শিরোনাম:

ধামরাইয়ে যুবসমাজ ও গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে মাদক বিরোধী র‍্যালি

ধামরাইয়ে যুবসমাজ ও গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে মাদক বিরোধী র‍্যালি

মাদকের মরণছোবল থেকে রক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা করেছে ঢাকার ধামরাইয়ে তরুণ ও যুবসমাজ ।

শুক্রবার (১২ জুন) উপজেলার নান্নার ইউনিয়ন পরিষদের সামনে স্থানীয় যুবসমাজ ও গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে এই সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে নান্নার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ শহিদুল্লাহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) দেবাশীষ সানা।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নান্নার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ নুরুল হক মোল্লা, আফাজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন টিপু, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাজী ওমর আলী, বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, নান্নার গ্রীণ ভয়েস ক্লাবের সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বিল্লাল হোসেন, ধামরাই উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সোলাইমান কবির মিল্টনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আগত বক্তারা মাদকের ভয়াবহতা এবং যুবসমাজের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরেন। একটি সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলতে এবং এলাকাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভায় এলাকার বিপুল সংখ্যক তরুণ, যুবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।ধামরাইয়ে মাদকের বিরুদ্ধে র‍্যালি

হলিউডের সাথে বাংলাদেশেও মুক্তি পাচ্ছে ‘দ্য অ্যান্ড অব ওক স্ট্রিট’

ধামরাইয়ে যুবসমাজ ও গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে মাদক বিরোধী র‍্যালি

সিনেমার পোস্টার

হলিউডের সাথে তাল মিলিয়ে আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট, ২০২৬) বাংলাদেশেও মুক্তি পেয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত সায়েন্স ফিকশন সারভাইভাল সিনেমা ‘দ্য অ্যান্ড অব ওক স্ট্রিট’ (The End of Oak Street)।

দেশের দর্শকদের জন্য সিনেমাটি নিয়ে এসেছে ঢাকার জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্স (Star Cineplex এবং ব্লকবাস্টার সিনেমাস(Blockbuster Cinemas)

ডেভিড রবার্ট মিশেল পরিচালিত এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন অ্যান হ্যাথাওয়ে, ইউয়ান ম্যাকগ্রেগর, মেইসি স্টেলা, ক্রিশ্চিয়ান কনভেরিসহ আরও অনেকে।

পরিচালক ডেভিড মিশেওলের মতে, পরিচিত, সাধারণ একটি পারিবারিক পরিবেশের মধ্যে অস্বাভাবিক ও ভয়ংকর কিছু তুলে ধরাই লক্ষ্য, যা অদ্ভুত রহস্যময়।

সিনে গল্পে জানা যায়, গল্পের প্ল্যাট পরিবার কেন্দ্রীক। তারা আশির দশকের একটি সাধারণ শহরতলির এলাকায় বসবাস করে। হঠাৎ একদিন একটি রহস্যময় মহাজাগতিক ঘটনা ঘটে। অদ্ভূত এক ঘটনার পর তাদের পুরো ওক স্ট্রিট যেন পৃথিবীর স্বাভাবিক জায়গা থেকে উপড়ে অন্য কোথাও চলে যায়। এমনকি তাদের বাড়ি, রাস্তা ও আশপাশের পুরো পরিবেশ বদলে যায়।

প্রথমে পরিবারটি বুঝতেই পারে না কী ঘটেছে। কিন্তু বাইরে বের হওয়ার পর তারা দেখতে পায় পরিচিত শহরতলি আর নেই। ওক স্ট্রিটের সামনে বিশাল অচেনা জঙ্গল। রাস্তার শেষ অংশ যেন বিশাল খাদের কাছে গিয়ে থেমে গেছে। চারপাশে রয়েছে প্রাগৈতিহাসিক পরিবেশ এবং সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার ডাইনোসর ঘুরে বেড়াচ্ছে। এরপর সিনেমাটি মূলত হয়ে ওঠে একটি পরিবারের টিকে থাকার সংগ্রামের গল্প।

চাঁদে যাচ্ছে পাকিস্তানের নভোযান ‘জিন্নাহ-১’

ধামরাইয়ে যুবসমাজ ও গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে মাদক বিরোধী র‍্যালি

ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানের প্রথম লুনার রোভার বা চন্দ্রযান ‘জিন্নাহ-১’ ২০২৯ সালের মধ্যে চাঁদে যাচ্ছে। দেশটির মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সুপারকো (SUPARCO) আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযানের ঘোষণা দিয়েছে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে গবেষণার জন্য ২০২৯ সালের মধ্যে নিজেদের তৈরি একটি রোভার পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান। দেশটির প্রথম চন্দ্র রোভারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘জিন্নাহ-১’।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে গবেষণা সংস্থা সুপারকো জানায়, চীনের চ্যাং’ই-৮ অভিযানের সফরসঙ্গী হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর দিকে যাবে পাকিস্তানের প্রথম প্রস্তাবিত চান্দ্র নভোযানটি। ২০২৯ সালে চ্যাং’ই-৮ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করেছে চীন।

চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। দুর্গম এই এলাকায় বরফ আকারে পানির পাশাপাশি বিভিন্ন মূল্যবান খনিজের সম্ভাব্য উপস্থিতি নিয়ে গবেষণা চলছে। ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ভারতের চন্দ্রযান-৩ এই অঞ্চলে সফলভাবে অবতরণ করেছিল।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, দেশের প্রথম চান্দ্র নভোযানের নাম ঠিক করতে প্রায় ৪ হাজার প্রস্তাব যাচাই করা হয়। পরে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি সম্মান জানিয়ে ‘জিন্নাহ-১’ নামটি বেছে নেয় সুপারকো।

সুপারকোর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সহযোগিতা পাকিস্তানের মহাকাশ কর্মসূচির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ সুপারকোর দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি রোভারটি চন্দ্রপৃষ্ঠে অন্বেষণ অভিযানের অংশ হবে।

২০২৪ সালে চীনের চ্যাং’ই-৮ প্রকল্পে যুক্ত হয় পাকিস্তান। সুপারকোর দাবি, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি রোভার চাঁদের পৃষ্ঠে অনুসন্ধান কার্যক্রমে অংশ নেবে। সূত্র: ডন

কলকাতায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ভাস্কর্য ভাঙচুর

ধামরাইয়ে যুবসমাজ ও গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে মাদক বিরোধী র‍্যালি

ছবি : সংগৃহীত

ভারতের কলকাতার নিউ আলিপুর এলাকায় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একটি ভাস্কর্য (মূর্তি) ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ভাস্কর্যটির ডান হাত ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান. নিউ আলিপুরের ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের বঁড়তলা তিন মাথার মোড়ে এই ঘটনাটি ঘটে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষ থেকে নেতাজিকে নিয়ে যে কোনো অবমাননাকর মন্তব্য বা পোস্টের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে. ফলে পুরো এলাকায় তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে.

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পর কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভাস্কর্য ভাঙচুরের কারণ বা জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ভাস্কর্যটি কখন ও কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি পরিকল্পিতভাবে ভাঙচুর করা হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তদন্তের অংশ হিসেবে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণ পরীক্ষা করা হতে পারে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

স্থানীয় বিজেপি নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দাবি করেন, বুধবার রাতেই ভাস্কর্যটি ভাঙচুর করা হয়ে থাকতে পারে। তারা দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন এর একদিন আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতাজিকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এর আগে বিজেপি রাজ্যসভার সাংসদ নাগেন্দ্রনাথ রায় ওরফে অনন্ত মহারাজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ আখ্যা দেয়ায় রাজ্যজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিবাদ শুরু হয়।এর জেরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মান প্রত্যাহার করে নেয় এবং মুখ্যমন্ত্রী ঐ সাংসদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন। প্রবল চাপের মুখে সাংসদ নাগেন্দ্রনাথ ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চান।

সূত্র: এনডিটিভি

×