শিরোনাম:

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস ১৩০০ স্কুলের অর্ধেকই ঠিক করেছে ইরান!

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস ১৩০০ স্কুলের অর্ধেকই ঠিক করেছে ইরান!

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী আলিরেজা খাজেমি। তবে ইতোমধ্যে এর অর্ধেকেরও বেশি, অর্থাৎ ৭৭৫টি বিদ্যালয়ের মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

ইরানের সংবাদমাধ্যম ইরনার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী খাজেমি জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসব হামলায় অন্তত ২০টি বিদ্যালয় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। হামলায় সবচেয়ে বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তেহরান, কেরমানশাহ, ইস্পাহান এবং হরমোজগান এলাকায়।

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাকি বিদ্যালয়গুলোর মেরামত কাজ আগামী অক্টোবরের মধ্যে পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইরানের শিক্ষামন্ত্রী। সূত্র: আলজাজিরা

গণভোট নিয়ে সংকটের সমাধান বিএনপিকেই করতে হবে: পরওয়ার

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস ১৩০০ স্কুলের অর্ধেকই ঠিক করেছে ইরান!

গণভোট বাস্তবায়ন নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে তা বিএনপিকেই সমাধান করতে হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর প্রেসক্লাবে খেলাফত মজলিস আয়োজিত ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত নেতা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন নোট অফ ডিসেন্ট বাদে সব মানব, এর তো কোনো মানে হয় না। এটা জনগণের সাথে শুভঙ্করের ফাঁকি। বিএনপির মনে ফাঁকি ছিল তাই তারা গণভোট টা আগে করতে দেয়নি। কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থা ধরে রাখতেই বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ দশটি আইনি ও সাংবিধানিক বিষয়ে নোট অফ ডিসেন্ট দিয়েছিল। এখন নোট অফ ডিসেন্টের কথা বলে তারা এগুলো বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে না।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের জন্য বিরোধীদলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানি সংকটে দেশ শেষ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু জ্বালানো মন্ত্রী বলেন দেশে কোন সংকট নেই। কিন্তু পাম্পে লাইন কিন্তু কমছে না।

সরকারকে উদ্দেশ্য করে জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ব্যর্থতা ঢাকার জন্য সহিংসতার দিকে দেশকে ঠেলে দেবেন না। চট্টগ্রাম সিটি কলেজে, এক ছাত্রের পায়ের রগ কেটে দিয়েছে ছাত্রদল। অথচ দোষ দিচ্ছে শিবিরের ওপর।

শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস ১৩০০ স্কুলের অর্ধেকই ঠিক করেছে ইরান!

দেশের স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকট মেটাতে খুব দ্রুত ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একইসঙ্গে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ-চীন জয়েন্ট সার্জিক্যাল ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে আয়োজিত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে মন্ত্রী বলেন, হামের সংক্রমণ বাড়লেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমাদের কাছে আগামী ৬ মাসের জন্য টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজার ৯৩৫টি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিলেও চিকিৎসার মাধ্যমে বড় অংশই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের উপস্থিতিতে মন্ত্রী জানান, চীনের সহযোগিতায় দেশে যৌথ সার্জিক্যাল ক্লিনিক ও ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাসেবা চালু হতে যাচ্ছে। এটি জটিল অস্ত্রোপচার ও তৃণমূলের চিকিৎসাসেবার মান নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে গবেষণার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন জিয়া হায়দার

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস ১৩০০ স্কুলের অর্ধেকই ঠিক করেছে ইরান!

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রখ্যাত স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী সম্পাদিত এই নিয়োগ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে, যার ফলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর সমমান বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সকল রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

ড. জিয়া হায়দারের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার এবং রাজনৈতিক পটভূমি বেশ চমকপ্রদ। পেশাগত জীবনে তিনি বিশ্বব্যাংকের ওয়াশিংটন ডিসি কার্যালয়ে সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘকাল কাজ করে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবসরে যান। এরপর তিনি ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও যুক্ত ছিলেন। উন্নয়ন ব্যক্তিত্ব হিসেবে এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিয়ে প্রায় ৩০ বছরের বিশাল অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। মজার বিষয় হলো, পেশাদারিত্বের পাশাপাশি তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং গত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতেও যুক্ত ছিলেন।

ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ড. জিয়ার জন্ম। তার বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বের গুণাবলি সম্পন্ন ড. জিয়া আশির দশকে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাজীবনেও তিনি অত্যন্ত মেধাবী। ১৯৮৮ সালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষ করার পর তিনি ফিলিপাইন ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স এবং সুইডেনের উমিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পুষ্টি ও মহামারিবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তার পরিবারের অন্য সদস্যরাও সুশিক্ষিত; যার মধ্যে তিন ভাই চিকিৎসক এবং এক ভাই শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। একজন ঝানু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে তার এই নতুন নিয়োগ দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

×