শিরোনাম:

চরবাসীর জীবন বাঁচাতে চালু হচ্ছে ‘বোট অ্যাম্বুলেন্স’

চরবাসীর জীবন বাঁচাতে চালু হচ্ছে ‘বোট অ্যাম্বুলেন্স’

কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদের দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ‘বোট অ্যাম্বুলেন্স প্রজেক্ট’ চালু হতে যাচ্ছে। দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে চরের মুমূর্ষু রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীর পিপলস্ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির সভাকক্ষে এক্স নটরডেমিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ সাইনিং অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সব ঠিক থাকলে চলতি অক্টোবর মাসেই এই বোট অ্যাম্বুলেন্স সেবাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন, ঝড়-ঝঞ্ঝা, বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে বসবাস করছেন। বিশেষ করে চর রাজিবপুর ও চিলমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের চরে লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। একই সঙ্গে তারা চিকিৎসা, শিক্ষা, বাসস্থানসহ বিভিন্ন মৌলিক সুবিধা থেকেও  বঞ্চিত।

তাদের অধিকাংশই কৃষি ও মৎস্যজীবী। দুর্গম চরাঞ্চলে পর্যাপ্ত ক্লিনিক বা স্বাস্থ্যসেবা না থাকায় অসুস্থ হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়। কিন্তু নদীপথে কয়েক ঘণ্টা নৌযাত্রা করে হাসপাতালে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে।

বক্তারা জানান, জরুরি সময়ে প্রসূতি মা ও শিশু, হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত রোগী কিংবা স্ট্রোকের রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে অনেকেই বাড়িতে, নৌপথে কিংবা হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান।

চরাঞ্চলের মানুষের এই দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই বোট অ্যাম্বুলেন্স প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্রহ্মপুত্রের দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষ জরুরি সময়ে দ্রুত ও নিরাপদে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এক্স নটরডেমিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন : সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাফর আহমেদ পাটোয়ারী, নির্বাহী সভাপতি ডা. শাকিল আরিফ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক দলিলুর রহমান, ট্রেজারার আসিফুর রহমান, নির্বাহী সদস্য সালেহ আহমদ মুকুল, হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মাহবুবুর রহমান

এছাড়াও  উপস্থিত ছিলেন, ডিপ্লোমেট পত্রিকার প্রকাশক নাজিনুর রহমান, নটরডেমিয়ান আব্দুল হান্নান, শুভংকর এবং বোট ম্যানুফ্যাকচার ফাইবার গ্লাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলামসহ অনেকে।

ডিজিটাল বিয়ে

৯৯৯ টাকা দেনমোহর : অভিনেতা সুজাত শিমুল ও অভিনেত্রী জান্নাতুন নেছা

চরবাসীর জীবন বাঁচাতে চালু হচ্ছে ‘বোট অ্যাম্বুলেন্স’

অভিনেতা শিমুল ও অভিনেত্রী জান্নাতুন নেছা ।

মঞ্চ ও টেলিভিশন নাটকের পরিচিত মুখ অভিনেতা সুজাত শিমুল এবং থিয়েটার ও আবৃত্তিকর্মী জান্নাতুন নেছা মাত্র ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

শনিবার (২৪শে অক্টোবর)সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে অত্যন্ত ঘরোয়াভাবে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

বিয়েতে বর-কনের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ এবং লেখক-সাংবাদিক আনিসুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিকভাবে প্রচলিত লাখ লাখ টাকার দেনমোহরের রীতির বাইরে গিয়ে কেন এই ব্যতিক্রমী “৯৯৯ টাকা” বেছে নিলেন, সে বিষয়ে অভিনেতা সুজাত শিমুল বেশ কিছু চমৎকার ও গভীর ভাবনার কথা জানিয়েছেন।

সুজাত শিমুল বলেন, দুই পরিবারের স্বজনদের উপস্থিতিতে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ডিসেম্বর মাসে সহকর্মী ও সতীর্থদের নিয়ে বড় পরিসরে আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

নিজের ফেসবুক পোস্টে অভিনেতা লিখেছেন, একান্তই পরিবারের স্বজনদের উপস্থিতিতে এই আয়োজন স্বল্প পরিসরে সম্পন্ন হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে আপনাদের (সহকর্মী-সতীর্থ) সবাইকে নিয়ে মূল আয়োজন সম্পন্ন হবে ইনশাআল্লাহ। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যাতে আমাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হয়।’

মাত্র ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ের সিদ্ধান্তের পেছনের ভাবনাও জানিয়েছেন সুজাত। তার ভাষ্য, ‘আমরা বিয়েকে জীবনের খুব প্রয়োজনীয় একটি অংশ মনে করি। বিয়ের মধ্যদিয়ে জীবনের নতুন একটি অধ্যায় শুরু হয়, একধরনের পরিপূর্ণতা আসে। অন্যদিকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিপদ-আপদে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করি; সেখান থেকেই ট্রিপল নাইন ধারণাটা আসে।’

দেনমোহরের অঙ্কটি বেছে নেওয়ার পেছনে আরও একটি বার্তা দিতে চেয়েছেন অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় যে বার্তা দিতে চেয়েছি, আমরা বিয়েতে কাবিন করতে গিয়ে এত লাখ টাকা, এত লাখ টাকা- এর মধ্যে যেন মনে হয়, একটা বিনিময় কিংবা আস্থা-অনাস্থার বিষয় সামাজিকভাবে হয়ে আসছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে, নারী হিসেবে একটা সাহস- ৯৯৯ টাকা কাবিনে বিয়ে করছে। অনেক কিছু মিলেই এই ৯৯৯ টাকার ভাবনাটা এসেছে।’

সুজাত শিমুল ও জান্নাতুন নেছার বিয়েতে দুই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য অভিনেতা ও নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদসহ আরও অনেকে।

নতুন জীবনের শুরুতে দাম্পত্য সুখ ও সবার দোয়া চেয়েছেন অভিনেতা। ডিসেম্বরের বড় আয়োজন ঘিরেও এখন অপেক্ষায় রয়েছেন তার সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

সর্বোচ্চ দাম শরীফুলের, ২ কোটি’র ঘরে তাসকিন ও তানজিদ

চরবাসীর জীবন বাঁচাতে চালু হচ্ছে ‘বোট অ্যাম্বুলেন্স’

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘ডমেস্টিক থ্রি’ (ডি-থ্রি) ট্রফির নিলামে খেলোয়াড়দের দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে তুমুল কাড়াকাড়ি দেখা গেছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এই নিলামের শীর্ষ ক্রিকেটারদের দল ও পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়।সিটিজেনস ব্যাংকের আয়োজনে সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ডি থ্রি ট্রফির নিলামে ‘এ’ শ্রেণি থেকে সর্বোচ্চ দাম পেয়েছেন বাংলাদেশের পেসার শরীফুল ইসলাম। তাকে দলে নিতে ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্ট খরচ করেছে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি।

‘এ’ শ্রেণি থেকে তাসকিন আহমেদকে ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্টে দলে নিয়েছে ওয়ালটন গ্রুপ। অন্যদিকে, জাতীয় দলের একাধিক ক্রিকেটারকে দলে নিয়েছে ফরচুন গ্রুপ।

উদ্বোধনী ব্যাটার তানজিদ হাসানকে ২ কোটি, ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্তকে ১ কোটি ৫৫ লাখ, অলরাউন্ডার সৌম্য সরকারকে ৭৫ লাখ এবং লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনকে ৬০ লাখ পয়েন্টে দলে পেয়েছে তারা।

অলরাউন্ডার মেহেদী হাসানকে ১ কোটি ৬০ লাখ পয়েন্টে দলে নিয়েছে এইস ব্লুস্টার্স। বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামকে ৮০ লাখ এবং বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে ৭০ লাখ পয়েন্টে দলে নিয়েছে সেভেন রিংস সিমেন্ট।

উইকেটকিপার-ব্যাটার জাকের আলীকে ১ কোটি ৮০ লাখ পয়েন্টে দলে নিয়েছে সিটিজেনস ব্যাংক। প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১০ কোটি পয়েন্ট।

ছয় দলের এই টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা শুরু হবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ৩১ ডিসেম্বর। ফাইনালের জন্য ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি রাখা হয়েছে বিকল্প দিন।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের আদলে আয়োজন করা হবে এই প্রতিযোগিতা। গ্রুপ পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চার দল খেলবে প্লে-অফে।

আজকের শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব: রাষ্ট্রপতি

চরবাসীর জীবন বাঁচাতে চালু হচ্ছে ‘বোট অ্যাম্বুলেন্স’

আজকের তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বঙ্গভবন পরিদর্শনে আসা মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বঙ্গভবন পরিদর্শনে আসা মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি জারি হওয়া ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের বঙ্গভবন ভ্রমণ সংক্রান্ত নীতিমালা’২০২৬’-এর আওতায় প্রথমবারের মতো মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বঙ্গভবন পরিদর্শন করলেন। কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক লাল মোহাম্মদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠানটির ৭ম থেকে ৯ম শ্রেণির বাছাই করা সেরা শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা পরিদর্শনে অংশ নেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বঙ্গভবনের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পরে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন এবং তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। নতুন প্রজন্মকে বঙ্গভবন ও রাষ্ট্রের ইতিহাস-ঐতিহ্য বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে অভিনব এ আয়োজনে পরিদর্শনে আসা শিক্ষার্থীরা এই প্রথম রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কুশল বিনিময় ও অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতার সুযোগ পান।

রাষ্ট্রপতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্যে গুরুজন ও শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান করার পাশাপাশি সন্তানের জন্য বাবা-মায়ের আত্মত্যাগের কথা স্মরণে রেখে নিজেদের গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নিজেদের সুশিক্ষিত ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে যেমন বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ হবে, তেমনি জাতির প্রত্যাশাও পূরণ হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গভবন শুধু একটি ভবন নয়, এটি রাষ্ট্রের প্রতীক, ইতিহাসের স্বাক্ষী।

ভবিষ্যতে পালাক্রমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বঙ্গভবন পরিদর্শনে নিয়ে আসা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বঙ্গভবন নিয়ে, রাষ্ট্র নিয়ে, ভবিষ্যতের নেতৃত্ব নিয়ে যেন তোমাদের আগ্রহ সৃষ্টি হয়, সে জন্যই আজ তোমাদের এই পরিদর্শন।’

এ সময় রাষ্ট্রপতি বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় দক্ষ হয়ে নতুন নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতির সচিব ও প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

×