধ্যেই পড়ে থাকবেন।

×