শিরোনাম:

রসালো লিচুর সমারোহে মুখরিত ঈশ্বরদী

রসালো লিচুর সমারোহে মুখরিত ঈশ্বরদী

বছর ঘুরে জ্যৈষ্ঠ মাস এলেই নব রূপে সেজে ওঠে এক নামে বিশ্ব ব্যাপী পরিচিত ঈশ্বরদী। চারদিকে পাকা রসালো লিচুর সমারোহে মুখরিত হয় গ্রামবাংলার প্রকৃতি। লিচুর মৌসুমকে ঘিরে এখানকার বাড়ি-ঘরে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ, আত্মীয়স্বজনের আগমন আর পারিবারিক মিলনমেলায় আলাদা মাত্রায় প্রাণ ফিরে পায় বহুল পরিচিত এই জনপদ।

জৈষ্ঠ মাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় এক মাস ধরে চলে দেশি, বোম্বাইসহ বিভিন্ন জাতের লিচু সংগ্রহ, বাছাই, গণনা ও বাজারজাতকরণের ব্যস্ততা। এ সময় লিচু বাগানগুলো হয়ে ওঠে মানুষের পদচারণায় মুখর। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফলন অনেক বেশি হওয়ায় আনন্দের মাত্রাও বেড়েছে কয়েকগুণ।

বাগান মালিক মোঃ আলমগীর জানান, লিচুর মৌসুম এলেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আত্মীয়স্বজনরা ঈশ্বরদীতে ছুটে আসেন। বাগান ঘুরে দেখা, গাছ থেকে নিজ হাতে লিচু পাড়া এবং টাটকা লিচুর স্বাদ নেওয়া যেন এ অঞ্চলের এক বিশেষ ঐতিহ্য ও বৈশিষ্ট্য । অতিথিদের লিচু দিয়ে আপ্যায়নের পাশাপাশি বিদায়ের সময় উপহার হিসেবেও লিচু দেওয়ার প্রচলন রয়েছে এখানে ।

ঈশ্বরদী উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের লিচুচাষি আব্দুল হামিদ বলেন, আমাদের এলাকার প্রধান অর্থকরী ফসল লিচু। লিচুর মৌসুম এলেই বাড়িতে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। আত্মীয়স্বজনরা বেড়াতে আসেন, সবাই মিলে আনন্দ করি। নবান্ন উৎসব যেমন ধানকে ঘিরে, তেমনি ঈশ্বরদীতে লিচুর মৌসুমও এক ধরনের উৎসবে পরিণত হয়েছে।

লিচু চাষে জাতীয় পদকপ্রাপ্ত কৃষক আব্দুল জলিল কিতাব মণ্ডল বলেন, এবারের বাম্পার ফলনে কৃষকরা খুবই আনন্দিত। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ লিচু বাগান দেখতে আসছে। অনেকেই লিচু উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রম কাছ থেকে দেখছেন। প্রতিটি পরিবারেই এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

লিচু বাগান মালিক ও শিক্ষক হুমায়ুন কবির তরুণ বলেন, এখন পুরো ঈশ্বরদী যেন লিচুময়। ভালো ফলনের কারণে কৃষক ও বাগান মালিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। লিচুকে কেন্দ্র করে বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়স্বজনদের মিলনমেলা তৈরি হয়েছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল মমিন জানান, এ বছর উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও পরিচর্যার কারণে ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাম্পার ফলনের ফলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে।

লিচুর সুগন্ধ, আত্মীয়তার বন্ধন আর কৃষকের মুখের হাসি সব মিলিয়ে জ্যৈষ্ঠের ঈশ্বরদী এখন এক আনন্দময় উৎসবের জনপদ।

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

রসালো লিচুর সমারোহে মুখরিত ঈশ্বরদী

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির তৃতীয় ধাপের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন । উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে উপকারভোগীদের নির্ধারিত হিসাবে ভাতার অর্থ পৌঁছে যায়।

কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পরিবারগুলো প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে। ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী রেসনা বেগম, নাসিমা বেগম ও লাভলী আক্তার বলেন, এই সহায়তা তাদের পরিবারের ব্যয় নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা এই উদ্যোগের জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন

তৃতীয় ধাপে শ্রীমঙ্গল উপজেলার নির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ৩১০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীরা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরাসরি ভাতার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১৫৫ জন নারীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। এ ছাড়া বিশেষ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকজনিত প্যারালাইসিস ও জন্মগত হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক অনুদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সহায়তা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের উন্নয়ন অনুদান, শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক সহায়তা এবং চা-শ্রমিকদের জন্য টেকসই আবাসনের বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এবার বিশ্বকাপের বিস্ময় কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা

রসালো লিচুর সমারোহে মুখরিত ঈশ্বরদী

কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। ছবি : রয়টার্স

এবার বিশ্বকাপের বিস্ময় কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা । বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্দের ১-১ গোলের ড্র-টি ছিল টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় চমক। সেই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিহা।

বাংলাদেশের ঢাকার চেয়ে কম প্রায় পাঁচ লাখ ৩০ হাজার জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে’ এই সাফল্য উদ্যাপন এর আগে খুব বেশি পরিচিত না থাকা এই গোলরক্ষকের জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ব্রাজিলের সম্প্রচার মাধ্যমের উৎসাহব্যঞ্জক প্রচারের পর ভোজিনহার ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার থেকে বেড়ে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ৯৭ লাখেরও বেশি হয়েছে। ৯.৭ মিলিয়ন ফলোয়ার এখন উন্মুখ কেপ ভার্দে পরবর্তী ম্যাচ আগামী রোববার সন্ধ্যা ৬টায় মিয়ামিতে তারা উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে দেখার জন্য ।

৪০ বছর বয়সী কেপ ভার্দিয়ান এই গোলরক্ষক, যিনি স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে রেখেছেন, তিনি এখন বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের হৃদয় জয় করছেন। সিএনএনের আমান্ডা ডেভিস ব্যাখ্যা করেছেন, এই বিস্ময়কর ফলাফল এবং হঠাৎ পাওয়া ব্যাপক মনোযোগের বিষয়ে ভোজিনহার খেলা।

সোমবার স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্দের চমকপ্রদ ড্রয়ের পর ভোজিনহা বলেন, তার মা ম্যাচটি দেখতে আসতে পারেননি, কারণ তিনি ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় বন্ডের অর্থ পরিশোধ করতে পারেননি।

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ভিসার কারণে তিনি এখানে আসতে পারেননি… ভিসার জন্য যে অর্থ আমাদের দিতে হয়, সেটির কারণেই। আমরা সময়মতো সেটি করতে পারিনি এবং আমি চাই তিনি এখানে থাকুন।’

কেপ ভার্দে সেই ৫০টি দেশের একটি, যেসব দেশের নাগরিকদের ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হয়। এর কারণ হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশে অবস্থান করার উচ্চ হারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

বিশ্বকাপ মাঠে আর্জেন্টিনার জয়ে উচ্ছসিত নাদিয়া ও নাঈম

রসালো লিচুর সমারোহে মুখরিত ঈশ্বরদী

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে জে গ্রুপের প্রথম ম্যাচটি সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করছিলেন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নাদিয়া আহমেদ এবং তার স্বামী অভিনেতা ফারুক সোবহান নাঈম। ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সাথে তারাও উচ্ছ্বসিত ছিলেন এবং মেসির গোলগুলোতে গ্যালারিতে আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠছিলেন মুহুরমূহ।

ম্যাচ শেষে নাদিয়া নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম  ফেসবুক পেজে একাধিক ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমরা জয়ী, আর্জেন্টিনা দল।’ পোস্ট করা ছবিগুলোতে নাদিয়াকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে এবং নাঈমকে দলের পতাকার রঙের সাথে মিলিয়ে আকাশি রঙের টি-শার্ট পরা অবস্থায় দেখা যায়।

দুর্দান্ত সূচনা করেছে আর্জেন্টিনা। আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমে তারা ৩ু০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নেয়। ম্যাচের ১৭, ৬০ ও ৭৬ মিনিটে হ্যাটট্রিক করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক ও বিশ্বফুটবলের কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। তার এমন পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বাসে ভাসেন ভক্ত-সমর্থকরা।

এই ম্যাচটি সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করেন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নাদিয়া আহমেদ এবং তার স্বামী অভিনেতা ফারুক সোবহান নাঈম। ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থনে তারা উচ্ছ্বসিত ছিলেন এবং মেসির গোলগুলোতে গ্যালারিতে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন।

২০১৬ সালের জানুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নাদিয়া আহমেদ ও নাঈম । বর্তমানে তারা যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন এবং সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন । ।

×