জুলাই আন্দোলনের ২ মামলায় আইভীর জামিন
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত দুটি হত্যা মামলায় নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরোয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা এই দুই মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে গত বছরের ৯ মে ভোররাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার ‘চুনকা কুটির’ থেকে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গ্রেপ্তারের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আইনি প্রক্রিয়া পর্যালোচনায় দেখা যায়, আইভী এর আগে বিভিন্ন মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের কারণে তার কারামুক্তি দীর্ঘায়িত হচ্ছে। গত বছরের ৯ নভেম্বর পাঁচটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছিলেন, যা বর্তমানে আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ওই দিনই আরও পাঁচটি মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করা হয়। পরবর্তীতে সেই পাঁচ মামলায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেলেও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে চেম্বার আদালত তা স্থগিত করেন এবং বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠান। ওই জামিন বিষয়ে আপিল বিভাগে আগামী ৩ মে আদেশের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এবং ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়ের করা আরও দুটি হত্যা মামলায় সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেপ্তার দেখাতে পুলিশ আবেদন করে। নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ২ মার্চ ও ১২ এপ্রিল পৃথকভাবে সেই আবেদনগুলো মঞ্জুর করেছিলেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার এই দুটি মামলায় হাইকোর্ট তার জামিন মঞ্জুর করায় আইভীর কারামুক্তির আইনি লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ হলো। তবে অন্যান্য মামলায় জামিন স্থগিত থাকা এবং আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় থাকায় তার চূড়ান্ত মুক্তির বিষয়টি উচ্চ আদালতের পরবর্তী আদেশের ওপর নির্ভর করছে।

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন: নাহিদ ইসলাম









