শিরোনাম:

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়া গ্নাব্রির হৃদয়স্পর্শী বার্তা

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়া গ্নাব্রির হৃদয়স্পর্শী বার্তা

বায়ার্ন মিউনিখের অনুশীলনের সময় ডান উরুর পেশি ছিঁড়ে যাওয়ায় বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন সের্গে গ্লাব্রি। জার্মান ফরোয়ার্ডের চোট নিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গ্লাব্রি উরুর ‘অ্যাডক্টর’ পেশি ছিঁড়ে গেছে এবং তাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের চোট নিয়ে গ্লাব্রি নিশ্চিত করেছেন, আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে খেলতে পারছেন না তিনি।

গ্লাব্রি লিখেছেন, ‘গত কয়েকটা দিন আমার জন্য মানিয়ে নেওয়া খুব কঠিন ছিল। গত সপ্তাহে বুন্দেসলিগা শিরোপা নিশ্চিত করার পর বায়ার্নের হয়ে মৌসুমের আরও অনেক কিছু অর্জনের বাকি ছিল। কিন্তু জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নটা আমার জন্য দুঃখজনকভাবে শেষ হয়ে গেল।’

গ্নাব্রি আরও যোগ করেন, ‘দেশের বাকি মানুষের মতোই আমিও ঘরে বসে ছেলেদের সমর্থন দিয়ে যাব। এখন দ্রুত সুস্থ হয়ে প্রাক-মৌসুম অনুশীলনে ফেরার দিকে মনোনিবেশ করার সময়। আপনাদের সব বার্তার জন্য ধন্যবাদ।’

জার্মানি কোচ হুলিয়ান নাগেলসম্যানও চলতি সপ্তাহের শুরুতে চোটের খবরটি শুনে বেশ হতাশ হয়েছেন। তিনি সংবাদ সংস্থা এসআইডি-কে বলেন, ‘আমি সের্গের জন্য খুব দুঃখিত। সত্যিই তেতো এক সংবাদ এটি—বিশেষ করে মৌসুমের এই শেষ মুহূর্তে, যখন সামনে এত বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ সব ম্যাচ অপেক্ষা করছে।’

জার্মান জাতীয় দলের কোচ আরও যোগ করেন, ‘আমি তাকে বলেছি যে আমরা—পুরো জাতীয় দল—তার পাশে দৃঢ়ভাবে আছি। সে যেন যত দ্রুত সম্ভব মাঠে ফিরতে পারে, সেজন্য আমরা সব ধরনের সহায়তা করব।’

গ্নাব্রির বিশ্বকাপ ভাগ্য বেশ মন্দই বলা যায়। এর আগে ২০১৮ সালেও ঠিক একই রকম ‘অ্যাডক্টর’ পেশির চোটের কারণে রাশিয়ার বিশ্বকাপ আসরেও সাইডলাইনে বসে থাকতে হয়েছিল তাকে। এবারও ভাগ্য যেন তাঁর সঙ্গে নিষ্ঠুর পরিহাসই করল। দেশের হয়ে ৫৯ ম্যাচে ২৬ গোল করা জিনাব্রি অবশ্য ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ‘ই’ গ্রুপে আছে জার্মানি। গ্রুপপর্বে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ হলো কুরাসাও, আইভরি কোস্ট এবং ইকুয়েডর।

সবার প্রচেষ্টায় হাম কন্ট্রোলে আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়া গ্নাব্রির হৃদয়স্পর্শী বার্তা

পুষ্টির অভাবে শিশুদের মধ্যে হামের প্রভাব বাড়ছে, তবে সবার প্রচেষ্টায় হাম কন্ট্রোলে আসছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল) সকালে জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউটে ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬’ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন কী অবস্থা ছিল। সবার প্রচেষ্টায় আমরা হাম মোটামুটি একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে সক্ষম হচ্ছি। অনেক ডাক্তারদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। একটা চীনা টিমের সঙ্গেও আলাপ হয়েছে। আমারও কিন্তু ছোটবেলায় হাম হয়েছে, আমার মনে আছে এবং তখনকার মায়েদের একটা কথা ছিল, জন্মের পরে একবার হাম হবেই। একবার জলবসন্ত হবেই।

শিশুদের মায়ের বুকের দুধের বিকল্প নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বলতে হয়, এখনকার মায়েরা ব্রেস্টফিডিংয়ে অভ্যস্ত না। দিন দিন কমে আসছে। একদিকে সিজারিয়ান অপারেশনে বেবি হওয়া, তার শারীরিক গঠন অত্যন্ত দুর্বল এবং মারাত্মক হুমকির মুখামুখি নিয়ে যায় শিশুকে। একটি বাচ্চা যখন মায়ের পেটে গড়ে ওঠে, যতক্ষণ না আল্লাহ নির্ধারিত সময়ে সে বের হবে, দুনিয়ার মুখ না দেখবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে মায়ের কাছ থেকে পেটে পুষ্টি নিতেই থাকে।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটি জাতি গঠনে পুষ্টি সপ্তাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান শিশুরা বাড়ির পুষ্টিকর খাবার বাদ দিয়ে বাইরের ফাস্টফুড খাবার খায়। এজন্য শিশুদের নিয়মিত কাউন্সেলিং করতে হবে।’

সমাজ থেকে মাদক দূর করতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা যখন নির্বাচন করি, নেশার কথা অনেকে বলেছে। আমি বক্তব্যে বলতাম যে, ভালো কথা আমরা নেশা দূর করব, কিন্তু আপনারা যারা আপনাদের সন্তানদেরকে সন্ধ্যার পরে ঘরের বাইরে রাখেন; পাখিরা সব নীড়ে ফিরে, কিন্তু আমাদের বাচ্চারা বাইরে থাকে কী করে?

সংরক্ষিত নারী আসন: মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়া গ্নাব্রির হৃদয়স্পর্শী বার্তা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল) মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর এ সিদ্ধান্ত দেন এই নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান। তিনি বলেন, ‘সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলো।’

রিটার্নিং অফিসারের ‍সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিলের সুযোগ রয়েছে বলে জানান সহকারী রিটার্নিং ইসির উপসচিব মনির হোসেন। তিনি বলেন, ‘আসনটি শূন্য হওয়ার পরে সব দল/জোটের জন্য উন্মুক্ত হবে।’

ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটে জামায়াত জোটের ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। বুধবার বাছাইয়ে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়। একজনের বিষয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিদ্ধান্ত আসে।

এর আগে, বুধবার আরপিও’র বিধান তুলে ধরে রিটার্নিং অফিসার বাছাইয়ে বলেছিলেন, ‘বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে ডকুমেন্ট দিতে সময় দেয়া হয়েছে। মনিরা শারমিন যে কাগজপত্র দিয়েছে, তাতে সরকারি পে স্কেলের কথা উল্লেখ রয়েছে। এজন্য তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বলা হয়েছে।’

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপনের পরও বাছাইয়ে বাদ পড়ার পর মনিরা শারমিন বলেন, ‘আমি আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবো।’

এসময় তার আইনজীবী নাজমুস সাকিব বলেন, ‘আগামী রোববার নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করব। প্রার্থিতা ফিরে পাব আশা করি। আমরা বুঝেশুনেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি।’

২০২৫ সালের মার্চে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান মনিরা শারমিন। তিনি ২০২৩ সালে নভেম্বরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার জেনারেল হিসেবে যোগ দেন, দুই বছর পর গেল ডিসেম্বর চাকরি ছাড়েন এনসিপি নেত্রী।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ ও অবসরগ্রহণ যদি তিন বছর অতিবাহিত না হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ৮ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনের তপশিল দেন এএমএম নাসির উদ্দীন নেতৃত্বাধীন ইসি। ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, ২১ বুধবার ও বৃহস্পতিবার বাছাই করা হবে; ২৬ এপ্রিল আপিল করার সুযোগ রয়েছে নির্বাচন কমিশনে। ২৭ এপ্রিল ও ২৮ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি হবে। ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ আর ভোট ১২ মে।

বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে সরালেন প্রধান বিচারপতি

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়া গ্নাব্রির হৃদয়স্পর্শী বার্তা

অসৌজন্যমূলক আচরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার প্রেক্ষাপটে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় তাকে কোনো বিচারিক দায়িত্ব দেওয়া হয়নি এবং কার্যতালিকা বা কজলিস্ট থেকেও তার নাম বাদ রাখা হয়েছে। বিচারিক পরিভাষায় ক্ষমতা প্রত্যাহারের এই প্রক্রিয়াকে প্রশাসনিক দৃষ্টিতে ‘ওএসডি’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৩ এপ্রিল সকালে কুমিল্লার সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে। সেখানে এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় বোর্ডের নির্বাচন এবং কনফারেন্স চলাকালে বিচারপতি আব্দুল মান্নান পুলিশসহ উপস্থিত হন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি ঢাকার নিম্ন আদালতের একটি সমন দেখিয়ে নির্বাচন বন্ধের জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন। তবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা আদালতের কোনো আনুষ্ঠানিক আদেশ পাননি বলে জানালে উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দুই মিনিটের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানস্থলে বিচারপতি উপস্থিত সদস্যদের সঙ্গে উচ্চৈঃস্বরে তর্কে লিপ্ত হয়েছেন। পরিস্থিতি একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে উপস্থিত ব্যক্তিরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন।

উত্তেজনা বাড়তে থাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা বিচারপতিকে ঘিরে রাখেন এবং বিক্ষোভের মুখে তিনি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন। বিচারিক পদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার এমন ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো।

×