শিরোনাম:

গুগলের আয়োজনে বাংলাদেশের শাড়ি-পাঞ্জাবি-লুঙ্গি

গুগলের আয়োজনে বাংলাদেশের শাড়ি-পাঞ্জাবি-লুঙ্গি

পাভেল সারওয়ার ও সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী দম্পতি

প্রবাসী বাংলাদেশি দম্পতি পাভেল সারওয়ার ও সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী গুগলের আন্তর্জাতিক আয়োজনে শাড়ি, পাঞ্জাবি ও লুঙ্গি পরে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন। গুগলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের এই ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পোশাক বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও পরিচয়কে বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার এক অনন্য বার্তাও দিয়েছে।

তাদের এই যাত্রা শুধু গুগল ম্যাপসে পথ দেখানোর গল্প নয়; এটি বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পরিচয়কে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরারও এক অনন্য উদাহরণ।

গুগল লোকাল গাইডস একসময় “মিট দ্য কাপল দ্যাট গাইডস টুগেদার” শিরোনামে এই দম্পতিকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে তাদের দাম্পত্য জীবনের পাশাপাশি সমাজসেবা, স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ড এবং গুগল ম্যাপসের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মানুষের উপকারে অবদানের গল্প তুলে ধরা হয়।

তাদের দীর্ঘদিনের অবদান আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও স্বীকৃতি পেয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ গুগল ম্যাপস অবদানকারীদের সম্মেলন কানেক্ট লাইভ সিঙ্গাপুর ২০২৬-এ অংশ নেওয়ার জন্য দুজনই পৃথকভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন।

বাংলাদেশে একটি সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে গিয়ে প্রথম পরিচয় হয় পাভেল ও সুমাইয়ার ২০১২ সালে । পাভেলের ভাষায়, সেটি ছিল তাদের ‘প্রথম দেখাতেই ভালোবাসা’। বিয়ের পর ২০১৫ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য পাভেল চলে আসেন মালয়েশিয়ায়। অন্যদিকে, সুমাইয়া বাংলাদেশে থেকে উদ্যোক্তা, কমিউনিটি লিডার ও সমাজকর্মী হিসেবে কাজ চালিয়ে যান। দুই দেশে অবস্থান করলেও গুগল লোকাল গাইডস কমিউনিটিকে ঘিরেই তাদের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।

প্রযুক্তি পেশাজীবী পাভেল সারওয়ার ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত লোকাল গাইডস সামিট-এ অংশ নেন। পরে তাকে গুগল লোকাল গাইডসের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওতেও তুলে ধরা হয়। ২০২১ সালে তিনি কমিউনিটি বিল্ডার ক্যাটাগরিতে গাইডিং স্টার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। এছাড়া ২০২৫ সালে কানেক্ট লাইভ টোকিও-তেও অংশ নেন।

পাভেল ও সুমাইয়ার কাছে গুগল ম্যাপস এবং লোকাল গাইডস শুধু একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং এটি তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। নতুন জায়গা ঘুরে দেখা, ভ্রমণের পরিকল্পনা, রিভিউ লেখা, ছবি ও ভিডিও আপলোড করা এবং মানচিত্র হালনাগাদ সবকিছুই তারা করেন মানুষের উপকারের লক্ষ্য নিয়ে।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত এই দম্পতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নতুন লোকাল গাইডদের অনুপ্রাণিত করে চলেছেন। তাদের বিশ্বাস, একটি তথ্যসমৃদ্ধ রিভিউ, একটি সঠিক ম্যাপ এডিট কিংবা একটি দরকারি ছবি বা ভিডিও অসংখ্য মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে সহজ করে দিতে পারে। আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া থেকে।

 

রোববার চট্টগ্রাম যাবেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে একাধিক কর্মসূচি

গুগলের আয়োজনে বাংলাদেশের শাড়ি-পাঞ্জাবি-লুঙ্গি

আগামীকাল রোববার (৯ আগস্ট) এক দিনের সফরে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরকালে তাঁর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল শাখা থেকে প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী, ৯ আগস্ট সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টায় তিনি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ মহেশখালীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন।

কক্সবাজারের কর্মসূচি শেষে দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এরপর ফটিকছড়ির উদ্দেশে রওনা হয়ে দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে পেলাগাজী দিঘির মাঠে হেলিকপ্টারে অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সেখান থেকে তিনি ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় যাবেন। সেখানে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময়ের কথা রয়েছে।

আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর দৌহিত্র মাওলানা আজিজুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পর হুজুর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরদিন থেকে রমজান মাস শুরু এবং বাবুনগর মাদরাসায় খতমে তারাবির দায়িত্বে থাকায় ঢাকায় অবস্থান করা সম্ভব নয় বলে হুজুর প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তখন প্রধানমন্ত্রী নিজেই ফটিকছড়িতে এসে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দোয়া নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে প্রধানমন্ত্রীর ফটিকছড়িও সফর করবেন।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম জানান, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য আগমন উপলক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হেলিপ্যাড নির্মাণ, অনুষ্ঠানস্থল প্রস্তুত, সড়ক সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।

সাক্ষাৎ শেষে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে হাটহাজারীর উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা পরিদর্শন ও মোনাজাতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

এরপর বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

সফরসূচি অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম নগরের একটি হোটেলে স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার।

 

 

জনগণের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জুলাই শেষ হবে না: জামায়াত আমির

গুগলের আয়োজনে বাংলাদেশের শাড়ি-পাঞ্জাবি-লুঙ্গি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, জনগণের অধিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ‘জুলাই’ শেষ হয়নি।

আজ শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’ শীর্ষক এক স্থিরচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে মানুষের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। এ সময়ে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অংশ নিয়ে অসংখ্য মানুষ জীবন দিয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, কারারুদ্ধ হয়েছেন এবং অসংখ্য মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। তবে সমস্ত নির্যাতন পেরিয়ে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে এসে গণঅভ্যুত্থান গড়ে তুলেছে।

তিনি বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত ছাত্রীদের ওপর হামলার পর তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের নির্মম শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়। একই দিনে ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রাণহানি ঘটে এবং ১৮ জুলাই থেকে তা আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের পতনের দিনগুলোতেও ইন্টারনেট বন্ধ করে লাশ গায়েব করা এবং আশুলিয়ায় মানুষকে ট্রাকে ফেলে আগুন দেওয়ার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, ৩ আগস্ট সেনাসদস্যরা জনগণের ওপর অস্ত্র প্রয়োগ না করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ায় জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

অন্তর্বর্তী সরকার প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাময়িক শূন্যতা পূরণে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলেও সরকারের অনেক উপদেষ্টা দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতার পরিচয় দিতে পারেননি।

জুলাই জাদুঘরে কোনো দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না: নাহিদ ইসলাম ‎

গুগলের আয়োজনে বাংলাদেশের শাড়ি-পাঞ্জাবি-লুঙ্গি

‎জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক বয়ানে পরিণত না করে প্রকৃত ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি জাদুঘরকে জাতীয় ইতিহাসচর্চার একটি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এখানে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না।

‎শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে গণভবনে অবস্থিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের এই মন্তব্যটি করেন।

‎নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, দল বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর একক সম্পত্তি নয়। এটি সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত আন্দোলন। তাই জাদুঘরে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক সংগ্রাম বা এজেন্ডাকে বেশি প্রাধান্য না দিয়ে সার্বিক ও জাতীয় ইতিহাস তুলে ধরতে হবে

নাহিদ ইসলাম বলেন, শহীদদের পরিবারের কাছ থেকে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ যে বিপুলসংখ্যক স্মৃতিচিহ্ন পেয়েছে, তার একটি অংশ বর্তমানে প্রদর্শিত হচ্ছে। আরও অনেক স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে, যেগুলো শৈল্পিকভাবে প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।’

‎নাহিদ আরও বলেন,অতীতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও দলীয়করণের অভিযোগ ছিল। জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না। এটা প্রকৃত ইতিহাস চর্চার জায়গা এবং জাতীয় ইতিহাসের একটি কেন্দ্র হওয়া উচিত।

‎জাদুঘরে শহীদ আবু সাঈদের উপস্থিতি নিয়েও কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদ গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান প্রতীক। তার ছবি বর্তমানে প্রদর্শনীতে না থাকার বিষয়টি তারা জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবু সাঈদকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেটি জাদুঘরে প্রদর্শন করা হবে।

এনসিপির এই নেতা বলেন, বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর চাপ সামলানোর মতো পর্যাপ্ত জনবল বর্তমানে নেই। প্রায় ২০০ জনের মতো জনবল প্রয়োজন হলেও এখন মাত্র ১৫ থেকে ২০ জন কাজ করছেন। স্বল্প জনবল দিয়ে আপাতত স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

‎গণভবনের পুরো ১৭ একর জায়গাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জাদুঘরের পরিসর আরও বাড়িয়ে বিভিন্ন ঘটনা, স্মৃতি ও নিদর্শনকে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

 

×