শিরোনাম:

ফের পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের উদ্যোগ, মন্ত্রণালয়ে চিঠি

ফের পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের উদ্যোগ, মন্ত্রণালয়ে চিঠি

বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকের রং পরিবর্তন নিয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে আবারও নতুন রং নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, পুলিশের পোশাকে গাঢ় নীল ও হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণ ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো ওই চিঠিতে পুলিশ মহাপরিদর্শকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সদর দপ্তরের লজিস্টিকস শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সারোয়ার জাহান। চিঠির বিষয় ছিল—বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মের রং পরিবর্তন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যমান ইউনিফর্মে শার্টের রং Deep Grey TC (Plain Fabric) ও প্যান্ট Dark Blue TC Drill, আর মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্ষেত্রে শার্ট Light Olive TC (Plain Fabric) ও প্যান্ট Dark Blue TC Drill ছিল। পরবর্তীতে এগুলো পরিবর্তন করে শার্ট Iron TC (Plain Fabric) ও প্যান্ট Coffee (Shale) TC Twill Fabric নির্ধারণ করা হলে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

এতে বলা হয়, ইউনিফর্মের রং পরিবর্তন নিয়ে বাহিনীর ভেতরে-বাইরে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন নমুনা ও রং পর্যালোচনা করেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শক্রমে নতুন রং প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হয়।

নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সব মেট্রোপলিটন পুলিশের জন্য শার্টের রং Light Olive TC (Plain Fabric) রাখা হবে। এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি ও র‍্যাব ব্যতীত অন্যান্য ইউনিটের জন্য শার্টের রং নির্ধারণ করা হয়েছে Deep Blue TC (Plain Fabric)। উভয় ক্ষেত্রেই প্যান্টের রং হবে TC Twill Khaki।

এই পরিবর্তন কার্যকর করতে Police Dress Rules, 2025-এর একাধিক ধারা সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে Rule 4-এর sub-rule (5), (6), (7), (8) এবং Rule 7-এর sub-rule (2) ও (3)-এর সংশ্লিষ্ট উপধারাগুলো।

চিঠিতে আরও জানানো হয়, প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজনসহ একটি খসড়া প্রজ্ঞাপন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং তা জারির জন্য অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।

এছাড়া উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাপ্যতার ভিত্তিতে ইউনিফর্ম সরবরাহ করা হয়ে থাকে, ফলে এই রং পরিবর্তনের কারণে সরকারের অতিরিক্ত কোনো আর্থিক চাপ পড়বে না।

পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ হয়েছে, প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

ফের পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের উদ্যোগ, মন্ত্রণালয়ে চিঠি

দেশে চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত কোথাও প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি এবং পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও কঠোর নজরদারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা দিয়েছে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি ছিল সন্তোষজনক।

তিনি বলেন, “এবারের পরীক্ষায় আমরা মাঠপর্যায়ে ঘুরে দেখেছি, সবখানেই শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে। প্রশাসন, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।”

প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এবার কোথাও প্রশ্নফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং এমন কোনো সম্ভাবনাও নেই। সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা উৎসবমুখর ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে পরীক্ষা দিচ্ছে, যা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক।

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ফের পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের উদ্যোগ, মন্ত্রণালয়ে চিঠি

জামায়াত আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ঢাকাস্থ জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল) দুপুর ২টায় বিরোধীদলীয় নেতার সংসদীয় কার্যালয়ে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও প্রেস অফিসার শারলিনা নুজহাত কবির।

বৈঠকে সংসদীয় গণতন্ত্র সুসংহতকরণ, জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে আলোচনা হয়। জার্মানি বাংলাদেশে সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা দেখতে চায়।

আমিরে জামায়াত বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ ও গণরায়ের প্রতি দায়বদ্ধ। জামায়াত গুণগত পরিবর্তন ও সংস্কার চায়, যাতে দেশে আর একদলীয় শাসন ফিরে না আসে।’

এছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশের টেকসই গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য জনাব আলী আহমাদ মাবরুর।

ইইউ’র মধ্যে ইতালি বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফের পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের উদ্যোগ, মন্ত্রণালয়ে চিঠি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ইতালি বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটির সঙ্গে নিরাপদ অভিবাসনসহ সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়েছে।

তিনি বলেন, ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সেজন্য বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশ এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখাসহ অদূর ভবিষ্যতে দেশটির সঙ্গে সহযোগিতা আরো জোরদার করতে চায়।

মন্ত্রীর সঙ্গে আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূতও নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইতালি দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে চলমান রাখাসহ এটিকে বিস্তৃত করতে আগ্রহী।

তিনি জানান, ইতালির বর্তমান সরকার নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে বদ্ধপরিকর। অভিবাসন ইস্যুটি দেশটির অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইতালিতে আগামী জুন মাস থেকে নতুন অভিবাসন নীতি কার্যকর হবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন, দ্বিপাক্ষিক শ্রমবাজার এবং দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা ইতালিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ইতালির ইন্টেরিয়র মিনিস্টারের অভিনন্দন পত্র মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন এবং মন্ত্রীকে ইতালি সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী এ বছরের সুবিধাজনক সময়ে ইতালি সফর করবেন বলে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, নিরাপদ অভিবাসন, জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ বিষয়ক পরিচালক অনির্বাণ নিয়োগী এবং ইতালি দূতাবাসের হেড অব কনস্যুলার চ্যান্সেরি লরা শেলা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

×