শিরোনাম:

ট্রাম্প প্রশাসন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমমন্ত্রী

ট্রাম্প প্রশাসন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমমন্ত্রী লরি শাভেজ-ডেরেমার সোমবার জানিয়েছেন, তিনি তার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তার দপ্তরে একাধিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পরই তার এই সিদ্ধান্ত এলো।

এই কেলেঙ্কারিগুলোর মধ্যে তরুণ নারী কর্মীদের প্রতি আচরণ নিয়ে অভিযোগও রয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

তার এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা জল্পনার অবসান হলো।

এর আগে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম ও অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি উভয়কেই কয়েক দিনের ব্যবধানে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের মন্ত্রিসভায় বিশেষ করে নারী কর্মকর্তাদের পদ হারানোর ঘটনা ঘন ঘন ঘটছে।

শাভেজ-ডেরেমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘প্রশাসনে আমার দায়িত্বকাল শেষ হয়ে আসলেও, এর মানে এই নয় যে আমি আমেরিকান শ্রমিকদের জন্য লড়াই করা বন্ধ করে দেব।

তিনি জানান, তিনি আবার বেসরকারি খাতে ফিরে যাবেন।

হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চেউং তার কাজের প্রশংসা করে বলেছেন, তিনি এই পদে থেকে ‘অসাধারণ কাজ’ করেছেন।

সাবেক কংগ্রেসওম্যান শাভেজ-ডেরেমাকে নিয়োগের ও অনুমোদনের সময় এক ডজনের বেশি ডেমোক্র্যাটের সমর্থন পেয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে যে তিনি, তার সহকাররাী ও পরিবারের সদস্যরা তরুণ কর্মীদের কাছে ব্যক্তিগত বার্তা পাঠাতেন এবং অনুরোধ জানাতেন।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি ও তার সাবেক ডেপুটি চিফ অব স্টাফ কিছু কর্মীকে দপ্তরের সফরের সময় তাদের জন্য ওয়াইন আনতে বার্তা পাঠিয়েছিলেন।

টাইমস জানিয়েছে, শাভেজ-ডিরেমারের স্বামী ও তার বাবা উভয়েই তরুণী নারী কর্মীদের সঙ্গে টেক্সট মেসেজ আদান-প্রদান করেছিলেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনকে তিনি ওই পুরুষদের প্রতি মনোযোগ দিতে’ নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এই অভিযোগগুলো তদন্তের অংশ হিসেবে উঠে আসে। তদন্তে বলা হয়, দপ্তরের ভেতরে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে এবং কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

তদন্তের ফলে তার টিমের বা দলের চারজনকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে সাবেক চিফ অব স্টাফ ও ডেপুটি চিফ অব স্টাফও রয়েছেন।

তিন জন কর্মী বৈষম্য ও হয়রানির অভিযোগও দায়ের করেছেন বলে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের এপ্রিলের এক বার্তায় তার বাবা রিচার্ড শাভেজ এক তরুণী কর্মীকে লিখেছিলেন, তিনি তাকে শহরে দেখার আশা করেছিলেন এবং দেখা করতে পারলে শহর ঘুরিয়ে দেখাতেন।
তবে বিষয়টিকে গোপন রাখতে বলেন তিনি।

তবে শাভেজ-ডেরেমার ব্যক্তিগতভাবে তার বা তার স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে এমএস নাউ জানিয়েছে যে, দুই জন তরুণী কর্মী দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তাদের অভিযোগ, গত বছরের শেষের দিকে মার্কিন শ্রম দপ্তরের কার্যালয়ে কর্মরত থাকাকালীন শাভেজ-ডিরেমারের স্বামী শন ডিরেমার অনাকাক্সিক্ষতভাবে তাদের শরীর স্পর্শ করেছেন।

হোয়াইট হাউসের চেউং জানিয়েছে, শাভেজ-ডিরেমারের ডেপুটি কিথ সন্ডারলিং ভারপ্রাপ্ত শ্রমমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। তবে স্থায়ীভাবে নতুন মন্ত্রী কে হবেন, তা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ হয়েছে, প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

ট্রাম্প প্রশাসন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমমন্ত্রী

দেশে চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত কোথাও প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি এবং পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও কঠোর নজরদারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা দিয়েছে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি ছিল সন্তোষজনক।

তিনি বলেন, “এবারের পরীক্ষায় আমরা মাঠপর্যায়ে ঘুরে দেখেছি, সবখানেই শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে। প্রশাসন, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।”

প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এবার কোথাও প্রশ্নফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং এমন কোনো সম্ভাবনাও নেই। সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা উৎসবমুখর ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে পরীক্ষা দিচ্ছে, যা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক।

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ট্রাম্প প্রশাসন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমমন্ত্রী

জামায়াত আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ঢাকাস্থ জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল) দুপুর ২টায় বিরোধীদলীয় নেতার সংসদীয় কার্যালয়ে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও প্রেস অফিসার শারলিনা নুজহাত কবির।

বৈঠকে সংসদীয় গণতন্ত্র সুসংহতকরণ, জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে আলোচনা হয়। জার্মানি বাংলাদেশে সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা দেখতে চায়।

আমিরে জামায়াত বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ ও গণরায়ের প্রতি দায়বদ্ধ। জামায়াত গুণগত পরিবর্তন ও সংস্কার চায়, যাতে দেশে আর একদলীয় শাসন ফিরে না আসে।’

এছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশের টেকসই গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য জনাব আলী আহমাদ মাবরুর।

ইইউ’র মধ্যে ইতালি বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ট্রাম্প প্রশাসন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ইতালি বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটির সঙ্গে নিরাপদ অভিবাসনসহ সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়েছে।

তিনি বলেন, ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সেজন্য বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশ এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখাসহ অদূর ভবিষ্যতে দেশটির সঙ্গে সহযোগিতা আরো জোরদার করতে চায়।

মন্ত্রীর সঙ্গে আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূতও নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইতালি দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে চলমান রাখাসহ এটিকে বিস্তৃত করতে আগ্রহী।

তিনি জানান, ইতালির বর্তমান সরকার নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে বদ্ধপরিকর। অভিবাসন ইস্যুটি দেশটির অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইতালিতে আগামী জুন মাস থেকে নতুন অভিবাসন নীতি কার্যকর হবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন, দ্বিপাক্ষিক শ্রমবাজার এবং দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা ইতালিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ইতালির ইন্টেরিয়র মিনিস্টারের অভিনন্দন পত্র মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন এবং মন্ত্রীকে ইতালি সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী এ বছরের সুবিধাজনক সময়ে ইতালি সফর করবেন বলে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, নিরাপদ অভিবাসন, জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ বিষয়ক পরিচালক অনির্বাণ নিয়োগী এবং ইতালি দূতাবাসের হেড অব কনস্যুলার চ্যান্সেরি লরা শেলা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

×