শিরোনাম:

ইরানের ইউরেনিয়াম উদ্ধার প্রক্রিয়া হবে দীর্ঘ ও কঠিন: ট্রাম্প

ইরানের ইউরেনিয়াম উদ্ধার প্রক্রিয়া হবে দীর্ঘ ও কঠিন: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার রাতে বলেছেন, গত বছর তেহরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলে ইরান থেকে ইউরেনিয়াম সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া হবে ‘দীর্ঘ এবং কঠিন’। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এ কথা জানায়।

ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার ছিল ইরানের নিউক্লিয়ার ডাস্ট সাইটগুলোর ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ ও সামগ্রিক ধ্বংসযজ্ঞ।’

তিনি আরও বলেন, অতএব, এটি খনন করে বের করার প্রক্রিয়া হবে দীর্ঘ ও কঠিন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতকে বোঝাতে নিয়মিত ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ শব্দটি ব্যবহার করেন।

ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির উদ্দেশ্যে এই ইউরেনিয়াম মজুত করছে বলে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ এনেছে।

দেশে ১.২২ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে: ডা. জাহেদ উর রহমান

ইরানের ইউরেনিয়াম উদ্ধার প্রক্রিয়া হবে দীর্ঘ ও কঠিন: ট্রাম্প

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, গত ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩৩ মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে, যা বর্তমান চাহিদা বিবেচনায় স্থিতিশীল অবস্থানে আছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত বা সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবে প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হচ্ছে জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধি এবং মানুষের মধ্যে সৃষ্ট অযাচিত ভীতি। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রভাব সব দেশেই পড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তবুও সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব দেশীয় বাজারেও পড়ছে। তবে সরকার চেষ্টা করছে যেন জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর কম পড়ে। বিশেষ করে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সীমিত রাখার উদ্যোগ নেয়া হবে। একইসঙ্গে পণ্যের মূল্যও পরিস্থিতি অনুযায়ী সমন্বয় করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

অর্থনৈতিক দিক থেকে সাম্প্রতিক ব্যাংক ঋণ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, গত দুই মাসে সরকার প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে। এতে কিছুটা চাপ তৈরি হতে পারে এবং এর প্রভাব জনগণের ওপরও পড়তে পারে। তবে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, পরিস্থিতি এখনো সংকটজনক বা ‘রেড জোন’-এ পৌঁছায়নি। সরকারের নেয়া ঋণ জনগণের কল্যাণমূলক কাজেই ব্যয় করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে রাজধানীতে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে নতুন উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। হকারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে নগরের আটটি নির্দিষ্ট স্থানে নৈশবাজার স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ফুটপাত দখলমুক্ত হবে, অন্যদিকে হকারদের জীবিকাও বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাংস্কৃতিক দিক থেকেও নতুন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশসহ মিয়ানমার, কম্বোডিয়া এবং ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আঞ্চলিকভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আগামী বছরের নববর্ষের আগেই এ বিষয়ে একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা গ্রহণের কথা রয়েছে। এছাড়া পুরো বৈশাখ মাসজুড়ে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার।

সব মিলিয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি, অর্থনীতি, নগর ব্যবস্থাপনা এবং সংস্কৃতি সবক্ষেত্রেই সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।

শান্তি আলোচনার খবরে বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

ইরানের ইউরেনিয়াম উদ্ধার প্রক্রিয়া হবে দীর্ঘ ও কঠিন: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার খবরের অপেক্ষায় রয়েছেন বিশ্ববাজারের বিনিয়োগকারীরা। এই কূটনৈতিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার ফলে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এশিয়ার বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের অন্যতম প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুড-এর দাম ১.৬% কমে প্রতি ব্যারেল ৯৩.৯৭ ডলারে নেমেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)-এর দাম ১.৫% কমে ব্যারেল প্রতি ৮৬.১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার বিষয়টি এখনো অস্পষ্ট। দুই দেশের কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত এই আলোচনার বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো নিশ্চিত বার্তা দেয়নি। মূলত এই অনিশ্চয়তা এবং সম্ভাব্য সমঝোতার আশায় বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে তেলের বাজারে। সূত্র: বিবিসি

চুক্তি না হলে বুধবার থেকে ইরানে অভিযান: ট্রাম্প

ইরানের ইউরেনিয়াম উদ্ধার প্রক্রিয়া হবে দীর্ঘ ও কঠিন: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত না হলে এর মেয়াদ বৃদ্ধির সম্ভাবনা ‘খুবই কম’। উপরন্তু, কোনো চুক্তি না হলে ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় ২২ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যা (বাংলাদেশের স্থানীয় সময় ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল) থেকে ইরানে ফের মার্কিন অভিযান শুরু হবে।

গত ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দিনের এই যুদ্ধবিরতি শুরু হয়, যার মেয়াদ শেষ হবে ২২ এপ্রিল বুধবার। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার তিন দিন পর শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসেছিলেন। তবে ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও কোনো প্রকার চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই সেই বৈঠক শেষ হয়।

গতকাল সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ বিষয়ে কথা বলেন। ২২ এপ্রিলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর না হলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এর মেয়াদ বৃদ্ধির কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, এমন সম্ভাবনা খুবই কম।

সেক্ষেত্রে মার্কিন বাহিনী ইরানে ফের অভিযান শুরু করতে পারে কি না, ব্লুমবার্গের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যদি যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার আগে কোনো চুক্তিস্বাক্ষর না হয়- সেক্ষেত্রে অবশ্যই অভিযান শুরু হবে; বুধবার সন্ধ্যা থেকেই শুরু হবে।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে একটি ‘ভালো’ চুক্তি করতে চান এবং এক্ষেত্রে সময় যতই লাগুক, তাতে তার কোনো সমস্যা নেই। ব্লুমবার্গকে তিনি বলেন, আমি ইরানের সঙ্গে কোনো বাজে চুক্তি করার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠিনি। আমরা একটি ভালো চুক্তি চাই এবং এজন্য যত সময় লাগে- লাগুক। আমাদের হাতে প্রচুর সময় আছে। সূত্র: সিএনএন

×