শিরোনাম:

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ১০টি গোল

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ১০টি গোল

বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসের এমন কিছু অবিস্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছে, যা কেবল ম্যাচের ফল নির্ধারণ করেনি, স্থান করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। ১৯৮৬ সালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই অবিশ্বাস্য ‘সোলো রান’ থেকে শুরু করে ব্রাজিলের মাঠে হামেস রদ্রিগেসের সেই চোখধাঁধানো ভলি—এই গোলগুলো ফুটবলপ্রেমীদের প্রজন্মের পর প্রজন্মকে আজও সমানভাবে রোমাঞ্চিত করে। দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের সেরা ১০টি জাদুকরী।

১. ডিয়েগো ম্যারাডোনা বনাম ইংল্যান্ড (১৯৮৬)
বিশ্বকাপের সেরা গোলের তালিকা করলে সবার আগেই আসবে এই গোলটির নাম। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নিজের অর্ধে বল পেয়েছিলেন ম্যারাডোনা; এরপর শুরু হয় ফুটবল ইতিহাসের সেই অবিস্মরণীয় ‘সোলো রান’। মাত্র ১১ সেকেন্ডের জাদুকরী ছন্দে ইংল্যান্ডের পাঁচজন ডিফেন্ডার এবং গোলকিপারকে কাটিয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। ফুটবল ইতিহাসে এই গোলটি ‘গোল অফ দ্য সেঞ্চুরি’ বা শতাব্দীর সেরা গোল হিসেবে স্বীকৃত, যা আজও ম্যারাডোনার ফুটবলীয় মস্তিস্ক ও শ্রেষ্ঠত্বের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

২. কার্লোস আলবার্তো বনাম ইতালি (১৯৭০)
ম্যারাডোনার গোলটি যদি হয় একক নৈপুণ্যের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ, তবে ১৯৭০-এর ফাইনালে কার্লোস আলবার্তোর করা এই গোলটি ছিল দলগত ফুটবলের এক অনন্য মহাকাব্য। ব্রাজিলের সেই কিংবদন্তি দলটি পুরো মাঠজুড়ে অসাধারণ পাসিং ফুটবলের পসরা সাজিয়েছিল, যার শেষ প্রান্তে পেলের বাড়ানো এক মাপা পাস খুঁজে নেয় আলবার্তোকে। ব্রাজিলের অধিনায়ক বুলেট গতির এক শটে বল জালে জড়ান, যা ইতালির বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচটির ইতি টানে। আজও ফুটবল বিশ্বের অনেকে এটিকে ইতিহাসের সেরা ‘দলগত গোল’ হিসেবে বিবেচনা করেন।

৩. হামেস রদ্রিগেস বনাম উরুগুয়ে (২০১৪)
২০১৪ বিশ্বকাপে উরুগুয়ের বিপক্ষে এই চোখধাঁধানো ভলি দিয়েই বিশ্বমঞ্চে নিজের রাজকীয় আগমনী বার্তা দিয়েছিলেন হামেস রদ্রিগেস। পেনাল্টি বক্সের বাইরে বুক দিয়ে বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই বাঁ-পায়ে এক দুর্দান্ত শট নেন এই কলম্বিয়ান তারকা; বলটি ক্রসবারে লেগে সজোরে জালে আছড়ে পড়ে। নিখুঁত ফিনিশিংয়ের অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকা এই গোলটি পরবর্তীতে ফিফা পুসকাস অ্যাওয়ার্ড জয় করে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি আজও অন্যতম নান্দনিক গোল হিসেবে স্বীকৃত।

৪. পেলে বনাম সুইডেন (১৯৫৮)
মাত্র ১৭ বছর বয়সে ১৯৫৮ বিশ্বকাপের ফাইনালে পেলে এমন এক কীর্তি গড়েছিলেন, যা ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক মুহূর্ত হয়ে আছে। ডি-বক্সের ভেতর এক ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে বলটি আলতো করে তুলে দিয়ে , অসামান্য ক্ষিপ্রতায় এবং শান্ত মাথায় ভলিতে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন এই ব্রাজিলিয়ান ‘কালো মানিক’। সেই মুহূর্তেই ফুটবলবিশ্ব বুঝতে পেরেছিল, তারা যুগের সেরা এক মহাতারকার জন্ম হতে দেখল।

৫. রবিন ফন পার্সি বনাম স্পেন (২০১৪)
২০১৪ বিশ্বকাপের অন্যতম আইকনিক দৃশ্য হয়ে আছে রবিন ফন পার্সির সেই ‘ফ্লাইং ডাচম্যান’ গোলটি। ডেলি ব্লিন্ডের লম্বা পাস যখন স্পেনের বক্সের দিকে আসছিল, ফন পার্সি নিজেকে শূন্যে ভাসিয়ে এক অবিশ্বাস্য ডাইভিং হেডে বলটি গোলকিপার ইকার ক্যাসিয়াসের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন। সেই ম্যাচে তৎকালীন ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল নেদারল্যান্ডস, তবে ফন পার্সির সেই উড়ন্ত ফিনিশিংটিই পুরো ম্যাচের সব আলো কেড়ে নিয়েছিল।

৬. সাঈদ আল-ওয়াইরান বনাম বেলজিয়াম (১৯৯৪)
বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো আন্ডারডগ বা কম শক্তির দলের অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলোর কথা বললে সাঈদ আল-ওয়াইরানের এই গোলটি সবার উপরে থাকবে। নিজেদের সীমানার অনেক ভেতর থেকে বল পেয়ে তিনি বেলজিয়ান ডিফেন্সকে তছনছ করে এক জাদুকরী ‘সোলো রান’ শুরু করেন এবং শেষ পর্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ফিনিশ করেন। এই অসাধারণ গোলটি সৌদি আরবকে নকআউট পর্বে পৌঁছাতে সাহায্য করেছিল এবং এর শৈল্পিকতা ম্যারাডোনার ৮৬-র সেই বিখ্যাত গোলের সঙ্গে তুলনা কুড়িয়েছিল।

৭. ডিয়েগো ম্যারাডোনা বনাম বেলজিয়াম (১৯৮৬)
সেরা গোলের তালিকায় ম্যারাডোনার নাম দুইবার থাকাই স্বাভাবিক। বেলজিয়ামের বিপক্ষে সেমিফাইনালের এই গোলটি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর সেই মহাকাব্যিক গোলের ছায়ায় ঢাকা পড়ে গেলেও, এটি ছিল ভারসাম্যের এক অবিশ্বাস্য প্রদর্শনী। চারজন ডিফেন্ডারকে ড্রিবলিংয়ের ছন্দে নাচিয়ে ম্যারাডোনা নিজের ট্রেডমার্ক ভঙ্গিতে বলটি গোলকিপারের পাশ দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন।

৮. রবার্তো ব্যাজিও বনাম চেকোস্লোভাকিয়া (১৯৯০)
১৯৯০ বিশ্বকাপে ইতালিয়ান কিংবদন্তি রবার্তো বাজ্জিওর ফুটবলীয় প্রতিভা বিশ্বমঞ্চে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে দারুণ ড্রিবলিং আর গতির ঝড়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে এলোমেলো করে তিনি এগিয়ে যান। ডি-বক্সের ভেতর আঁকাবাঁকা পথে ঢুকে পড়ার পর অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তিনি আক্রমণটির ইতি টানেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি আজও অন্যতম নান্দনিক ‘সোলো গোল’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

৯. ডেনিস বার্গক্যাম্প বনাম আর্জেন্টিনা (১৯৯৮)
নিখুঁত কারিগরি দক্ষতার এক অসাধারণ নিদর্শন হয়ে আছে এই গোল। ১৯৯৮ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের একদম শেষ মুহূর্তে ফ্রাঙ্ক ডি বোয়ারের বাড়ানো একটি লম্বা ডায়াগোনাল পাস খুঁজে নেয় ডেনিস বার্গক্যাম্পকে। ডাচ এই জাদুকর প্রথম স্পর্শেই বলটি অবিশ্বাস্যভাবে নিয়ন্ত্রণে নেন, দ্বিতীয় টাচে ডিফেন্ডার রবার্তো আয়ালাকে ছিটকে দেন এবং তৃতীয় টাচে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ভলিতে গোল করেন। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের এই শৈল্পিক গোল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক দৃশ্য হয়ে আছে।

১০. বেঞ্জামিন পাভার্ড বনাম আর্জেন্টিনা (২০১৮)
২০১৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বেঞ্জামিন পাভার্ডের সেই সমতাসূচক গোলটি মুহূর্তেই টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দৃশ্যে পরিণত হয়। বক্সের বাইরে থেকে আসা একটি বাউন্সিং বলকে ফরাসি এই ডিফেন্ডার নিখুঁত এক হাফ-ভলিতে বাঁক খাইয়ে পোস্টের ওপরের কোণা দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন। সাত গোলের সেই শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ফ্রান্স ৪-৩ ব্যবধানে জিতে এবং শেষ পর্যন্ত সেবার তারা বিশ্বচ্যাম্পিয়নই হয়।

আবার নাটক নির্মাণে অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ১০টি গোল

অহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের রয়েছে শ্রেষ্ঠ নির্মাতাসহ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি স্বরূপ দুটি চলচ্চিত্রে মোট নয়টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং চারটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার। তেমনি তাঁর রয়েছে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক এমন অনেক অর্জন।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর নির্মাতা সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড ফিরছেন নাটক নির্মাণে । বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য তিনি নির্মাণ করছেন ‘তবুও জীবন’ নামের ধারাবাহিক নাটক । লম্বা বিরতির পর ধারাবাহিক নির্মাণের জন্য তিনি গল্প হিসেবে বেছে নিয়েছেন পারিবারিক যাপিত জীবন  । ‘তবুও জীবন’ নামের ধারাবাহিক নাটকটি রচনার পাশাপাশি পরিচালনাও করেছেন তিনি ।

সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড বলেন, তিনটি আলাদা পরিবারের গল্প নিয়ে তৈরি হচ্ছে ’তবুও জীবন’। যেখানে দেখা যাবে শহরে বাস করা একটি একক ও একটি যৌথ পরিবারের গল্প।

ধারাবাহিকের কাহিনী বলতে যেয়ে বলেন, ছোট পরিবারে কাজের লোকের কাছে সন্তানকে রেখে কাজে যায় মা-বাবা। কিন্তু কাজে গিয়েও সারাক্ষণ দুশ্চিন্তায় ভোগে সন্তানকে নিয়ে। অন্যদিকে, একটি যৌথ পরিবারের সদস্যরা সবাই একসঙ্গে থাকার জন্য নানা সংগ্রাম করে যায়। এ ছাড়া রয়েছে উন্নত জীবনের আশায় গ্রাম থেকে শহরে আসা এক দম্পতির কাহিনি।

ধারাবাহিক নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন : সাব্বির আহমেদ ও দীপা খন্দকার, দিলরুবা দোয়েল রুহি, কাজল মজুমদার, রাশেদা আক্তার, অহিদা সাবরিনা, কবির টুটুল ও সুমনা সোমা প্রমুখ।

নির্মাতা সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড দু:খ নিয়ে বলেন, চলচ্চিত্র ও অন্যান্য ব্যস্ততার কারণে ২০১০ সালের পর ধারাবাহিক নাটক আর নির্মাণ করা হয়নি। বেশির ভাগ সময় চলচ্চিত্র নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। ধারাবাহিক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর পরিকল্পনা করলাম বাস্তবের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে কাজ করতে। তাই আমাদের শহরের পরিবারগুলো নিয়ে লিখলাম এই ধারাবাহিক নাটক ‘তবুও জীবন’ ।

নির্মাতা জানান, ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে ৩৯ পর্বের ধারাবাহিকটির প্রথম ধাপের শুটিং। ১৬ জুন থেকে দ্বিতীয় লটের শুটিং করার পরিকল্পনা করেছেন তিনি। দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হলেই নাটকের প্রচার পরিকল্পনা সাজানো হবে।

দেশের এইচএসসি সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের সমান : ববি হাজ্জাজ

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ১০টি গোল

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দাবি করেন, বর্তমানে বাংলাদেশের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) স্তরের শিক্ষার মান সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির সমপর্যায়ে বিবেচিত ।

রোববার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

বিগত ২০ বছরের শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘অতীতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় যে চরম নৈরাজ্য চলেছে তা এখন স্পষ্ট। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় অনেক শিক্ষার্থী পাশ পর্যন্ত করতে পারে না।

এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ সিঙ্গাপুরে আমাদের দেশের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) লেভেলকে তাদের ষষ্ঠ শ্রেণির সমমান হিসেবে তুলনা করা হয়। এ শোচনীয় দশা থেকে উত্তরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলাম, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, অবকাঠামো এবং প্রশাসনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংস্কারের হাত দেয়া হয়েছে।

এ সময় শিক্ষা ব্যবস্থায় সাংস্কৃতিক কারিকুলাম যুক্ত করার বিরোধিতাকারীদের মনোভাব নিয়ে সংসদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে সরকার প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলাম, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। বাজেট প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতকে জাতীয় বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার শিক্ষা খাতে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

শিক্ষা ব্যবস্থায় খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করার সরকারি উদ্যোগের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও মানবিক বিকাশের জন্য কেবল পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা যথেষ্ট নয়। এজন্য প্রাথমিক স্তর থেকেই ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে পাঠ্যক্রমের অংশ করা হচ্ছে।

এ উদ্যোগের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একটি আধুনিক ও সৃজনশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে সংস্কৃতি ও খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা দেশের শিক্ষা উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

 

অস্ট্রেলিয়ায় ‘মালিক’ ও আরিফিন শুভ

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ১০টি গোল

 

দেশের প্রেক্ষাগৃহে ভালো সাড়া পাওয়ার পর এবার ‘মালিক’ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার দর্শকদের সামনে হাজির ঢালিউডের আইকনিক স্টার আরিফিন শুভ। ১২ জুন তিনি অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন।

প্রবাসী দর্শকদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় আরিফিন শুভ বলেন, ‘হ্যালো অস্ট্রেলিয়া। আমি আপনাদের আরিফিন শুভ।  সিডনিতে আমার নতুন সিনেমা ‘মালিক’ নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত থাকছি।

জানা গেছে, ১৩ ও ১৪ জুন সিডনির হোইটস ব্যাংকস্টাউন প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত ‘মালিক’-এর প্রিমিয়ার শোতে আরিফিন শুভ । আয়োজনে রয়েছে বংগোজ ফিল্মস। শুধু সিডনিই নয়, মেলবোর্ন ও অ্যাডিলেডেও ‘মালিক’-এর বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে, সেখানেও উপস্থিত থাকবেন আরিফিন শুভ।

প্রিমিয়ারে নিজে উপস্থিত থেকে দর্শকদের সঙ্গে সিনেমাটি উপভোগ করবেন আরিফিন শুভ। একই সঙ্গে প্রবাসী দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের কথা রয়েছে তার।

দেশে মুক্তির পর থেকেই ‘মালিক’ দর্শকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে সিনেমাটির প্রদর্শনী আরো বিস্তৃত হয়েছে এবং একাধিক নতুন একক প্রেক্ষাগৃহে শো যুক্ত হয়েছে। ফলে রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায়ও সিনেমাটি দেখার সুযোগ বাড়ছে।

 

তিনি আরো জানান, সিডনি প্রিমিয়ারে দর্শকদের সাড়া ভালো । অস্ট্রেলিয়ার অন্য শহরেও সিনেমাটির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে হলে এসে একসঙ্গে ‘মালিক’ দেখার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের সাফল্যের পর এবার আন্তর্জাতিক পরিসরে যাত্রা শুরু করছে ‘মালিক’ আর সেই যাত্রার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন আরিফিন শুভ।

×