শিরোনাম:

গণমাধ্যমকে নিখুঁত থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর

গণমাধ্যমকে নিখুঁত থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন গণমাধ্যমকে নিখুঁত করে গড়ে তোলার দায়িত্ব গণমাধ্যমকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন । তিনি বলেছেন, গণমাধ্যম সমাজ ও রাষ্ট্রের আয়না। সেই আয়না যত নিখুঁত হবে, সমাজের চেহারা তত স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

সোমবার (১৫ জুন) সকালে রাজধানীতে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে (ডিএফপি) ‘ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় মিডিয়ার ব্যর্থতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী। ‘বাকশালি শাসনে সংবাদপত্র বন্ধের কালো দিবস উপলক্ষে’ এই সেমিনারের আয়োজন করে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালে সমস্ত গণমাধ্যমের কণ্ঠস্বরকে হত্যা করা হয়েছিল। তাই আজকের এই দিনটি শুধু সেই ঘটনার স্মারক হিসেবে নয়, আমরা চাইলে এটিকে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবস হিসেবেও চর্চা করতে পারি।’

অনুষ্ঠানে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলতে গেলে স্বয়ংক্রিয় ভাবেই বহু মতের সহাবস্থানের প্রশ্ন আসে। আর দায়িত্বশীলতার কথা বলতে গেলে আসে জবাবদিহির প্রশ্ন। এই দুই বিষয় একসঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে না পারায় বাংলাদেশের গণমাধ্যম এত দিনেও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়াতে পারেনি। এ ব্যর্থতার দায় বিগত সরকারগুলোকেই বহন করতে হবে।

আলোচনায় তথ্যমন্ত্রী উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ তুলে ধরেন। যুক্তরাজ্যের অফকম, যুক্তরাষ্ট্রের এফসিসি এবং ইউরোপের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক কাঠামোর মতো একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তার মতে, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যেমন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়, তেমনি দায়িত্বশীলতার সীমারেখাও নির্ধারিত থাকে।

 

তিনি বলেন, ‘যারা ১৬ জুনকে কালো দিবসে পরিণত করেছিল, তাদের বিপরীতে ১৬ জুনকেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্মাণের দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতার বিপরীতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার চেয়ে মধুর প্রতিশোধ আর হতে পারে না।’

গণমাধ্যম খাতের সংস্কার প্রসঙ্গে জহিরউদ্দিন স্বপন বলেন, দেশে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কমিশনে কোয়াসি-জুডিশিয়াল ক্ষমতা থাকতে পারে এবং এটি গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য অভিভাবকত্বের জায়গা হিসেবে কাজ করবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান। প্রবন্ধে গণমাধ্যম পুনর্গঠনে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সময়ক্ষেপণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ফ্যাসিবাদী আমলে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের মামলা পর্যালোচনায় কমিটি গঠন, বিলুপ্ত প্রেস ট্রাস্ট পুনরুজ্জীবন, সম্পাদকদের মর্যাদা রক্ষা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, বিজ্ঞাপন বণ্টনে সুষমতা এবং কর কমানোর দাবিও জানানো হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা ও এর উদ্দেশ্য সব পক্ষকে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করা। সবার লক্ষ্য ও উপসংহারে তেমন কোনো পার্থক্য খুঁজে পাননি বলেও জানান তিনি। এই ঐকমত্যকেই কমিশন গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন মন্ত্রী।

 

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। এতে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, নয়াদিগন্ত সম্পাদক সালাহউদ্দিন বাবর, মানবকণ্ঠ সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, দ্য নিউ নেশন সম্পাদক মো. মোকাররম হোসেন, বাংলাদেশের খবর-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন, দ্য ডেইলি ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ প্রমুখ।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার।

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

গণমাধ্যমকে নিখুঁত থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির তৃতীয় ধাপের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন । উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে উপকারভোগীদের নির্ধারিত হিসাবে ভাতার অর্থ পৌঁছে যায়।

কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পরিবারগুলো প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে। ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী রেসনা বেগম, নাসিমা বেগম ও লাভলী আক্তার বলেন, এই সহায়তা তাদের পরিবারের ব্যয় নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা এই উদ্যোগের জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন

তৃতীয় ধাপে শ্রীমঙ্গল উপজেলার নির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ৩১০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীরা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরাসরি ভাতার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১৫৫ জন নারীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। এ ছাড়া বিশেষ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকজনিত প্যারালাইসিস ও জন্মগত হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক অনুদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সহায়তা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের উন্নয়ন অনুদান, শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক সহায়তা এবং চা-শ্রমিকদের জন্য টেকসই আবাসনের বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এবার বিশ্বকাপের বিস্ময় কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা

গণমাধ্যমকে নিখুঁত থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর

কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। ছবি : রয়টার্স

এবার বিশ্বকাপের বিস্ময় কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা । বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্দের ১-১ গোলের ড্র-টি ছিল টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় চমক। সেই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিহা।

বাংলাদেশের ঢাকার চেয়ে কম প্রায় পাঁচ লাখ ৩০ হাজার জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে’ এই সাফল্য উদ্যাপন এর আগে খুব বেশি পরিচিত না থাকা এই গোলরক্ষকের জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ব্রাজিলের সম্প্রচার মাধ্যমের উৎসাহব্যঞ্জক প্রচারের পর ভোজিনহার ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার থেকে বেড়ে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ৯৭ লাখেরও বেশি হয়েছে। ৯.৭ মিলিয়ন ফলোয়ার এখন উন্মুখ কেপ ভার্দে পরবর্তী ম্যাচ আগামী রোববার সন্ধ্যা ৬টায় মিয়ামিতে তারা উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে দেখার জন্য ।

৪০ বছর বয়সী কেপ ভার্দিয়ান এই গোলরক্ষক, যিনি স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে রেখেছেন, তিনি এখন বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের হৃদয় জয় করছেন। সিএনএনের আমান্ডা ডেভিস ব্যাখ্যা করেছেন, এই বিস্ময়কর ফলাফল এবং হঠাৎ পাওয়া ব্যাপক মনোযোগের বিষয়ে ভোজিনহার খেলা।

সোমবার স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্দের চমকপ্রদ ড্রয়ের পর ভোজিনহা বলেন, তার মা ম্যাচটি দেখতে আসতে পারেননি, কারণ তিনি ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় বন্ডের অর্থ পরিশোধ করতে পারেননি।

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ভিসার কারণে তিনি এখানে আসতে পারেননি… ভিসার জন্য যে অর্থ আমাদের দিতে হয়, সেটির কারণেই। আমরা সময়মতো সেটি করতে পারিনি এবং আমি চাই তিনি এখানে থাকুন।’

কেপ ভার্দে সেই ৫০টি দেশের একটি, যেসব দেশের নাগরিকদের ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হয়। এর কারণ হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশে অবস্থান করার উচ্চ হারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

বিশ্বকাপ মাঠে আর্জেন্টিনার জয়ে উচ্ছসিত নাদিয়া ও নাঈম

গণমাধ্যমকে নিখুঁত থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে জে গ্রুপের প্রথম ম্যাচটি সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করছিলেন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নাদিয়া আহমেদ এবং তার স্বামী অভিনেতা ফারুক সোবহান নাঈম। ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সাথে তারাও উচ্ছ্বসিত ছিলেন এবং মেসির গোলগুলোতে গ্যালারিতে আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠছিলেন মুহুরমূহ।

ম্যাচ শেষে নাদিয়া নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম  ফেসবুক পেজে একাধিক ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমরা জয়ী, আর্জেন্টিনা দল।’ পোস্ট করা ছবিগুলোতে নাদিয়াকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে এবং নাঈমকে দলের পতাকার রঙের সাথে মিলিয়ে আকাশি রঙের টি-শার্ট পরা অবস্থায় দেখা যায়।

দুর্দান্ত সূচনা করেছে আর্জেন্টিনা। আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমে তারা ৩ু০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নেয়। ম্যাচের ১৭, ৬০ ও ৭৬ মিনিটে হ্যাটট্রিক করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক ও বিশ্বফুটবলের কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। তার এমন পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বাসে ভাসেন ভক্ত-সমর্থকরা।

এই ম্যাচটি সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করেন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নাদিয়া আহমেদ এবং তার স্বামী অভিনেতা ফারুক সোবহান নাঈম। ম্যাচজুড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থনে তারা উচ্ছ্বসিত ছিলেন এবং মেসির গোলগুলোতে গ্যালারিতে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন।

২০১৬ সালের জানুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নাদিয়া আহমেদ ও নাঈম । বর্তমানে তারা যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন এবং সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন । ।

×