শিরোনাম:

বিশেষায়িত চলচ্চিত্র দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে – ডা: জাহেদ উর রহমান।

বিশেষায়িত চলচ্চিত্র দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে – ডা: জাহেদ উর রহমান।

বিশেষায়িত চলচ্চিত্র দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্রাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমান।

আজ ( ১০জুন ) জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (NICVD) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (ইঈঞও)-এর যৌথ উদ্যোগে ুবিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র নির্মাণ, প্রদর্শন এবং এর মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি, সমস্যা ও সম্ভাবনা” শীর্ষক এক কর্মশালায় এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা: জাহেদ বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞানচর্চার এই যুগে বিশেষায়িত চলচ্চিত্র দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে চিকিৎসা, শিক্ষা ও গণমাধ্যম খাতের মধ্যে আরও কার্যকর সহযোগিতা গড়ে উঠবে।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিইউপি’র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মো. আল আমিন রাকিব। তিনি মূল প্রবন্ধে তুলে ধরেন যে, বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র চিকিৎসাসহ বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে দক্ষতা উন্নয়নের কার্যকর মাধ্যম। তবে নির্মাণে নীতিগত ও কারিগরি কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং নীতিমালা সংস্কারের মাধ্যমে এর ব্যাপক সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও পরিচালক ডা. বুলবুল বিশ্বাস, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (ওটই) মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ইমরান ফেরদৌস, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ক্যার্ডিওলজী বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লাহ ফিরোজ এবং বিসিটিআইয়ের উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মোকছেদ হোসেন।

আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন বলেন, বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র কেবল প্রশিক্ষণের মাধ্যম নয়, এটি একটি জ্ঞানভিত্তিক আর্কাইভ গড়ে তোলার সুযোগও সৃষ্টি করে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে।

ডা. বুলবুল বিশ্বাস বলেন, চিকিৎসা ও চলচ্চিত্র—দুই ক্ষেত্রের সমন্বয়ে নির্মিত বিশেষায়িত চলচ্চিত্র ভবিষ্যতের চিকিৎসা প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করে তুলতে পারে।

ইমরান ফেরদৌস বলেন, পেশাভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণে সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটাতে পারলে জ্ঞান স্থানান্তরের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, হৃদরোগ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত ক্ষেত্রে দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং জ্ঞান বিনিময়ের জন্য বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও পেশাগত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডাক্তার, শিক্ষার্থী, গবেষক, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শনের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় কনসার্টে গান গেয়ে অভিনেতার দর্শকের মন জয়

বিশেষায়িত চলচ্চিত্র দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে – ডা: জাহেদ উর রহমান।

নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় কনসার্টে অপূর্ব । ছবি সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা দর্শকের মন জয় করলেন গানে গানে। জিয়াউল ফারুক অপূর্ব এবার একক কনসার্টে গান শুনিয়ে মুগ্ধ করলেন উপস্থিত সবাইকে। তবে দেশে নয়, অপূর্বর একক কনসার্টটি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় । স্থানীয় সময় ৮ আগস্ট নিউইয়র্কের জ্যামাইকা পারফরমিং আর্টস সেন্টারে ‘অপূর্ব মিউজিক্যাল নাইট’ শিরোনামের কনসার্টটি হয়ে বাঙালিীর স্বপ্নের রাত।

অপূর্ব জানায় প্রথম একক কনসার্ট বলে প্রস্তুতিটাও নিয়েছিলেন জোরেশোরে। অনুষ্ঠানের আগে বেশ কয়েক দিন টানা রিহার্সাল করেছেন। দর্শকও নিরাশ করেননি তাঁকে। পুরো অডিটরিয়াম ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। অপূর্ব তাঁর পরিবেশনা শুরু করেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ‘এই রাত তোমার আমার’ দিয়ে।

গান শেষে অপূর্ব আরও জানান, ‘এই রাত তোমার আমার’ গানটি ছিল তাঁর শেখা প্রথম গান। গানটি প্রথম শুনেছিলেন তাঁর মায়ের কাছে। এরপর তিনি একে একে গেয়ে শোনান সোলস ব্যান্ডের ‘মন শুধু মন ছুঁয়েছে’, ‘কেন এই নিঃসঙ্গতা’, বাপ্পা মজুমদারের ‘দিন বাড়ি যায়’, ফিডব্যাক ব্যান্ডের ‘মৌসুমী’, নগর বাউল জেমসের ‘বাবা’সহ বেশ কিছু গান।

জেমসের বাবা গানটি গাওয়ার সময় নিজের বাবার কথা মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অপূর্ব। গাইতে গাইতে একসময় নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি তিনি। গান থামিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পেছনে ফিরে চোখ মুছতে থাকেন।

কনসার্টের প্রতিটি গানের ফাঁকে দর্শকের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন অপূর্ব। প্রায় দুই ঘণ্টা হলভর্তি দর্শক-শ্রোতাকে গানে-গল্পে মাতিয়ে রাখেন। পুরো আয়োজনটি উপস্থাপনা করেন শামীম শাহেদ। দর্শক সারিতে উপস্থিত ছিলেন অপূর্বর সহকর্মী তমালিকা কর্মকার, আফসান আরা বিন্দু, মোনালিসা, নওশীন, মামনুন ইমন, রোমানা, নোভাসহ অনেকে।

কনসার্ট উপভোগ করার পর মোনালিসা বলেন, ‘অপূর্ব আমার বন্ধু ও কলিগ। একসঙ্গে অনেক কাজ হয়েছে আমাদের। শুটিং সেটে সে প্রায়ই গান শোনাত আমাদের। এবার অপূর্বর প্রথম একক কনসার্ট উপভোগ করলাম। দারুণ উপভোগ্য ছিল পুরোটা সময়।

প্রথম কনসার্ট প্রসঙ্গে অপূর্ব বলেন, ‘সবকিছু নির্ভর করছে দর্শকের আগ্রহের ওপর। তাঁরা আমাকে দেখতে চান কি না। যদি আমার মনে হয়, তাঁরা আমাকে চাইছেন, তাহলে অবশ্যই হয়তো আবার দেখা হবে।’ উপস্থিত দর্শকেরা যুক্তরাষ্ট্রে অপূর্বর আরও কনসার্ট দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

শেখ হাসিনার জ্বালানি নীতির কারণে বিদ্যুৎ ভোগান্তি: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

বিশেষায়িত চলচ্চিত্র দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে – ডা: জাহেদ উর রহমান।

ছবি : সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জ্বালানি নীতির কারণে দেশে বিদ্যুৎ নিয়ে ভোগান্তি হচ্ছে।’

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে শ্রীনগর উপজেলার স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি খাতকে ফ্যাসিবাদমুক্ত এবং সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ থেকে বের করে আনতে বর্তমান সরকার দক্ষতার সাথে সঠিক নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। আগামী সংসদে এসব নীতিমালা উপস্থাপন করা হবে।’

ইশরাক হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের ১৪৮ জন নেতাকর্মী শহিদ হয়েছেন। অথচ বর্তমানে আন্দোলনের নামে যারা নানা ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন, তাদের কেউ কেউ এখন জ্বালানি ইস্যু নিয়েও আন্দোলন করতে চাইছেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।

পিরোজপুরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি : ২৫ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট

বিশেষায়িত চলচ্চিত্র দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে – ডা: জাহেদ উর রহমান।

অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের উত্তর পোরগোলা গ্রামে একটি বসতঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ১ কেজি রৌপ্য, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন এবং ২টি মোটরসাইকেলসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতরা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোররাতে কদমতলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর পোরগোলা গ্রামের খালিদ হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মামলা হওয়ার পরে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, রান্নাঘরের পূর্ব পাশের সিঁদ কেটে ৬ থেকে ৭ জনের একটি ডাকাত দল চাপাতি ও রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে।এরপর খালিদ হাওলাদারের মা মোছা. শামীমা বেগমের (৫৫) কক্ষে প্রবেশ করে রামদা প্রদর্শন করে কোনো ধরনের শব্দ না করার জন্য হুমকি দেয়। পরে পাশের কক্ষে থাকা তাঁর বড় ছেলে আরিফুল ইসলামের (২৮) কক্ষের দরজা খুলে দিতে বলে।

একপর্যায়ে ডাকাতরা ঘরে থাকা চারজনের হাত বেঁধে কাঁথা দিয়ে ঢেকে দেয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ডাকাতরা আনুমানিক ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, এক কেজি রৌপ্য, ৭টি মোবাইল ফোন, ৭০ হাজার টাকা, ৫টি হাতঘড়ি এবং দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে। লুট হওয়া মোটরসাইকেল দুটির মধ্যে একটি নীল রঙের এফজেডএস ভি২, যার নম্বর খুলনা মেট্রো-ল-১৩-৩১৩০ এবং অপরটি সবুজ রঙের এফজেডএস ভি৪, যার নম্বর পিরোজপুর-ল-১১-৪০৫৪।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, ডাকাতরা পূবালী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের দুটি চেক বই, দুটি এটিএম কার্ডও নিয়ে যায়। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

×