শিরোনাম:

রিয়ালে প্রথম ১০০ ম্যাচে কে এগিয়ে—এমবাপে নাকি রোনালদো?

রিয়ালে প্রথম ১০০ ম্যাচে কে এগিয়ে—এমবাপে নাকি রোনালদো?

একজন ক্লাবের সর্বকালের অন্যতম সেরা। অন্যজন বিশাল প্রত্যাশা নিয়ে পা রেখেছিলেন ‘স্বপ্নের ঠিকানায়’। গোলের পর গোল করে রিয়াল মাদ্রিদকে একের পর এক সাফল্য এনে দিয়েছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। ওল্ড ট্যাফোর্ড থেকে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এসেই রোনালদো বদলে দিয়েছিলেন লস ব্লাঙ্কোসদের ভাগ্য। ঠিক তেমনি এক বুক স্বপ্ন নিয়ে পিএসজি থেকে মাদ্রিদে পা রাখেন কিলিয়ান এমবাপে।

লা লিগায় গত ২৫ এপ্রিল রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ম্যাচে রিয়ালের হয়ে শততম ম্যাচ খেলেন এমবাপে। ১০০ ম্যাচের মাইলফলকের স্পর্শ করার পর স্বাভাবিকভাবেই ফরাসি ফরোয়ার্ডের পারফরম্যান্স নিয়ে চলছে ব্যবচ্ছেদ। রিয়ালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল করা রোনালদোর সঙ্গেই এমবাপের তুলনা টানছেন অনেকে। উভয়ই ইউরোপের সবচেয়ে সফল ক্লাবের ইতিহাসে গভীর ছাপ ফেলেছেন (এমবাপ্পে এখনও সেই ধারা বজায় রাখছেন)। রিয়ালের হয়ে প্রথম ১০০ ম্যাচ শেষে দুজনেই অর্জন করেছেন বড় বড় সব কীর্তি। তবে এই ১০০ ম্যাচের পথচলায় কার যাত্রা কেমন ছিল এবং কে কতটা সফল, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এমবাপের জন্য তেতো সত্য হলো, রিয়াল মাদ্রিদের দলীয় হতাশাজনক পারফরম্যান্স তাঁর ব্যক্তিগত অর্জনগুলোকে কিছুটা আড়ালে পাঠিয়ে দিয়েছে। গত মৌসুমে ইউয়েফা সুপার কাপ এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ ছাড়া দলগতভাবে বড় কোনো সাফল্য এখনও আসেনি।

অবশ্য এই দিক থেকে এমবাপে কিছুটা সান্ত্বনা পেতে পারেন, কারণ রোনালদোর শুরুর বছরগুলোও কিন্তু ট্রফিতে খুব একটা ঠাসা ছিল না। রিয়ালের হয়ে নিজের অভিষেক মৌসুমে রোনালদো কোনো শিরোপাই জিততে পারেননি, আর দ্বিতীয় মৌসুমে জিতেছিলেন কেবল কোপা দেল রে।

এবার আসা যাক গোলের লড়াইয়ে। গোলের খেলা ফুটবলে রোনালদো শুরু থেকেই এক আকাশচুম্বী মানদণ্ড তৈরি করে দিয়েছিলেন। রিয়ালে নিজের প্রথম ১০০ ম্যাচে ৮,১৬০ মিনিট খেলে ৯৫টি গোল (১৯টি পেনাল্টি থেকে) করেছিলেন ‘সিআর সেভেন’। বিপরীতে এমবাপ্পে ১০০ ম্যাচে ৮,৪৬৪ মিনিট মাঠে থেকে ( রোনালদোর চেয়ে প্রায় ৩০০ মিনিট বেশি) করেছেন ৮৫টি গোল (১৬টি পেনাল্টি থেকে) এবং ২৩টি অ্যাসিস্ট।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে প্রথম ১০০ ম্যাচ শেষে কিলিয়ান এমবাপ্পের পরিসংখ্যান তাকে ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতাদের কাতারেও নিয়ে এসেছে। এরইমধ্যে করিম বেনজেমা, হুগো সানচেজ এবং রোনালদো নাজারিও-র মতো কিংবদন্তিদের ছাড়িয়ে গেছেন এবং রোনালদোর রেকর্ডের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন।

রিয়ালের ইতিহাসের সেরা গোলমেশিনদের প্রথম ১০০ ম্যাচের সাথে তুলনা করলে দেখা যায়, ফরাসি এই তারকা এমবাপের অবস্থান বেশ উঁচুতে। এই তালিকায় তাঁর ওপরে আছেন কেবল ফেরেঙ্ক পুসকাস (১০০ গোল), রোনালদো (৯৫ গোল) এবং প্রুদেনসিও সানচেজ ও পাহিঁয়ো (৮৬ গোল)। তবে আলফ্রেডো ডি স্টেফানো (৮৩ গোল) এবং হুগো সানচেজের (৭১ গোল) মতো ক্লাবের অনেক মহাতারকাকেও পেছনে ফেলে দিয়েছেন ২৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।

লা লিগায় ৫৫টি, চ্যাম্পিয়নস লিগে ২২টি, কোপা দেল রে-তে ৪টি, স্প্যানিশ সুপার কাপে ৩টি এবং ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ ও উয়েফা সুপার কাপে একটি করে গোল করেছেন এমবাপে।

বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদের সবচেয়ে বড় তারকা হওয়া সত্ত্বেও, এমবাপে আসার পর থেকে স্প্যানিশ জায়ান্টদের হতাশাজনক ফলাফল এই ফরাসি অধিনায়কের ব্যক্তিগত অর্জনকে একেবারেই ম্লান করে দিয়েছে। তাঁর উপস্থিতিতে গত মৌসুমে দলটি কেবল উয়েফা সুপার কাপ এবং ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ জিততে পেরেছে।

অবশ্য ব্যাক্তিগত পারফরম্যান্সে কোনো কমতি না রাখা এমবাপে এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত ২৪ গোল করে লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘পিচিচি’ ট্রফি ধরে রাখার দৌড়ে বেশ এগিয়ে আছেন। এছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও তিনি ১৫ গোল করে সবার ওপরে। সেমিফাইনাল ওঠা বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইন (১২ গোল) তাঁর চেয়ে পিছিয়ে আছেন।

সাবেক পিএসজি তারকা এমবাপে এখনও বড় ম্যাচগুলোতে নিজের জাত চেনাতে পারেননি। তাঁর উপস্থিতিতে রিয়াল মাদ্রিদ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি বার্সেলোনাকে মাত্র একবার হারাতে পেরেছে, বিপরীতে হার মেনেছে পাঁচবার। এমনকি নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষেও পরিসংখ্যান খুব একটা সুবিধাজনক নয়; দুই জয়ের একটিতে এমবাপে বদলি হিসেবে নেমেছিলেন, বাকি ম্যাচগুলোতে একটি ড্র এবং দুই হার সঙ্গী হয়েছে তাঁর।

সব মিলিয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এমবাপের সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। লা লিগার গত পাঁচ ম্যাচের চারটিতেই কোনো গোল পাননি। এছাড়া ক্লাবের শিরোপাহীন যাত্রা এবং তার বাঁ হাঁটুর চোট ভক্তদের মনে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করেছে।

চার দিন দেশের একাধিক স্থানে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

রিয়ালে প্রথম ১০০ ম্যাচে কে এগিয়ে—এমবাপে নাকি রোনালদো?

৭ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে আজ থেকে চার দিন বা ৯৬ ঘণ্টা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত থাকায় মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

টানা এই ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে দেশের এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানায়, ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতকে ভারী এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাতকে অতি ভারী বর্ষণ হিসেবে ধরা হয়।

দুদকের পাঁচ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতির জামিন বহাল

রিয়ালে প্রথম ১০০ ম্যাচে কে এগিয়ে—এমবাপে নাকি রোনালদো?

জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যাসহ দুদকের করা পাঁচ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

আজ (মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।

পরে অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, খায়রুল হকের বিরুদ্ধে আরো দুই মামলায় থাকায় তিনি এখনই কারামুক্তি পাচ্ছেন না।

গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল মঞ্জুর করে তাকে চার মামলায় জামিন দেন। পরে ১১ মার্চ দুদকের মামলায়ও জামিন পান। এ জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। তবে এর মধ্যে নিম্ন আদালতে আরও দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। এরপর তিনবার তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হন। তার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায় জালিয়াতির অভিযোগও রয়েছে।

হজযাত্রায় এখন পর্যন্ত ঢাকা ছেড়েছেন ৩৭৭৯২ জন যাত্রী

রিয়ালে প্রথম ১০০ ম্যাচে কে এগিয়ে—এমবাপে নাকি রোনালদো?

হজযাত্রার ১১তম দিন পর্যন্ত ৯৪টি ফ্লাইটে সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন ৩৭ হাজার ৭৯২ জন হজযাত্রী। যাত্রাপথে এবার হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় কোনো অভিযোগ নেই যাত্রীদের।

হজযাত্রীদের নিয়ে আজ (মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল) জেদ্দায় যাচ্ছে তিনটি ফ্লাইট। বাংলাদেশ বিমানের দুটি ও সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মোট যাত্রী সংখ্যা ১ হাজার ২৪৪ জন। তবে দেশটিতে পৌঁছার পর গতকাল (সোমবার, ২৭ এপ্রিল) পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন।

এছাড়া হজ অফিস জানায়, নিবন্ধিত হজ যাত্রীদের মধ্যে দেশে বিভিন্ন সময় মারা গেছেন আরও অন্তত চারজন। ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য এবার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রেখেছে হজ অফিস।

×