শিরোনাম:

এক খোদা, এক নেতা, এক জাতিই হলো ইরানের বিজয়ের পথ

এক খোদা, এক নেতা, এক জাতিই হলো ইরানের বিজয়ের পথ

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কায়ানি বলেছেন, ইরানি জনগণের রাজপথের ইস্পাতকঠিন ঐক্য এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের মধ্যকার নিবিড় সংহতিই মার্কিন-ইসরায়েলি শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ফ্রন্ট-এর প্রধান শক্তি।

তিনি এই ঐক্যকে পবিত্র যুদ্ধে লিপ্ত সীমান্তহীন যোদ্ধাদের জন্য সবচেয়ে বড় সমর্থন হিসেবে অভিহিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বার্তায় জেনারেল কায়ানি বলেন, মার্কিন-জায়নবাদী শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রতিরোধ ফ্রন্ট এবং সীমান্তহীন যোদ্ধাদের প্রধান শক্তি হলো রাজপথের ঐক্য এবং কর্মকর্তাদের সংহতি।

ইরানের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দেওয়া একগুচ্ছ বিবৃতির রেশ ধরে কায়ানি জোর দিয়ে বলেন, যারা বলেন আমরা সবাই ইরানি ও বিপ্লবী, তারা জাতি ও রাষ্ট্রের এই অটুট ঐক্য এবং সর্বোচ্চ নেতার প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের মাধ্যমে অপরাধী আগ্রাসনকারীদের অনুশোচনা করতে বাধ্য করবেন। আমাদের লক্ষ্য-এক খোদা, এক নেতা, এক জাতি এবং এক পথ; আর এটিই ইরানের বিজয়ের পথ।

জেনারেল কায়ানির এই বিবৃতিটি মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের একটি সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া। ট্রাম্প ইরানের ভেতরে চরমপন্থী ও নরমপন্থী বিভাজনের যে দাবি করেছিলেন, তাকে উসকানিমূলক আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবাফ এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি এজেয়ি। তারা সবাই একযোগে জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন।

এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা হোসেইনি খামেনি জাতির এই অভূতপূর্ব ঐক্যের প্রশংসা করে বলেন, জনগণের এই সংহতি শত্রুর শিবিরে ফাটল ধরিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানিদের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান শত্রুর সমস্ত হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই জাতীয় সংহতি জায়নবাদী ও মার্কিন মিত্রদের সমস্ত ষড়যন্ত্র-তা সে গুপ্তহত্যা হোক, অবৈধ নিষেধাজ্ঞা হোক কিংবা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ-সবকিছুকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। এই ঐক্যই মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আত্মনির্ভরশীলতা এবং আঞ্চলিক প্রভাবের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। সূত্র: প্রেস টিভি

বিচার বিভাগের সব দুর্নীতির শেকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী

এক খোদা, এক নেতা, এক জাতিই হলো ইরানের বিজয়ের পথ

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিচার বিভাগের সব দুর্নীতির শেকড় তুলে আনতে চাই।

আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্মিত ভবনের দ্বার উন্মোচন ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদ, মানবাধিকার কমিশন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগীয় সচিবালয় আইনের বিষয়ের অনেকে প্রশ্ন তুলছেন। প্রতিটি আইন যাচাই বাছাই করে সংসদে বিল আকারে আনা হবে।

মন্ত্রী বলেন, অনেকেই বলছেন বিএনপি জুলাই সনদ অস্বীকার করছে। অথচ বিএনপি ধমনীতে জুলাই সনদ ধারণ করে। জুলাই সনদের কিছু অংশে প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদের বিষয়ে বিএনপি যে অঙ্গীকার করেছিল তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, মাজদার হোসেনের উদাহরণ দিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলা হচ্ছে। আমরা মাজদার হোসেনের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত বিচার বিভাগ গড়তে চাই না।

বিচার বিভাগের সব দুর্নীতির শেকড় তুলে আনতে চাই।

যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বক্তৃতা করেন।

এর আগে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান যশোর শহরের কারবালা কবরস্থানে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেন। পরে তিনি শহরের পুরাতন জেলা জজ আদালত পরিদর্শন করেন।

কলেজ শিক্ষিকাকে পেটানোর ঘটনায় বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার

এক খোদা, এক নেতা, এক জাতিই হলো ইরানের বিজয়ের পথ

রাজশাহীর দূর্গাপুরে দাওকান্দি সরকারি কলেজে ঢুকে ভাঙচুর ও শিক্ষিকাকে স্যান্ডেল দিয়ে পেটানোর ঘটনায় দূর্গাপুর উপজেলাধীন জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আকবর আলীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে রাজশাহী জেলাধীন দূর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আকবর আলীকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে আকবর আলী বলেন, এ বিষয়ে আমি জানি না। সেদিন এলাকার মুরব্বিরা দাওয়াত পত্র নিয়ে গেছিল। এসময় ম্যাডাম হীরা বলেন- আপনারা কি জন্য এখানে। আপনারা টাকা নিতে আসছেন নাকি? এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারি ঘটনা ঘটে।

৬৮ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রামে দুটি জাহাজ

এক খোদা, এক নেতা, এক জাতিই হলো ইরানের বিজয়ের পথ

চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজ ভিড়ছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ও শুক্রবার সকালে মোট ৬৮ হাজার ৪৫০ টন ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে আরও একটি জাহাজে জেট ফুয়েল আসার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজ এমটি কোয়েটা চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসে। এর আগে শুক্রবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ প্রাইভ এঞ্জেল ভিড়ে।

দৈনিক ১২ হাজার ৭০০ টন চাহিদার হিসাবে এই দুটি চালানে দেশে প্রায় পাঁচ দিনের বেশি ডিজেলের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে শুক্রবার বিকেল ৪টায় দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩৪ হাজার ৬০০ টন জেট ফুয়েল নিয়ে চীনা পতাকাবাহী জাহাজ জিং টং ৭৯৯ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে। দৈনিক ২ হাজার ৫০০ টন চাহিদার হিসাবে এই জেট ফুয়েল দিয়ে প্রায় ১৪ দিনের সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে।

জাহাজগুলোর স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনসের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে কিছু জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে ডিজেল খালাস শুরু হয়েছে। মজুদ পরিস্থিতি বিবেচনায় জেট ফুয়েলবাহী জাহাজ থেকে আগে খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে, এরপর ডিজেল খালাস শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে বহির্নোঙরে চারটি জাহাজ অপেক্ষমাণ রয়েছে। বড় আকারের জাহাজ হওয়ায় বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই কুতুবদিয়া এঙ্করেজ থেকে ছোট ভেসেলের মাধ্যমে লাইটারিং করে জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে।

×