শিরোনাম:

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন এনসিপি নেতারা

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন এনসিপি নেতারা

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। এ সময় তার সঙ্গে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

আজ শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মারক, ছবি, দলিল ও ঐতিহাসিক নিদর্শন পরিদর্শন করেন।

এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এই পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, পলিটিক্যাল কাউন্সিলের সদস্য ও মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান সারোয়ার তুষার এবং মাহিন সরকারসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস, নিদর্শন ও দলিল সংরক্ষণ, গবেষণা এবং প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে গণভবনে এই স্মৃতি জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।পরিদর্শনকালে নেতারা জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

এনসিপির নেতারা মনে করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও ইতিহাস যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা জরুরি। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে আন্দোলনের পটভূমি, ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণ এবং শহীদদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে, সেজন্য জাদুঘরটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

সিটি করপোরেশনকে জনসম্পৃক্ত করতে গণমাধ্যমের সহায়তা প্রয়োজন: ডিএসসিসি প্রশাসক

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন এনসিপি নেতারা

বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরাম-এর নব নির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, ঢাকাবাসীদের ঢাকা কে নিজের মনে করতে হবে। নইলে এই শহরের প্রতি দরদ তৈরি হবে না। তিনি বলেন, আমি যদি মেয়র নির্বাচিত হতে পারি তাহলে ঢাকাবাসীদের জন্য আরও বেশি কিছু করতে পারবো বলে আশা করছি। আপনারা এব্যাপারে পাশে থাকেন আমিও আপনাদের পাশে থাকবো।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিকালে নগর ভবনে বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরাম-এর নব নির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে মত বিনিময় কালে প্রশাসক এ সব কথা বলেন।

এ সময় বক্তৃতা করেন সংগঠনের সভাপতি নুরুদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোমিন হোসেন, সহ-সভাপতি এ বি এম রফিকুর রহমান, সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অনজন রহমান, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক সুমন ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, জনকল্যাণ সম্পাদক নূরুন্নবী রবি, সদস্য গ্যালমান শফি, লুৎফর রহমান, দেলোয়ার হোসেন বাদল, কুশর ইয়াসির।

আবদুস সালাম বলেন, ঢাকাভিত্তিক যে কোনো উদ্যোগে সিটি করপোরেশন আপনাদের পাশে থাকবে।
প্রশাসক বলেন, আমরা চাই সিটি করপোরেশন আরও জোরদার হোক। জনগণের সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত হোক। ঢাকা সিটি করপোরেশনের জনগণের সঙ্গে যেভাবে সম্পৃক্ত থাকা দরকার ছিলো সেভাবে নেই।

প্রশাসক বলেন, আমরা ঢাকাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আপনাদের গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি। আপনাদের লেখনীর মাধ্যমে নাগরিক সমস্যাগুলো যখন উঠে আসে, তখন আমাদের পক্ষে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়। তাই গণমাধ্যমকে আমরা উন্নয়নের অন্যতম প্রধান অংশীদার মনে করি।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন ১৬১০ সালে সুবাহ বাংলার রাজধানী হিসেবে পথচলা শুরু করে আমাদের এই প্রিয় ঢাকা আজ ৪১৬ বছরে পদার্পণ করেছে। ঐতিহ্য ও গৌরবের এই দীর্ঘ পথপরিক্রমা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন “হৃদয়ে ঢাকা” শীর্ষক বিশেষ উৎসবের আয়োজন করেছে। ৪১৬ বছরের পুরনো এই নগরীর বর্তমান নাগরিক সমস্যা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জগুলো আপনাদের লেখনীতে বস্তুনিষ্ঠভাবে উঠে আসুক, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বৃহত্তর ঢাকা সাংবাদিক ফোরাম-এর সভাপতি নূরুদ্দিন আহমেদ বলেন, ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের “হৃদয়ে ঢাকা” উৎসবের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। তিনি বলেন, ঢাকা ভিত্তিক যে কোনো কার্যক্রমে আমাদের সংগঠন সিটি করপোরেশনের পাশে থাকবে।

সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোমিন হোসেন বলেন, ঢাকার সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা আপনার সহযোগিতা কামনা করি। একই সাথে, নগর ভবনের যেকোনো উন্নয়নমূলক বা জনকল্যাণমুখী কাজে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে আপনার নেতৃত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নাগরিক সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে সেই প্রত্যাশা রইলো।

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন এনসিপি নেতারা

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই মন্তব্য করেন ’মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না’।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফলাফল ঘোষণা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষকরা মনখুলে নাম্বার দেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই কঠোর ছিল, আপনার কাছে কী মেসেজ ছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নাম্বার দেওয়া যায় না।’ এসময় এবারের ফলাফলকে সুন্দর ফলাফল বলেও তিনি উল্লেখ করেন ।

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫ কমে যাওয়ার কারণে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন—”শিক্ষকরা উত্তরপত্র মূল্যায়নে বা নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন কি না?” এর জবাবেই মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন , আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে।  পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে।

উল্লেখ্য, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পরীক্ষায় গড় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।

সৌদি আরবে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী শোক

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন এনসিপি নেতারা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

শোক বার্তায় তারা নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন এবং তাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোকের সময়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। নিহতদের পরিচয় শনাক্তকরণ এবং মরদেহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে কাজ করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিকভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে সে অনযায়ী সহায়তা দিচ্ছে।

×