শিরোনাম:

রূপপুরে জ্বালানি লোডিং ২৮ এপ্রিল, উৎপাদন শুরু আগস্টে

রূপপুরে জ্বালানি লোডিং ২৮ এপ্রিল, উৎপাদন শুরু আগস্টে

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিংয়ের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। উৎপাদন প্রক্রিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ধাপটি সম্পন্ন হওয়ার পর সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুলাইয়ের শেষ অথবা আগস্টের শুরুর দিকেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আশা করছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জ্বালানি লোডিং শেষ হওয়ার তিন মাসের মাথায় প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই কেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে উৎপাদন বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা) প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের কমিশনিং লাইসেন্স এবং সংশ্লিষ্ট ৫২ জন বিশেষজ্ঞ জনবলের অনুমোদন প্রদান করে। যদিও কিছু কারিগরি জটিলতার কারণে গত ৭ এপ্রিলের নির্ধারিত লোডিং কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল, তবে বায়রা চেয়ারম্যান জানিয়েছেন যে সব ধরনের নিরাপত্তা মানদণ্ড নিশ্চিত করেই চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সময় স্বল্পতার কারণে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট উপস্থিত থাকতে পারছেন না। তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং রাশিয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্প এলাকায় উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানিয়েছেন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৫২ জন বিশেষজ্ঞ এবং রুশ অপারেটরদের যৌথ সমন্বয়ে কেন্দ্রটি পরিচালিত হবে। ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের দুটি ইউনিট থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ পূরণ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্থানীয়দের নিরাপত্তা বিষয়ে আশ্বস্ত করতে ইতিমধ্যে প্রকল্প এলাকায় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে পরমাণু শক্তি কমিশন।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান, প্রতি মাসে ১০–১৫ শতাংশ করে উৎপাদন বাড়তে থাকবে। ফিজিক্যাল স্টার্টআপের পর পূর্ণ ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেতে সময় লাগতে পারে প্রায় ৮ থেকে ১০ মাস। এ বছরের শেষের দিকে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটে ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে ২৮ এপ্রিল জ্বালানি লোডিং অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে স্থানীয় জনসম্পৃক্ততা জোরদার এবং স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি ও সরাসরি মতবিনিময়ের লক্ষ্যে প্রকল্প সাইটের নিকটবর্তী চরসাহাপুরে ২৩ এপ্রিল উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় জনগণ অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের নিরাপত্তা, পরিবেশগত প্রভাব, প্রযুক্তিগত দিক ও আর্থ-সামাজিক গুরুত্ব সম্পর্কে সহজ ভাষায় তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

এসময় প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন বলেন, স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা একটি বড় জাতীয় প্রকল্পের সফলতার মূল চাবিকাঠি। তিনি গুজব বা যাচাইবিহীন তথ্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে সঠিক তথ্যের জন্য প্রকল্প কর্তৃপক্ষ, তথ্যকেন্দ্র ও অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ‘Nuclear Power in Bangladesh’ অনুসরণের পরামর্শ দেন।

প্রসঙ্গত, পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর তীরে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা নেয়া হয়েছে। এখানে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর ব্যবহার করা হয়েছে। দুটি ইউনিট পূর্ণ উৎপাদনে গেলে এখান থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশেরও বেশি পূরণ করবে।

যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

রূপপুরে জ্বালানি লোডিং ২৮ এপ্রিল, উৎপাদন শুরু আগস্টে

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন দু’দিন বন্ধ থাকার পর ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন প্রথম ইউনিটটে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছে।

আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে ইউনিটটি চালু করা সম্ভব হয়েছে। আজ শুক্রবার রাত ৮টা থেকে প্রথম ইউনিট থেকে ৫৫ থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু হয়েছে। এর জন্য দৈনিক ৭০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হচ্ছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩টি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট ১২৫ মেগাওয়াট করে মোট ২৫০ মেগাওয়াট। আর তৃতীয় ইউনিটটি ২৭৫ মেগাওয়াট।

এর মধ্যে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। আর ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ আছে।

প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, প্রথম ইউনিট চালু হওয়ায় এই অঞ্চলের মানুষ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন এবং লোডশেডিংয়ের মাত্রা অনেকটা কমবে আসবে বলে আশা করা যায়।

এর আগে গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে ইউনিটটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় এবং উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সে সময় প্রধান প্রকৌশলী জানিয়েছিলেন, কয়লার সঙ্গে পাথর আসায় ইউনিটটির বয়লার পাইপ ফেটে যায়। মেরামত করে পুনরায় উৎপাদন শুরু করতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও তার আগেই এটি সচল করা সম্ভব হলো।

উল্লেখ্য, ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুই নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। বন্ধ হওয়ার আগে এই ইউনিটটি থেকে প্রায় ৬০-৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যেত।

এরপর থেকে মূলত এক ও তিন নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন চলছিল। তবে সচল থাকা এই ইউনিট দুটিও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। গত ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসেও বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার কারণে কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরোনো এই কেন্দ্রে বারবার এমন বিপর্যয়ের ফলে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এশিয়ান গেমস বাছাইয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

রূপপুরে জ্বালানি লোডিং ২৮ এপ্রিল, উৎপাদন শুরু আগস্টে

আন্তর্জাতিক হকির আঙিনায় নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ নারী হকি দল। নিজেদের ইতিহাসের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেই জয় তুলে নিলো বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) উজবেকিস্তানকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে তারা।

প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী চায়নিজ তাইপের সঙ্গে ৫-৫ গোলে ড্র করার পর এই জয়ে সেমিফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার জিবিকে হকি মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেছে মেয়েদের। ম্যাচের ১১ মিনিটেই পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন শারিকা রিমন। তবে সমতায় ফিরতে সময় নেয়নি উজবেকিস্তান; ঠিক এক মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্নার থেকে গোলটি শোধ করেন খুজায়েভা মাদিনাবোনু।

​২৪ মিনিটে কনা আক্তারের দুর্দান্ত এক ফিল্ড গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় লাল-সবুজরা। বিরতির পর ৪০ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে দলের ব্যবধান ৩-১ করেন আইরিন আক্তার রিয়া।

৪৬ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে উজবেকিস্তান ব্যবধান ৩-২ করলেও বাকি সময়টা লিড ধরে রাখে বাংলাদেশ। এই জয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন আইরিন আক্তার রিয়া।

বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রাখা আইরিন আক্তার রিয়া হয়েছেন ম্যাচ সেরা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম গোলটিও এসেছিল তার ব্যাট থেকেই। টানা দুই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর রিয়া জানান, “আজকের খেলায় সেরা খেলোয়াড় হতে পেরে আমি অনেক খুশি। দলের সবার সম্মিলিত সহযোগিতার কারণেই আমি এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি।”

এই জয়ে ‘এ’ গ্রুপে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বা রানার্স আপ হতে পারলেই মিলবে সেমিফাইনালের টিকিট। আর সেমিফাইনালিস্ট চার দলই সরাসরি জাপানে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান গেমসে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

টুর্নামেন্টের সুবিধাজনক অবস্থানে থাকায়, পরশু গ্রুপের শেষ ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে একটি ড্র করলেই এশিয়ান গেমস নিশ্চিত করতে পারবে বাংলাদেশ। এখন পুরো দেশ তাকিয়ে আছে বাংলার নারী হকিস্টাদের দিকে।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

রূপপুরে জ্বালানি লোডিং ২৮ এপ্রিল, উৎপাদন শুরু আগস্টে

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ১,৩৮৭ জন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মাঠ পর্যায়ের চিত্র বলছে, সংক্রমণের তীব্রতা বাড়ার অন্যতম কারণ হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে পর্যাপ্ত আইসোলেশন বা পৃথক রাখার ব্যবস্থার অভাব। আক্রান্ত শিশুদের মাধ্যমেই এই রোগ দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে হাসপাতালে শয্যা সংকটের কারণে আক্রান্ত শিশুদের সাধারণ রোগীদের কাছাকাছি থাকতে হচ্ছে, যা নতুন করে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত আইসোলেশন নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫৫৯ জনে। এর মধ্যে চার হাজার ২৩১ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মিলিয়ে ১৯ হাজার ৭০৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর ১৬ হাজার ৫২৭ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন মারা গেছেন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯৮ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে এক হাজার ২১৫ জন সন্দেহভাজন হামরোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের বড় একটি অংশই শিশু। হাসপাতালগুলোতে ক্রমাগত রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। সময়মতো টিকা না নেয়া এবং আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসায় এই প্রাদুর্ভাব দীর্ঘায়িত হচ্ছে। শিশুদের জ্বর ও শরীরে লালচে দানা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে এবং অন্যদের থেকে আলাদা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

×